SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%জুয়াড়ি%' OR titleBn LIKE '%জুয়াড়ি%' OR descriptionEn LIKE '%জুয়াড়ি%' OR descriptionBn LIKE '%জুয়াড়ি%' OR slug LIKE '%জুয়াড়ি%' OR metaTag LIKE '%জুয়াড়ি%' OR metaDescription LIKE '%জুয়াড়ি%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৮ জুলাই) রাত ১১টায় ফেনীর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে।
ফেনী পৌর এলাকার চাঁড়িপুরের ইসমাইল ম্যানশনের ৪ তলা বিল্ডিংয়ের ছাদ থেকে এই জুয়াড়িদের হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- আনোয়ার হোসেন (৫০), আইয়ুব (৬১), সুজন মোহন্ত (৩৮), আবুল বাশার ভূঁইয়া ওরফে বাশাইন্যা (৪৪), শাহীন (২৮), ওসমান গণি (৩৫), ওমর ফারুক খোকন (৪৮), আনোয়ার হোসেন (৪৫), শরিফ হোসেন (২৯), ইব্রাহিম (৩৯), রনি (২২), শাহেদ (২৪), আবুল হাশেম (৩০), আনিছুর রহমান (৫৫) ও মিজা বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
আশ্রয়ণ প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের মাথার ওপর স্থায়ী ছাদ নিশ্চিত করা। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পে খরচ হয়েছে ১১ হাজার কোটির বেশি টাকা।
কিন্তু দেশের বিভিন্ন জেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্প সরজমিনে ঘুরে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। কোথাও বরাদ্দ পাওয়া পরিবার ঘরে থাকছে না, কোথাও সরকারি ঘর বিক্রি হয়ে গেছে মোটা অংকের টাকায়, আবার কোথাও বছরের পর বছর খালি পড়ে থাকা ঘর মাদকসেবী ও জুয়াড়িদের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, অনেক প্রকল্পেই প্রকৃত উপকারভোগীর পরিবর্তে স্থা বাকি অংশ পড়ুন...
সংবাদ শিরোনাম হয়েছে- “অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে পড়ছে কুড়িগ্রামের শিশু-কিশোররা”।
খবরে বলা হয়, অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের শহর ও চরাঞ্চলের শিশু-কিশোররা। পড়াশোনা বাদ দিয়ে দিনের সিংহভাগ সময়ই তারা ব্যয় করছে গেমিংয়ের পেছনে। এছাড়া অনলাইনের বেটিং সাইটগুলোতেও রয়েছে তাদের অবাধ চলাচল। অনেকেই জুয়ার টাকা যোগাড় করতে অল্প বয়সেই পড়াশোনা বাদ দিয়ে জড়িয়ে পড়েছে চুরি-ছিনতাইসহ নানা নাশকতায়।
জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শহর থেকে গ্রাম প্রায় সবখানেই কিশোরদের দলবেঁধে মোবাইলে ঝুঁকে থাকার দৃশ্য। বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে দ্রুত বাড়ছে অনলাইন জুয়া ও পর্নোগ্রাফি আসক্তি। সরকারি হিসাবে, বর্তমানে দেশে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত মানুষের সংখ্যা ৫০ লাখের বেশি।
তবে পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন সরকারী এই হিসেব অন্যান্য পরিসংখ্যানের মতই চরম ভূল। অনলাইনে জুয়ায় আসক্ত এখন ২ কোটিরও বেশী। এই প্রবণতা সমাজে আর্থিক ক্ষতি, পারিবারিক কলহ ও অপরাধ বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।
এই পরিস্থিতিতে অনলাইন জুয়া ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে দাবী করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ফেসবুক, গুগল ও টিকটকের মতো আন বাকি অংশ পড়ুন...
সহজলভ্য অ্যাপ বা ব্রাউজারের মাধ্যমে যেকোনো ব্যক্তি স্মার্টফোন ব্যবহার করে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। লেনদেন হয় মোবাইল ব্যাংকিং-বিকাশ, নগদ, রকেটের মাধ্যমে। প্রলোভন দেখাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও প্রচার করা হয়, যেখানে কয়েকগুণ লাভ দেখানো হয়। শুরুতে সামান্য জিতলেও পরে সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে খেলোয়াড়রা।
অনলাইন জুয়ার আসক্তি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দ্রুত ছড়াচ্ছে। শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে শ্রমজীবী মানুষও এই ফাঁদে জড়াচ্ছে। পরিবারে অশান্তি, মানসিক অবসাদ, দাম্পত্য কলহ এমনকি অপরাধও বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আসক্তি মাদকের বাকি অংশ পড়ুন...
সংবাদ শিরোনাম হয়েছে- “অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে পড়ছে কুড়িগ্রামের শিশু-কিশোররা”।
খবরে বলা হয়, অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের শহর ও চরাঞ্চলের শিশু-কিশোররা। পড়াশোনা বাদ দিয়ে দিনের সিংহভাগ সময়ই তারা ব্যয় করছে গেমিংয়ের পেছনে। এছাড়া অনলাইনের বেটিং সাইটগুলোতেও রয়েছে তাদের অবাধ চলাচল। অনেকেই জুয়ার টাকা যোগাড় করতে অল্প বয়সেই পড়াশোনা বাদ দিয়ে জড়িয়ে পড়েছে চুরি-ছিনতাইসহ নানা নাশকতায়।
জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শহর থেকে গ্রাম প্রায় সবখানেই কিশোরদের দলবেঁধে মোবাইলে ঝুঁকে থাকার দৃশ্য। বাকি অংশ পড়ুন...
সংবাদ শিরোনাম হয়েছে- “অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে পড়ছে কুড়িগ্রামের শিশু-কিশোররা”।
খবরে বলা হয়, অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের শহর ও চরাঞ্চলের শিশু-কিশোররা। পড়াশোনা বাদ দিয়ে দিনের সিংহভাগ সময়ই তারা ব্যয় করছে গেমিংয়ের পেছনে। এছাড়া অনলাইনের বেটিং সাইটগুলোতেও রয়েছে তাদের অবাধ চলাচল। অনেকেই জুয়ার টাকা যোগাড় করতে অল্প বয়সেই পড়াশোনা বাদ দিয়ে জড়িয়ে পড়েছে চুরি-ছিনতাইসহ নানা নাশকতায়।
জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শহর থেকে গ্রাম প্রায় সবখানেই কিশোরদের দলবেঁধে মোবাইলে ঝুঁকে থাকার দৃশ্য। বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
এ্যাপস ব্যবহার করে অ্যানড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে জমজমাট হয়ে উঠেছে জুয়ার আসর। বলা হচ্ছে বিভিন্ন অ্যাপ খুলে চালানো হচ্ছে অনলাইন জুয়া। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা খেলা যায়। এতে দেশের স্কুল-কলেজের ছাত্র, বেকার যুবক ও তরুণ শিক্ষার্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
অনলাইন জুয়ার সাইটগুলোতে তরুণ-তরুণী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, শ্রমিক থেকে শুরু করে অসংখ্য বেকার যুবকরা ঝুঁকে পড়েছে। হকার, দোকানি, দিনমজুর, বাস-ট্রাকের চালক, নির্মাণশ্রমিক থেকে শুরু করে একেবারে নিম্ন আয়ের মানুষ বুঁদ হয়ে থাকছে এই নেশায়। অধিকাংশ সময় ব্যস্ত থাকে অনলাইনে বাজি ধরতে। জুয়ার টাকা যোগাতে কেউ কেউ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন। অনেকে নিঃস্ব হয়ে গেছেন অনলাইন জুয়ার আসরে। আবার কোনো কোনো সংসারে ফাটল ধরছে জুয়ার এই ভয়াবহ আসক্তির ফলে। অনলাইনে জুয়ার চটকদার বিজ্ঞাপনের ফলে অধিক আয়ের আশায় ঝুঁকছে মানুষ। সামাজিক য বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
এ্যাপস ব্যবহার করে অ্যানড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে জমজমাট হয়ে উঠেছে জুয়ার আসর। বলা হচ্ছে বিভিন্ন অ্যাপ খুলে চালানো হচ্ছে অনলাইন জুয়া। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা খেলা যায়। এতে দেশের স্কুল-কলেজের ছাত্র, বেকার যুবক ও তরুণ শিক্ষার্ বাকি অংশ পড়ুন...
সংবাদ শিরোনাম হয়েছে- “অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে পড়ছে কুড়িগ্রামের শিশু-কিশোররা”।
খবরে বলা হয়, অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের শহর ও চরাঞ্চলের শিশু-কিশোররা। পড়াশোনা বাদ দিয়ে দিনের সিংহভাগ সময়ই তারা ব্যয় করছে গেমিংয়ের পেছনে। এছাড়া অনলাইনের বেটিং সাইটগুলোতেও রয়েছে তাদের অবাধ চলাচল। অনেকেই জুয়ার টাকা যোগাড় করতে অল্প বয়সেই পড়াশোনা বাদ দিয়ে জড়িয়ে পড়েছে চুরি-ছিনতাইসহ নানা নাশকতায়।
জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শহর থেকে গ্রাম প্রায় সবখানেই কিশোরদের দলবেঁধে মোবাইলে ঝুঁকে থাকার দৃশ্য। বাকি অংশ পড়ুন...
এক সময়ে তাসের মাধ্যমে জুয়া খেলাকে অপরাধ বলে গণ্য করা হতো, তা থেকে হাউজি, লাইভ ক্যাসিনো হয়ে এখন ঘরে বসেই মিলছে জুয়ার আসর। হাতে কেবল একটা মোবাইল ফোন থাকলেই হলো। তাই কোনোভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না অনলাইন জুয়া। এক ধরনের কৌতূহল থেকে তরুণ প্রজন্ম আকৃষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন জুয়ার সাইটে। পাঁচ-দশ হাজার টাকার বিনিয়োগে শুরু করে লোভে পড়ে একপর্যায়ে খোয়াচ্ছে লাখ লাখ টাকা। আর জুয়ায় বিনিয়োগ থেকে কোটি কোটি টাকা পাঁচার হয়ে চলে যাচ্ছে বিদেশে।
এদিকে শত শত সাইট বন্ধ এবং অপরাধী ধরা পড়ার পরও হাত বাড়ালেই মিলছে আরও অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্ম। উন্মুক্ত নেট বাকি অংশ পড়ুন...












