মোঘল স্থাপত্য শিল্পের এক ঐতিহাসিক নিদর্শন চট্টগ্রামের কদম মুবারক শাহী জামে মসজিদ। এই মসজিদের গঠন, অবকাঠামো, নির্মাণশৈলী, কারুকার্য আকৃষ্ট করে সকলকেই।
জানা যায়, মোঘল শাসক মুহম্মদ শাহ্র শাসনামলে তার নির্দেশে প্রথম মোতোয়াল্লি মুহম্মদ ইয়াসিন খান ১৭১৯ খ্রিস্টাব্দে এই মসজিদ নির্মাণকাজ শুরু করেন। ১৭২৩ সালে নির্মাণ শেষ হয়।
তিনি পবিত্র মদিনা শরীফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত কদম মুবারকের ছাপ সম্বলিত পাথর সংগ্রহ করে এনেছিলেন। সেই থেকে মসজিদটির নাম হয়- কদম মুবারক মসজিদ। ন বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি কে?
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের একমাত্র ইবনুন (ছেলে সন্তান) হলেন সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি।
তিনি উনার মহাসম্মানিত আব্বাজান আলাইহিস সালাম ও মহাসম্মানিতা আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনাদের উভয়ের দিক থেকেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ বা বংশধর।
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিন বাকি অংশ পড়ুন...
গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৪৭১ হিজরী সনের ১লা রমাদ্বান শরীফ দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মুবারক আনেন এবং ৫৬১ হিজরীর ১১ই রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফে পবিত্র বিছাল শরীফ প্রকাশ করেন।
তিনি হলেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ ওয়ারিছ, নায়িব, আওলাদ। তিনি ৬শ’ হিজরী শতাব্দীর ‘মুজাদ্দিদ’। অর্থাৎ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে যে সমস্ত কুফর, শিরক, বিদয়াত প্রবেশ করেছিল সেগুলো বের করে দেয়ার জন্য অর্থাৎ মিথ্যাকে মিটিয়ে দিয়ে সত বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং এরপরে উলিল আমর অর্থাৎ সম্মানিত ওলীআল্লাহগণ উনাদেরকে মানার কথা ইরশাদ মুবারক হয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার জুমাদাল ঊলা শরীফ মাসের কথা। আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত আপন ভাই আমাদের মহাসম্মানিত সাইয়্যিদুনা হযরত চাচা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি একখানা স্বপ্ন মুবারক দেখেন। তিনি বলেন, আমি স্বপ্নে দেখতেছি, সম্মানিত ক্বাদেরীয়া ত্বরীক্বাহ্ উনার সম্মানিত ইমাম হযরত বড় পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মহাসম্মানি বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ আসলে অধিকাংশ মসজিদগুলোতে খতম তারাবীহ হোক অথবা সূরা তারাবীহ হোক ইমাম ছাহেব এতো দ্রুতগতিতে তিলাওয়াত করেন যা পিছনে ইক্তিদাকারীগণ কিছুই বুঝেন না। আবার রুকু, সিজদাও এতো দ্রুতগতিতে করেন যাতে মুছল্লীগণ কেউ রুকুতে, কেউ সিজদায়, কেউ কওমায় থাকেন।
সুওয়াল হলো- ওয়াক্তিয়া নামাযের যে নিয়ম অর্থাৎ যেভাবে নিয়ত করতে হয়, তাকবীরে তাহরীমা বাঁধতে হয়, ধীর গতিতে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করতে হয়, ক্বওমা-জলসা ঠিক মতো আদায় করতে হবে, তাশাহহুদ শরীফ, দুরূদ শরীফ ও দোয়ায়ে মা’ছূরা শরীফ পাঠ করতে হয়, তারপর সালাম ফিরানোর মাধ্যমে না বাকি অংশ পড়ুন...
পাওনাদারের যাকাত আদায়ের বিধান :
নিছাব পরিমাণ মাল অর্থাৎ ৫২.৫ তোলা রৌপ্য অথবা ৭.৫ তোলা স্বর্ণ অথবা তার সমমূল্যের টাকা যদি কোন ব্যক্তির নিকট এক বছর পূর্ণ মালিকানাধীন থাকে তাহলে তার উপর যাকাত ফরয হবে। তখন উক্ত ছাহেবে নিছাবকে তার টাকার শতকরা আড়াই টাকা যাকাত দেয়া ফরয।
আর যাকাত আদায়ের জন্যে শর্ত হচ্ছে যাকাতের মাল গরীব-মিসকীন বা দরিদ্রকে মালিক করে দেয়া। কিন্তু মালিক না করে যদি যাকাতের নিয়তে খেতে দেয়া হয়, তাতে যাকাত আদায় হবে না। কেননা তা মালিক করে দেয়া হয়নি শুধুমাত্র তা খেতে দেয়া হয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ কোন পাওনাদার যদি তার ফরয যাকাত আদা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ আসলে অধিকাংশ মসজিদগুলোতে খতম তারাবীহ হোক অথবা সূরা তারাবীহ হোক ইমাম ছাহেব এতো দ্রুতগতিতে তিলাওয়াত করেন যা পিছনে ইক্তিদাকারীগণ কিছুই বুঝেন না। আবার রুকু, সিজদাও এতো দ্রুতগতিতে করেন যাতে মুছল্লীগণ কেউ রুকুতে, কেউ সিজদায়, কেউ কওমায় থাকেন।
সুওয়াল হলো- ওয়াক্তিয়া নামাযের যে নিয়ম অর্থাৎ যেভাবে নিয়ত করতে হয়, তাকবীরে তাহরীমা বাঁধতে হয়, ধীর গতিতে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করতে হয়, ক্বওমা-জলসা ঠিক মতো আদায় করতে হবে, তাশাহহুদ শরীফ, দুরূদ শরীফ ও দোয়ায়ে মা’ছূরা শরীফ পাঠ করতে হয়, তারপর সালাম ফিরানোর মাধ্যমে না বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে রাতে পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ পর্যন্ত ভ্রমণ করিয়েছেন। অতঃপর মুবারক আনুষ্ঠানিক দীদার দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
فَكَانَ قَابَ قَوْسَیْنِ اَوْ اَدْنَ.
অর্থ: “ধনুকের দুই মাথার যতটুকু ব্যবধান এই পরিমাণ অথবা এর চেয়েও আরো অধিক নিকটবর্তী হলেন।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা নজম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-০৯)
মূলত এটিই হচ্ছে পব বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউসুল আ’যম, শায়েখ সাইয়্যিদ মুহীউদ্দীন আব্দুল ক্বাদির জিলানী হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার যামানায় এক ব্যক্তি যিনি খলীফার পোশাক বা কোর্তা সেলাই করতেন। খলীফা তিনি উনাকে যে পরিমাণ বিনিময় প্রদান করতেন, তাতে উনার সংসার এক বছর চলে যেত।
উক্ত ব্যক্তি একবার খলীফার জন্য একটি কোর্তা সেলাই করলেন, কিন্তু কোর্তাটি কিছুটা ছোট হয়ে যায়। তাই খলীফা উক্ত কোর্তাটি গ্রহণও করল না এবং তাকে কোন বিনিময়ও প্রদান করল না। এতে উক্ত ব্যক্তি খুব ব্যথিত ও চিন্তিত হলেন। কারণ খলীফার দেয়া বিনিময় দ্বারাই তিনি এক বছর সংসার চালিয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদের জন্য দুটি নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি। প্রথম নিয় বাকি অংশ পড়ুন...












