SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%প্রত্যেককেই%' OR titleBn LIKE '%প্রত্যেককেই%' OR descriptionEn LIKE '%প্রত্যেককেই%' OR descriptionBn LIKE '%প্রত্যেককেই%' OR slug LIKE '%প্রত্যেককেই%' OR metaTag LIKE '%প্রত্যেককেই%' OR metaDescription LIKE '%প্রত্যেককেই%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
لاَ تَزُولُ قَدَمَا ابْنِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عِنْدِ رَبِّهٖ حَتّٰى يُسْأَلَ عَنْ خَمْسٍ عَنْ عُمْرِهٖ فِيمَا أَفْنَاهُ وَعَنْ شَبَابِهٖ فِيمَا أَبْلاَهُ وَمَالِهٖ مِنْ أَيْنَ اِكْتَسَبَهٗ وَفِيمَ أَنْفَقَهٗ وَمَاذَا عَمِلَ فِيمَا عَلِمَ
অর্থ: কিয়ামতের দিনে হাশরের ময়দানে কোনো আদম সন্তান পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এক কদমও নড়তে পারবে না। সে প্রশ্ন ৫টি হলো:
১) জীবনটা কী কাজে শেষ করেছে?
২) যৌবনকাল কী কাজে লাগিয়েছে?
৩) কোন পথে আয় করেছে?
৪) কোন পথে ব্যয় করেছে?
৫) নিজের ইলিম অনুযায়ী কি আমল করেছে? (তিরমিযী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে বলেছেন-
لِكُلٍّ جَعَلْنَا مِنكُمْ شِرْعَةً وَمِنْهَاجًا
অর্থ: আমি তোমাদের প্রত্যেককেই শরীয়ত এবং ত্বরিকত অর্থাৎ তাছাওউফ দিয়েছি। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৮)
এ আয়াত শরীফে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রত্যেক উম্মতকে বা প্রত্যেক সম্প্রদায়কে বুঝিয়েছেন যে, হযরত আবুল বাশার আদম আলাইহিস সালাম উনার থেকে শুরু করে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে যে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
لاَ تَزُولُ قَدَمَا ابْنِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عِنْدِ رَبِّهٖ حَتّٰى يُسْأَلَ عَنْ خَمْسٍ عَنْ عُمْرِهٖ فِيمَا أَفْنَاهُ وَعَنْ شَبَابِهٖ فِيمَا أَبْلاَهُ وَمَالِهٖ مِنْ أَيْنَ اِكْتَسَبَهٗ وَفِيمَ أَنْفَقَهٗ وَمَاذَا عَمِلَ فِيمَا عَلِمَ
অর্থ: কিয়ামতের দিনে হাশরের ময়দানে কোনো আদম সন্তান পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এক কদমও নড়তে পারবে না। সে প্রশ্ন ৫টি হলো:
১) জীবনটা কী কাজে শেষ করেছে?
২) যৌবনকাল কী কাজে লাগিয়েছে?
৩) কোন পথে আয় করেছে?
৪) কোন পথে ব্যয় করেছে?
৫) নিজের ইলিম অনুযায়ী কি আমল করেছে? (তিরমিযী শরীফ) বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
لاَ تَزُولُ قَدَمَا ابْنِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عِنْدِ رَبِّهٖ حَتّٰى يُسْأَلَ عَنْ خَمْسٍ عَنْ عُمْرِهٖ فِيمَا أَفْنَاهُ وَعَنْ شَبَابِهٖ فِيمَا أَبْلاَهُ وَمَالِهٖ مِنْ أَيْنَ اِكْتَسَبَهٗ وَفِيمَ أَنْفَقَهٗ وَمَاذَا عَمِلَ فِيمَا عَلِمَ
অর্থ: কিয়ামতের দিনে হাশরের ময়দানে কোনো আদম সন্তান পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এক কদমও নড়তে পারবে না। সে প্রশ্ন ৫টি হলো:
১) জীবনটা কী কাজে শেষ করেছে?
২) যৌবনকাল কী কাজে লাগিয়েছে?
৩) কোন পথে আয় করেছে?
৪) কোন পথে ব্যয় করেছে?
৫) নিজের ইলিম অনুযায়ী কি আমল করেছে? (তিরমিযী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
রোযাদারের শৌচ করার নিয়ম:
রোযাদার হলে বড় ইসতিন্জার রাস্তা (পায়খানার রাস্তা) ঢিলা করে ফারাগাত মত শৌচ করবে না, চাপাভাবে বসে শৌচ করবে। ইহ্তিয়াত বা সতর্কভাবে পানি ব্যবহার করবে যেন মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) বড় ইসতিন্জার রাস্তা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ না করে। রোযাদার ব্যক্তি শৌচকালে জোরে জোরে শ্বাস-প্রশ্বাস নিবে না। কারণ এতে করে মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) ভিতরে প্রবেশ করার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। শৌচ করার পর পাক নেকড়া দিয়ে বড় ইসতিন্জার রাস্তা মুছে ফেলবে। নেকড়া না থাকলে টিসু দিয়ে, টিসু না থাকলে হাত দিয়ে ভালোভাবে মুছে ফেলবে যেন বিন্দুমাত বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
তাকবীরে তাশরীক কাকে বলে এবং কতবার বলতে হয়?
জাওয়াব:
পবিত্র যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর যে তাকবীর পাঠ করা হয় তাকেই তাকবীরে তাশরীক বলে। জামায়াতে বা একাকী, মুসাফির অথবা মুকীম, শহর অথবা গ্রামে প্রত্যেককেই প্রতি ফরয নামাযের পর উক্ত তাকবীর পাঠ করতে হবে।
“দুররুল মুখতার” কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “তাকবীরে তাশরীক” একবার বলা ওয়াজিব, তবে যদি (কেউ) একাধিকবার বলে, তাহলে তা ফযীলতের কারণ হবে। আর “ফতওয়ায়ে শামী” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وقيل ثلاث مرات
অর্থ: কেউ কেউ বলেছেন (তাকবীরে তাশ্রীক) তিনবার।” “গ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
لاَ تَزُولُ قَدَمَا ابْنِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عِنْدِ رَبِّهٖ حَتّٰى يُسْأَلَ عَنْ خَمْسٍ عَنْ عُمْرِهٖ فِيمَا أَفْنَاهُ وَعَنْ شَبَابِهٖ فِيمَا أَبْلاَهُ وَمَالِهٖ مِنْ أَيْنَ اِكْتَسَبَهٗ وَفِيمَ أَنْفَقَهٗ وَمَاذَا عَمِلَ فِيمَا عَلِمَ
অর্থ: কিয়ামতের দিনে হাশরের ময়দানে কোনো আদম সন্তান পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এক কদমও নড়তে পারবে না। সে প্রশ্ন ৫টি হলো:
১) জীবনটা কী কাজে শেষ করেছে?
২) যৌবনকাল কী কাজে লাগিয়েছে?
৩) কোন পথে আয় করেছে?
৪) কোন পথে ব্যয় করেছে?
৫) নিজের ইলিম অনুযায়ী কি আমল করেছে? (তিরমিযী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে
বর্ণিত রয়েছে-
لاَ تَزُولُ قَدَمَا ابْنِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عِنْدِ رَبِّهٖ حَتّٰى يُسْأَلَ عَنْ خَمْسٍ عَنْ عُمْرِهٖ فِيمَا أَفْنَاهُ وَعَنْ شَبَابِهٖ فِيمَا أَبْلاَهُ وَمَالِهٖ مِنْ أَيْنَ اِكْتَسَبَهٗ وَفِيمَ أَنْفَقَهٗ وَمَاذَا عَمِلَ فِيمَا عَلِمَ
অর্থ: কিয়ামতের দিনে হাশরের
ময়দানে কোনো আদম সন্তান পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এক কদমও নড়তে পারবে না। সে প্রশ্ন
৫টি হলো:
১) জীবনটা কী কাজে শেষ করেছে?
২) যৌবনকাল কী কাজে লাগিয়েছে?
৩) কোন পথে আয় করেছে?
৪) কোন পথে ব্যয় করেছে?
৫) নিজের ইলিম অনুযায়ী কি আমল
করেছে? (তিরমিযী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...












