দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের মৌলিক অধিকারকে পদদলিত করে একের পর এক দেশবিরোধী ও আত্মঘাতী চুক্তি সম্পাদনের তীব্র প্রতিবাদে গতকাল রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্ত্বরে এক প্রতিবাদী জনসমাবেশের আয়োজন করে বৈষম্য ও জুলুম দূর করে সারা কায়িনাতে ইনসাফ কায়েমে বদ্ধপরিকর সংগঠন 'ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা'।
সমাবেশে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা, কৌশলগত সম্পদ রক্ষা এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য প্রতিষ্ঠায় নি¤েœাক্ত ৪ দফা দাবি উত্থাপন করেন এবং অবিলম্বে বাস্তবায়নের জোর দাবী জানান।
১. বিশ্ব স বাকি অংশ পড়ুন...
নাটক-সিনেমার মাধ্যমে মুসলিম প্রজন্মকে দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে।
সিনেমার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিস্তার ঘটছে ইসলামোফোবিয়ার।
পরকালের কথা স্মরণ করে মুসলিম উম্মাহকে বিধর্মীদের এসব ষড়যন্ত্র থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব জন ফষ্টার ডালেস বলেছিলো, ‘কোন জাতিকে ধ্বংস করতে হ’লে, আগে সে জাতির সংষ্কৃতিকে ধ্বংস করে দাও’। বর্তমানে বাংলাদেশে যেভাবে অপসংষ্কৃতির চর্চা শুরু
হয়েছে, তাতে মার্কিনীদের সে এজেন্ডাই বাস্তবায়িত হচ্ছে।
এইডস (অওউঝ) রোগে আক্রান্ত হলে যেমন কোন রোগীর বাঁচার আশা থাকে না, তেমনি অপস বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
ভারতীয় চলচ্চিত্রে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অবমাননা এবং মুসলিমবিদ্বেষ তথা মুসলমানদের উগ্রবাদী, দেশবিরোধী এবং সন্ত্রাসবাদী হিসেবে প্রদর্শন করা নতুন কোনো বিষয় নয়। ভারতের বর্তমান সরকার এবং ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রি টিকেই আ বাকি অংশ পড়ুন...
১৫টি মূল বিষয়সহ ৪৩৩টি সুপারিশ করেছে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন। ইউনূসের কাছে এই প্রতিবেদন হস্তান্তর করে কমিশন।
সুপারিশগুলোর মধ্যে আছে- শ্রম আইনে গৃহকর্মী ও যৌনকর্মীদের শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে মনে করে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন।
তারা বলেছে, “নারী আন্দোলনের যে তথাকথিত চিরন্তন আকাক্সক্ষা ‘স্বাধীনতা’ এবং সেই স্বাধীনতা পেতে হলে, নারীর যদি সত্যিকারের মুক্তি পেতে হয়, তাহলে আমরা কি করতে চাই, আমাদের আকাক্সক্ষা কি, স্বপ্ন কি- সেগুলো তুলে ধরেছি।
আমরা জানি অনেক কিছু নিয়ে বিতর বাকি অংশ পড়ুন...
বিভিন্ন সময়ে খবর বের হয়, অনেক স্থানে মহিলা আহাল বা স্বামীর হাতে খুন হয়েছে, আবার কোথাও পারিবারিক সহিংসতার জেরে নারী আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু একটি বিষয়ের সংবাদ বা তথ্য আড়াল করা হয় যে, আহালের বা স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের তথ্য প্রকাশ করলেও আহলিয়া বা স্ত্রীর হাতেও যে স্বামীরা খুন হয় সেই তথ্য এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের গবেষণায় পুরুষের প্রতি বৈষম্যের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। শুধু নারী নির্যাতনের বিষয়টি ফলাও করে নারীবাদীদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়েছে।
তাদের দাবি অনুযায়ী, নারীরা এখনো প্রতিনিয়ত পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় কাঠামো বাকি অংশ পড়ুন...
নারীবাদীদের অবস্থা হলো,
১. তারা একক এক শক্তি পয়দা করতে যাচ্ছে।
২. তাদের সমাজে পুরুষ সঙ্গী রাখতে নারাজ।
৩. পুরুষদেরকেও নারীবাদী হতে হবে।
৪. এরা সমাজে থাকতে চায় কিন্তু সমাজের ধার ধারে না।
৫. অনেক পুরুষের সাথে বহুগামী হতে চায়, কিন্তু লুকাতে চায় তাদের বিকৃত লালসা।
৬. সরকারী লাইসেন্স পাওয়া পতিতা বৃত্তির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহকে সানন্দে গ্রহণ করা এবং পতিতা হওয়ার উৎসাহ দেয়া।
৭. হারাম কাজে মশগুল অর্থাৎ প্রেম- প্রীতিকে বর্জন করার জন্য শরীয়তের বিধান অস্বীকার করা। নাউযুবিল্লাহ!
এখন কথা হলো, মুসলিম দেশে মুসলমান হয়েও যারা নারীবাদীত্বে ম বাকি অংশ পড়ুন...
মেয়েদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস না থাকায় ঢাকা শহরের বাসগুলোতে বাধ্য হয়েই নারী পুরুষ একই বাসে চড়ে থাকে। উচিত ছিল নারীদের জন্য আলাদা বাসের ব্যবস্থা করা যাতে করে তাদেরকে কোনো রকম হেনস্থার শিকার না হতে হয় এবং মেয়েদের শরয়ী পর্দা পালনে কোনো বাধার সৃষ্টি না হয়।
বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট লেখা হয়েছিল যে, “যেহেতু এখনও পর্যন্ত মেয়েদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস শুরু হয়নি সেহেতু এমন একটা নিয়ম করা উচিত যে- যখনই কোনো মহিলা, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ কেউ বাসে উঠবে তখনই ছেলেরা উঠে তাদের বসতে দিবে।”
এই পোস্টে বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
আজ মহাপবিত্র ৭ই রজবুল হারাম শরীফ। বিশেষ দিনের মধ্যে সর্বোত্তম দিবস মুবারক হচ্ছে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ৭ই রবীউল আউওয়াল শরীফ। আর মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ৭ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার সাথে সম্পর্ক থাকার কারণে প্রতি বাকি অংশ পড়ুন...
সংস্কারের জন্য জনতার এবং জনমতের প্রতি আপনাদের দৃষ্টি নেই কেনো?
জনতার ভাষা, আবেগ-অনুভুতি আশা-আকাঙ্খা, চাওয়া-পাওয়া, উপলব্ধি করতে আপনাদের এত অক্ষমতা কেনো?
মন খুলে সমালোচনা করলে কী হবে? গন্ডারের চেয়েও মোটা চামড়ায় কী সূরসূরি লাগে?
দেশের পনের লাখ মসজিদ, লাখ লাখ মাদরাসা, হেফজ খানা, মক্তব, কোটি কোটি নামাজী, রোযাদার, হাজী, পর্দানশীন নারী, তালিব-ইলম, হাফেজ, ক্বারী, মুফতি, মাওলানা, মুহাদ্দিস, খতীব ওয়ায়েজ তথা ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানই সংস্কারের অনিবার্য অনুষঙ্গ
তাই সব জারিজুরি বাদ দিয়ে পরিপূর্ণ ইসলাম বাস্তবায়নের সংস্কার করেই- ছাত্র জনতার সরকা বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
ভারতীয় চলচ্চিত্রে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অবমাননা এবং মুসলিমবিদ্বেষ তথা মুসলমানদের উগ্রবাদী, দেশবিরোধী এবং সন্ত্রাসবাদী হিসেবে প্রদর্শন করা নতুন কোনো বিষয় নয়। ভারতের বর্তমান সরকার এবং ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রি টিকেই আছে মুসলিমবিদ্বেষের প্রচার-প্রসার করে। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের বাকি অংশ পড়ুন...
১৫টি মূল বিষয়সহ ৪৩৩টি সুপারিশ করেছে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন। ইউনূসের কাছে এই প্রতিবেদন হস্তান্তর করে কমিশন।
সুপারিশগুলোর মধ্যে আছে- শ্রম আইনে গৃহকর্মী ও যৌনকর্মীদের শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে মনে করে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন।
তারা বলেছে, “নারী আন্দোলনের যে তথাকথিত চিরন্তন আকাক্সক্ষা ‘স্বাধীনতা’ এবং সেই স্বাধীনতা পেতে হলে, নারীর যদি সত্যিকারের মুক্তি পেতে হয়, তাহলে আমরা কি করতে চাই, আমাদের আকাক্সক্ষা কি, স্বপ্ন কি- সেগুলো তুলে ধরেছি।
আমরা জানি অনেক কিছু নিয়ে বিতর বাকি অংশ পড়ুন...
সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব জন ফষ্টার ডালেস বলেছিলো, ‘কোন জাতিকে ধ্বংস করতে হ’লে, আগে সে জাতির সংষ্কৃতিকে ধ্বংস করে দাও’। বর্তমানে বাংলাদেশে যেভাবে অপসংষ্কৃতির চর্চা শুরু
হয়েছে, তাতে মার্কিনীদের সে এজেন্ডাই বাস্তবায়িত হচ্ছে।
এইডস (অওউঝ) রোগে আক্রান্ত হলে যেমন কোন রোগীর বাঁচার আশা থাকে না, তেমনি অপসংষ্কৃতির আগ্রাসনে কোন জাতি আক্রান্ত হলে সে জাতির অপমৃত্যু হতে বেশী সময় লাগে না। তাই সাংষ্কৃতিক আগ্রাসন হচ্ছে ‘এইডস’-এর মত মরণব্যাধি, যার স্বাভাবিক পরিণতি অবধারিত মৃত্যু। কোন মুসলমান এই অপসংষ্কৃতির আগ্রাসনের শিকার হলে প্রথমে বাকি অংশ পড়ুন...












