SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%খাছ%' OR titleBn LIKE '%খাছ%' OR descriptionEn LIKE '%খাছ%' OR descriptionBn LIKE '%খাছ%' OR slug LIKE '%খাছ%' OR metaTag LIKE '%খাছ%' OR metaDescription LIKE '%খাছ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
কেউ যদি সত্যি নেয়ামত, রহমত-বরকত ও সফলতা লাভ করতে চায়; তাহলে তাকে অবশ্যই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সর্বক্ষেত্রে অনুসরণ করতে হবে। কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُوْلَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيْمًا.
অর্থ : যে বা যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে সম্মানিত ইত্তিবা মুবারক, অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক করবেন, উনারা অব বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
পাক মুজাদ্দিদ ইমামুল উমাম আমাদের রাহবার,
জুলমাত সব রয় কুপোকাত ফায়িজেই আপনার।
উনার দোয়ায় জ্বালায় পুড়ায় বাতিলের বাহাদুরী,
করে ইহুদী-নাছারা, মুশরিকীন আগুনেই গড়াগড়ি।
ইসরায়েল, ইউরোপ, আমেরিকা, ভারতি অত্যাচার,
মামদুহী দোয়ায় পুরোটাই আজ হচ্ছে রে ছারখার।
উনার মুবারক আদেশে আমরা গড়েছি ঐক্যতান,
খিলাফত কায়িমে নিচ্ছি শপথ মোরা সব মুরীদান।
ঐ জাহিলিয়াতের জুলুম শাসন করতেছি মিছমার,
ভাঙছি ভাস্কর্য মূর্তি কুসংস্কারের কুখ্যাত মজমার।
মোরা তাগুতের খবরদারী খতম করতে হাজির,
মোরা মুর্শিদী আদেশ পালনে হরদমে রই অধির।
আমরা জাগাই বিশ্ব মু’মিনী ঈমান বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা পাগড়ী মুবারক ব্যবহার করতেন। তাই পাগড়ী পরিধান করা খাছ সুন্নত মুবারক।
পাগড়ীর পরিমাপ :
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অধিকাংশ সময় যে পাগড়ী মুবারক ব্যবহার করতেন তা ছিল ৭ হাত লম্বা, যা পবিত্র হুজরা শরীফ হতে বের হওয়ার সময় তিনি পরিধান মুবারক করে বের হতেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করার সময় এ ধরণের পাগড়ী মুবারক ব্যবহার করতেন। পবিত্র হুজরা শরীফ উনার মধ্যে যে পাগড়ী মুবারক ব্যবহার করতেন তা ছিল ৩ হাত লম্বা। কোন কোন সম বাকি অংশ পড়ুন...
(১৩ পর্ব)
তিনি তিনটি রূপ দান করেছেন, আমরা তো একটা বলেছিলাম, অনন্তকাল। আসলে এখানে তিনটা রূপ মামদূহ মুর্শিদ কিবলা বলছেন, খুব খেয়াল করতে হবে। সহজ করে দিয়েছেন। খুব সহজ। একটা হচ্ছে অনন্তকাল সময়ব্যাপী। হ্যা; অনন্তকাল। আমার কথা বুঝা যায়? না কঠিন লাগে? হ্যা, অনন্তকাল। লম্বা সময়, অনন্তকাল, কালের কোন শেষ নাই। এখন পনেরশত বছর পূর্তি হচ্ছে। তাইনা? হ্যা, পনেরশত বছর পূর্তি কীভাবে?
যে, পনেরশত বছর হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে নূরুত তাশরীফ মুবারক রেখেছেন পনেরশত বছর। বিভিন্ন ইতিহাস, বিভিন্ন ওয়াকেয়া, বিভিন্ন কিছু ঘটছে। তাইলে সেখা বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বেমে বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কখনো কখনো মাটির পাত্র বা মাটির পানির পাত্র মুবারক ব্যবহার করেছেন। অর্থাৎ মাটির পাত্রে খাদ্য খাওয়া ও পানীয় পান করা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত।
মাটির পাত্র ব্যবহার সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَت سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ رضي الله عنه أَنَّ أَبَا أُسَيْدٍ السَّاعِدِيَّ رضي الله عنه دَعَا النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي عُرْسِهِ، وَكَانَتِ امْرَأَتُهُ خَادِمَهُمْ يَوْمَئِذٍ، وَهِيَ الْعَرُوسُ، فَقَالَتْ أَوْ قَالَ أَتَدْرُونَ مَا أَنْقَعْتُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَ বাকি অংশ পড়ুন...
(১২ পর্ব)
হ্যাঁ, দ্বিতীয় যে বিষয়: যদি কেউ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ ঠিকমত পালন করে, মুহব্বতের সাথে যদি পালন করেন। হ্যা, খরচ করেন। সে যা, যা করতো غَسَلَ ثِيَابَهٗ، تَعَطَّرَ، تَـجَمَّلَ হ্যা, عَمِلَ وَلِيْمَةً তারপর কী ছিলো? اسْتَقَرَّا হ্যা,مَوْلِدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছানা-ছিফত। এই মাসজুড়ে আপনি এই কাজগুলা করেন। আপনার সময়টা এইভাবে ঠিক করেন। হ্যা, তাহলে কিন্তু আপনি পার পেয়ে যাবেন।
দ্বিতীয় বিষয় কী ছিলো? মাল-সম্পদ, আয়-রোজগার। সেতো আমরা বললাম, আমাদের কী করতে হবে? সুন্নতী সামগ্রী উনার ব্যবসা করতে হবে। এবং যখনই ব বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: জনৈক ওহাবী মালানার বক্তব্য হচ্ছে, দিবস পালন করা জায়িয নেই। এ বক্তব্য কতটুকু শরীয়তসম্মত?
জাওয়াব (১ম অংশ:
যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি দিবস পালন সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَذَكِّرْهُمْ بِأَيَّامِ اللهِ إِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ
অর্থ: (সম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার!) আপনি উম্মতদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিন বা দিবসসমূহ স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই উক্ত দিনসমূহ স্মরণ বা পালন করার মধ্যে ছবরকারী ও শোকরকারী সকল বান্দা-বান্দীদের জন্য নিদর্শনাবলী রয়েছে বাকি অংশ পড়ুন...
(১১ পর্ব)
তো, সেই ব্যবসা হচ্ছে ১২তম শান আমরা কিন্তু ১২টা বলে ফেলছি; ১১টা বলে ফেলছি। ১২তম শান সেটা কী? হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সুন্নতী সামগ্রীর ব্যবসা করা। তিনি আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র দিয়েছেন। আপনারা কী ব্যবসা করতে চান? হ্যা; সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ খরচ করা দু’টিই যে বুলন্দী শান মুবারক মামদূহ মুর্শিদ কিবলা তিনি বলছেন, এক হচ্ছে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার শান। এই ১১টা বিষয় গেলো। আর ১২তম বিষয় কী? হ্যা; বলেন দেখি, একটু উচ্চারণ করেন, শুনি। হ্যা; সুন্নত মুবারক প্রচার-প্রসার করা, ব্যবসা করা। হ বাকি অংশ পড়ুন...
ইসতিন্জা থেকে পবিত্রতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ:
ইমাম নববী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, উক্ত হাদীছ শরীফখানা :- لَايَسْتَتِرُ لَايَسْتَنْزِهُ ও لَايَسْتَبْرِئُ তিনটি মুবারক লফযে বা মুবারক শব্দে বর্ণিত হয়েছে। এরপর তিনি বলেন,
وهذه الثالثة في البخاري وغيره، وكلها صحيحة.
لَايَسْتَبْرِئُ
ইসতিবরা করতো না অর্থাৎ স্বাভাবিক ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) বের হওয়ার পর অবশিষ্ট ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) বের করার কেশেশ করতো না। এ তৃতীয় মুবারক শব্দটি পবিত্র বুখারী শরীফে ও অন্যান্য পবিত্র হাদীছ শরীফের কিতাবে বর্ণিত হয়েছে। আর প্রত্যেকটি বর্ণনাই ছহীহ্্। (আইনী ১ম খ- ৮৩ পৃষ্ঠা)
আরো বাকি অংশ পড়ুন...












