SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%জানাযা%' OR titleBn LIKE '%জানাযা%' OR descriptionEn LIKE '%জানাযা%' OR descriptionBn LIKE '%জানাযা%' OR slug LIKE '%জানাযা%' OR metaTag LIKE '%জানাযা%' OR metaDescription LIKE '%জানাযা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মানুষ (সাধারণ) বড়ই অস্থির তথা চঞ্চল প্রকৃতির।’ অস্থির মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই। অপরদিকে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে সাইয়্যিদুল মুর বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ২৭ তারিখ ইয়াওমুস সাব্ বাকি অংশ পড়ুন...
বিছাল শরীফ:
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “আত-তারীখ” গ্রন্থে উল্লেখ করেন, আমার নিকট আল-উওয়াইসি বর্ণনা করেছেন যে, উনার নিকট হযরত মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেছেন; হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বয়স মুবারক ৮৭ বছরে পৌঁছেছিল। হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি ব্যতীত অন্যান্যদের মতে তিনি ৮৪ বছর বয়সে বিছাল শরীফ প্রাপ্ত হয়েছিলেন। হযরত ইবনে হাজার আসকালানী রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রথম বর্ণনাকেই অধিকতর সঠিক বলে মন্তব্য করেছেন। (ইছাবা)
হাজ্জাজের সময় আরাফাত হতে ফিরবার সময় হাজ্জাজের একজন সিপাহী তার বিষ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ছাত্রবৃন্দ:
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ছাত্র অগণিত হওয়াই স্বাভাবিক। উনাদের সংখ্যাও গণনা সম্ভব নয় এবং তালিকাও বর্ণনা সহজ নয়। যিনি লক্ষাধিক পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের হাফিয, চল্লিশ হাজার পবিত্র হাদীছ শরীফ সংকলিত হয়েছে এমন গ্রন্থের সংকলক উনার ছাত্র বিশ্বজুড়ে হওয়াই স্বাভাবিক। যার মজলিসে পাঁচ হাজার পর্যন্ত ছাত্র থাকতো। নিম্নে কয়েকজন নক্ষত্রতুল্য ছাত্রের নাম উল্লেখ করা হলো-
১. ইমাম মুহম্মদ বিন ইসমাঈল আল বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
আজ পবিত্র ১৮ যিলহজ্জ শরীফ। আজকের এই দিনটি হচ্ছে আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, খলীফায়ে ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সু বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মূল নাম মুবারক হচ্ছেন হযরত উছমান আলাইহিস সালাম। উপনাম মুবারক আবূ আ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন আন নূরুর রবি’য়াহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম বাকি অংশ পড়ুন...
৩৫. শাতিম মিশআল খানের পরিণতি:
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়াহ প্রদেশের ‘মরদান’ শহরে অবস্থিত আবদুল ওয়ালী খান ইউনিভার্সিটির গণমাধ্যম শাখার একজন ছাত্র। নাম তার মিশআল খান। সে ছিলো মূলত একজন কমিউনিস্ট। তার কামরায় কাল মার্ক্স ও চে গুয়ে ভারার ছবি ঝুলানো ছিলো। সে যে সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারা ও রাজনীতিতে জড়িত ছিলো সেটার সুস্পষ্ট প্রমাণ এখান থেকেই পাওয়া যায়।
২৩ বছর বয়সী এই কুলাঙ্গার ফেসবুকে একটি পেইজে নিয়মিত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীমূলক পোস্ট দিতো। তারই ধারাবাহিকতায় এই কুল বাকি অংশ পড়ুন...
কায়িনাতের বুকে হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আলাইহাস সালাম তিনিই একমাত্র ব্যক্তিত্ব মুবারক যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের পূর্ব থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত দীদার মুবারক-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়া পর্যন্ত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজে সাইয়্যিদাতুনা হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আওওয়াবীন উনার ওয়াক্ত :
যা মাগরিব নামাযের ফরয ও সুন্নত পড়ার পরই আদায় করতে হয়।
পবিত্র ইশরাক উনার ওয়াক্ত :
সূর্যোদয়ের কিছুক্ষণ পরেই অর্থাৎ সূর্য এক নেজা বা ছয় হাত পরিমাণ উঠার পর হতে পবিত্র চাশত নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত পবিত্র ইশরাক নামাযের ওয়াক্ত।
পবিত্র দ্বুহা বা চাশত উনার ওয়াক্ত :
ইশরাক ওয়াক্তের পর হতে সূর্য ঢলার পূর্ব পর্যন্ত পবিত্র চাশত নামাযের ওয়াক্ত।
পবিত্র যাওয়াল উনার ওয়াক্ত :
সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে যোহর ওয়াক্ত হওয়ার পর যোহর নামায আদায় করার পূর্বেই পবিত্র যাওয়াল উনার নামায আদায় করতে হয়।
পবিত্র নামা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র জানাযার নামাযের নিয়মঃ
জানাযার নামায পড়ার পূর্বে মাইয়্যিতের ওলী বা অভিভাবককে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে, মাইয়্যিতের কোন ঋণ আছে কি-না? যদি থাকে তাহলে সেগুলো কে এবং কিভাবে পরিশোধ করবে তা জানতে হবে। নামায ও রোযা কাযা আছে কি-না? যদি থাকে তাহলে তার কাফফারা দিতে হবে। সেটা কে বা কিভাবে আদায় করবে তা জানতে হবে।
(বিতরসহ দৈনিক ছয় ওয়াক্ত নামাযের কাফ্ফারা দিতে হবে। যত ওয়াক্ত নামায কাযা থাকবে তার প্রতি ওয়াক্তের জন্য এক ফিতরা পরিমাণ কাফফারা দিতে হবে। একইভাবে প্রতিটি রোযার জন্য এক ফিতরা। তবে প্রতি রোযা বা নামাযের জন্য ২ কেজি আটা বা ময়দা কিংবা ত বাকি অংশ পড়ুন...












