SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ক্বদর%' OR titleBn LIKE '%ক্বদর%' OR descriptionEn LIKE '%ক্বদর%' OR descriptionBn LIKE '%ক্বদর%' OR slug LIKE '%ক্বদর%' OR metaTag LIKE '%ক্বদর%' OR metaDescription LIKE '%ক্বদর%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ছাহবিাতু সাইয়্যদিলি আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যদিাতু নসিায়লি আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহবিায়ে নয়োমত, রহমাতুল্ললি আলামীন, আহলু বাইতি রসূলল্লিাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়মি মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মনিীন আলাইহন্নিাস সালাম, সাইয়্যদিাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তনিি বলনে, মহান আল্লাহ পাক তনিি সূরা বাক্বারা শরীফরে ৪৩, ৮৩, ১১০ নং আয়াত শরীফসহ পবত্রি কুরআন শরীফ-এর আরো কয়কে স্থানে ইরশাদ মুবারক করনে, তোমরা নামায কায়মে করো। নামায সম্মানতি শরীয়ত উনার অন্যতম এক ফরয আমল, যা মানুষকে ফাহশো, হারাম, নাজায়যি ও নাফরমানীমূ বাকি অংশ পড়ুন...
একবার পরীক্ষা করার জন্য তিনজন আলিম হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে নির্জনে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফের তাফসীর জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফের তাফসীর এমন সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করলেন যে, উক্ত তিনজন আলিম আশ্চর্য হয়ে গেলেন এবং শেষ পর্যন্ত উনার নিকট ক্ষমা চেয়ে মুরীদ হয়ে গেলেন। “তাওয়ারিখে আজিবার” ৩৮ পৃষ্ঠায় একথা উল্লেখ আছে।
“সাওয়ানেহ আহমদী, সীরাতে সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ ১ম খন্ড, “তাওয়ারীখে আযীবা” কিতাবের ৯-১০ পৃষ্ঠায় বর্ণিত আছে, “পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসের ২১ রাত্রিতে সাইয়্যিদুল আবেদীন, হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
وَإِنَّ عَلَيْكَ لَعْنَتِي إِلٰى يَوْمِ الدِّينِ
হে ইবলিস! তোর জন্য অনন্তকালের জন্য লা’নত। নাউযুবিল্লাহ! বিষয়টা কি হলো, আক্বীদা ক্রটি থাকার কারণে তার সব বরবাদ হলো এই ইবলিসের। তাহলে একটা মানুষের যদি আক্বীদা অশুদ্ধ থাকে সে কোথায় যাবে? জাহান্নামে যাবে। আর আক্বীদা যদি শুদ্ধ থাকে আমলে ক্রটি থাকেও একসময় সে শাস্তি ভোগ করলেও সে নাজাত লাভ করবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এরও হাজার মেছাল। আমরা একটা মেছাল দিয়ে থাকি তা হলো, বনী ইসরাইলের একটা লোক হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যামানায়। সে দু’শত বছর হায়াত পেয়েছিল ক বাকি অংশ পড়ুন...
‘তাফসীরে ইবনে আবী হাতিম’ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
يَـقُوْلُ لَا تَسُمُّوْهُ اِذَا دَعَوْتُـمُوْهُ يَا مُحَمَّدُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَا تَـقُوْلُوْا يَا اِبْنَ عَبْدِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلكِنْ شَرَّفُـوْهُ فَـقُوْلُوْا يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا نَبِىَّ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করবে তখন উনার সম্মানিত নাম মুবারক ধরে এভাবে ইয়া মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলে সম্বোধন করবে না। এমনকি এ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা নাস শরীফ
পবিত্র আয়াত শরীফ ৬
بِسْمِ اللهِ الرَّحْـمٰـنِ الرَّحِيْمِ
قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ۙ مَلِكِ النَّاسِ ۙ اِلٰهِ النَّاسِ ۙ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ لا الْـخَنَّاسِ ۙ الَّذِىْ يُوَسْوِسُ فِىْ صُدُوْرِ النَّاسِ ۙ مِنَ الـجِنَّةِ وَالنَّاسِ ۟
ছহীহ তরজমা : আপনি বলুন, আমি মানুষের রব বা প্রতিপালক উনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। যিনি মানুষের মালিক বা অধিপতি। যিনি মানুষের ইলাহ বা মা’বূদ। খন্নাস বা শয়তানের ওয়াসওয়াসার বুরায়ী বা অনিষ্টতা থেকে। যে মানুষের ছুদূর বা অন্তরে ওয়াসওয়াসা দেয়। জিন ও ইনসান থেকে।
পবিত্র সূরা ক্বদর শরীফ
পবিত্র আয়াত শরীফ ৫
بِسْمِ اللهِ الرَّحْـمٰـنِ الرَّ বাকি অংশ পড়ুন...
সবচেয়ে বড় নাফরমান সর্বোচ্চ জান্নাতী
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছেন-
اِنَّ رَجُلًا عَصَى اللهَ مِائَتَـىْ سَنَةٍ يَّتَمَرَّدُ وَيَجْتَرِئُ عَلَيْهِ فِيْهَا كُلَّهَا فَلَمَّا مَاتَ اَخَذَ بَنُوْ اِسْرَائِيْلَ بِرِجْلِهٖ وَاَلْقَوْهُ عَلـٰى مَزْبَلَةٍ فَاَوْحَى اللهُ اِلـٰى حَضْرَتْ مُوْسٰى عَلَيْهِ الصَّلـٰوةُ وَالسَّلَامُ اَنْ غَسَّلَهٗ وَكَفَّنَهٗ وَصَلّٰى عَلَيْهِ فِـىْ جَمْعِ بَنِـىْ اِسْرَائِيْلَ فَفَعَلَ مَا اَمَرَهُ اللهُ تَعَالـٰى بِهٖ فَتَعَجَّبَ بَنُوْ اِسْرَائِيْلَ مِنْ ذٰلِكَ فَاَخْبَرُوْهُ اَنَّهٗ لَـمْ يَكُنْ فِـىْ بَنِـىْ اِسْرَائِيْلَ اَعْتٰى مِنْهُ وَلَا اَكْثَرَ مَعَاصِىْ مِنْهُ فَقَالَ قَدْ عَلِمْتُ وَلٰكِنَّ اللهَ اَمَرَنِـىْ بِذٰلِكَ فَقَالُو বাকি অংশ পড়ুন...
আরো বলা হচ্ছে,
عَنْ حَضْرَتْ اِمَامِ الاوّل عَلَيْهِ السَّلَامُ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ্রنَحْنُ أَهْلُ بَيْتِ شَجَرَةِ النُّبُوَّةِ وَمَعْدِنُ الرِّسَالَةِ،
ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, আমরা হচ্ছি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভূক্ত। নুবুওওয়াতের বৃক্ষ, রিসালতের মূল খনি,
لَيْسَ أَحَدٌ مِنَ الْخَلَائِقِ يَفْضُلُ أَهْلَ بَيْتِي غَيْرِيগ্ধ
সৃষ্টির কোন সৃষ্টি, সৃষ্টি হয়নি যারা হযর বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
দিনের শুরুটা হয় সূর্যের আলো দ্বারা। রাতের শুরুটা হয় চাঁদ উঠার দ্বারা। চাঁদ ও সূর্য উভয়ের অবস্থানই আসমানে। আসমান থেকেই বৃষ্টি হয়। কি পার্থিব জীবনে কী মানবীয় জীবনে, আসমানের গুরুত্ব অত্যাধিক। আসমান ছাড়া জীবন অকল্পনী বাকি অংশ পড়ুন...
وَآيَةً مِّنْكَ
এবং আপনার তরফ থেকে একটা বিশেষ নিদর্শন মুবারক হিসাবে এটা সাব্যস্ত হবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَارْزُقْنَا
আপনি আমাদেরকে রিযিক দান করেন
وَأَنْتَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ
আপনি উত্তম রিযিক দাতা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
তাহলে দেখা যাচ্ছে, যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেই দিয়েছেন,
وَمَا مِنْ دَآبَّةٍ فِي الأَرْضِ إِلاَّ عَلَى اللهِ رِزْقُهَا
যমীনে যত প্রাণী আছে সকলের রিযিকের জিম্মাদার যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই। তারপরও ব বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ঈদুল আদ্বহা উনার রাত্রি জাগ্রত থেকে ইবাদত-বন্দেগী, তাসবীহ-তাহলীল, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, দরুদ শরীফ, মীলাদ শরীফ পাঠ ও দোয়া করতে হবে। কেননা সম্মানিত হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে- “নিশ্চয়ই পাঁচ রাত্রিতে দোয়া নিশ্চিতভাবে কবুল হয়। ( বাকি অংশ পড়ুন...












