ছিফতের দিক দিয়ে তালাক দুই প্রকার:
১. সুন্নী তালাক। ২. বিদয়ী তালাক।
আবার সুন্নী তালাক দুই প্রকার: (ক) احسن (আহসান তালাক) (খ) حسن (হাসান তালাক)
(ক) আহসান তালাক : এমন তালাককে বলা হয়, যে নিজের স্ত্রীকে এমন তহুরে এক রাজঈ তালাক দিবে, যে তহূরে তার সাথে অতী করেনি। তারপর তাকে এই অবস্থার উপরই ছেড়ে দিবে এবং তার ইদ্দত শেষ হবে তথা তিন স্বাভাবিক মাজুরতা শেষ হয়ে যাবে। আর হামেলা হলে সন্তান জন্মগ্রহন করবে। ইদ্দত অতিবাহিত হলে সে আপনা আপনিই বায়িন হয়ে যাবে।
(খ) হাসান তালাক : স্ত্রীকে এমন তহূরে তালাক দিবে যে তহূরে তার সাথে অতী করেনি। প্রথম তহূরে তাকে এক তালাক দিব বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল :
আহলিয়াকে তালাক দেয়ার পরে পুনরায় ফিরিয়ে আনার জন্য যে হিলা পদ্ধতির অবলম্বন করা হয়, তা ইসলামী শরীয়তসম্মত কিনা? দয়া করে দলীল-আদিল্লাহ্সহ জানিয়ে বাধিত করবেন।
জাওয়াব :
তালাক সাধারণতঃ দুই প্রকার (১) ছরীহ ও (২) কিনায়া। প্রত্যেক প্রকার তালাক আবার দুই ভাগে বিভক্ত। (১) রিজয়ী ও (২) বাইন।
রিজয়ী তালাক হলো- “কোন স্বামী যদি আহলিয়াকে রিজয়ী তালাক দেয় অতঃপর যদি ফিরিয়ে নিতে চায়, তাহলে বিনা বিবাহে গ্রহণ করতে পারবে। যদি আহলিয়ার ইদ্দত শেষ না হয়ে থাকে। তা এক তালাকে রিজয়ী হোক বা দুই তালাকে রিজয়ী হোক।”
উল্লেখ্য, তালাকে রিজয়ী দুই তালাক পর্যন্তই হয়। বাকি অংশ পড়ুন...












