ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খ¦ালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-“হে ঈমানদারগণ! মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করার মতো ভয় করুন এবং মুসলমান না হয়ে ইন্তিকাল করবেন না।” অর্থাৎ ঈমানদার দাবীদার প্রত্যেককে হাক্বীক্বী মুসলমান হতে হবে। আর হাক্বীক্বী মুসলমান হত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র জানাযার নামাযের নিয়মঃ
জানাযার নামায পড়ার পূর্বে মাইয়্যিতের ওলী বা অভিভাবককে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে, মাইয়্যিতের কোন ঋণ আছে কি-না? যদি থাকে তাহলে সেগুলো কে এবং কিভাবে পরিশোধ করবে তা জানতে হবে। নামায ও রোযা কাযা আছে কি-না? যদি থাকে তাহলে তার কাফফারা দিতে হবে। সেটা কে বা কিভাবে আদায় করবে তা জানতে হবে।
(বিতরসহ দৈনিক ছয় ওয়াক্ত নামাযের কাফ্ফারা দিতে হবে। যত ওয়াক্ত নামায কাযা থাকবে তার প্রতি ওয়াক্তের জন্য এক ফিতরা পরিমাণ কাফফারা দিতে হবে। একইভাবে প্রতিটি রোযার জন্য এক ফিতরা। তবে প্রতি রোযা বা নামাযের জন্য ২ কেজি আটা বা ময়দা কিংবা ত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র জানাযার নামাযের ফযীলত মুবারক:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “যে ব্যক্তি জানাযার নামাযে শরীক হবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে উহুদ পাহাড়ের সমান ছাওয়াব দান করবেন। যে ব্যক্তি জানাযার পর দাফন কার্যে শরীক হবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে দুই পাহাড় পরিমাণ ছওয়াব দান করবেন।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে শরীক করেনি এমন চল্লিশজন মুসলমান কোন মৃতের জানাযায় শরীক হলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের বরকতে উক্ত মৃতকে ক বাকি অংশ পড়ুন...
সালিস দুই ব্যক্তির মাধ্যমে সংশোধনের সর্বাত্মক কোশেশও যদি ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। বিচ্ছেদ ছাড়া কোনো পথ না থাকে তাহলে কিভাবে ত্বালাক্ব বা বিচ্ছেদ ঘটাবে তারও বর্ণনা মহান আল্লাহ পাক তিনি সুনিপুণভাবেই দিয়েছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ لِعِدَّتِهِنَّ وَاَحْصُوا الْعِدَّةَ ۖ وَاتَّقُوا اللّٰهَ رَبَّكُمْ
অর্থ: যখন তোমরা আহলিয়াদেরকে (স্ত্রীদেরকে) ত্বালাক্ব দেয়ার ইচ্ছা করবে তখন তাদেরকে ইদ্দতের মধ্যে ত্বালাক্ব দিবে এবং ইদ্দত গণনা করবে। আর এ ব্যাপারে তোমাদের মহান রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করবে।” (পবিত্র সূরা ত্বালাক্ব বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ মুসা আশয়া’রী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুব বাকি অংশ পড়ুন...
আপনি যদি আপনার ত্বালাক্ব প্রাপ্তা আহলিয়াকে নিয়ে সংসার করতে চান তাহলে উক্ত আহলিয়া (্স্ত্রী) ইদ্দত পালনের পর অন্যত্র বিবাহ বসে ঘর সংসার করার পর অর্থাৎ একান্তবাসের পর যদি দ্বিতীয় আহাল বা স্বামী তাকে ত্বালাক্ব দেয় অথবা সে মারা যায় অতপর ইদ্দত পালন করে তখন আপনি আপনার উক্ত আহলিয়া বা স্ত্রীকে পূনরায় বিবাহ করে সংসার করতে পারবেন। এটা মহান আল্লাহ পাক উনারই নির্দেশ মুবারক।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاِنْ طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَه مِنْ بَعْدُ حَتّٰى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ
অর্থ: অতঃপর যদি সে তার আহলিয়াকে (স্ত্রীকে) তিন ত্বালাক্ব বাকি অংশ পড়ুন...












