SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%কাফিরদের%' OR titleBn LIKE '%কাফিরদের%' OR descriptionEn LIKE '%কাফিরদের%' OR descriptionBn LIKE '%কাফিরদের%' OR slug LIKE '%কাফিরদের%' OR metaTag LIKE '%কাফিরদের%' OR metaDescription LIKE '%কাফিরদের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
অমুসলিমদেরকে ভাই বলা নিষেধ এ ব্যাপারে ফতওয়া:
যেমন-এ প্রসঙ্গে, ফতওয়ায় নূরি আলাদ্দারবী লিল উছাইম কিতাবের ৪র্থ খন্ড, ২য় পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
فَلَا يَحِلُّ لِلْمُسْلِمِ أَن يَّصِفَ الْكَافِرَ أَيًّا كَانَ نَوْعُ كُفْرِهِ سَوَاءً كَانَ نَصْرَانِيًّا أَمِ يَّهُوْدِياً أَمْ مَجُوْسِيًّا أَمْ مُلْحِدًا دَهْرِيًّا لَا يَجُوْزُ لَهُ أَن يَّصِفَهُ بِالْأَخِ أَبَداً فَاحْذُرْ يَا أَخِيْ مِثْلُ هَذَا التَّعْبِيْرُ
সুতরাং কোন মুসলমানদের জন্য কাফেরদের গুণাবলী বর্ণনা করা বৈধ নয়, চাই সে নাছারা হোক অথবা ইহুদী হোক অথবা কোন হিন্দু হোক অথবা কট্টর নাস্তিক হোক তাকে কখনো “ভাই”বলে সম্বোধন করা জায়িয নেই।
আর তারা মুসলমানদের ভা বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, হামদ শরীফ, না’ত শরীফ ও ক্বাছীদা শরীফ পাঠ করা, শোনা ও লেখা প্রত্যেকটিই সুন্নত মুবারক এবং অশেষ ফযীলত মুবারক হাছিলের কারণ। সুবহানাল্লাহ! কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি ঈমানদার, নেককার ও আল্লাহওয়ালা কবি ও উনাদের কবিতার ছানা-ছিফত বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত জিহাদের ময়দান থেকে কাফির মুশরিকদের পলায়ন ও মুসলমানদের বিজয়:
عَن حَضْرَتْ الْبَرَاءِ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ فَلمَّا لَقِينَاهُمْ هَرَبُوا حتَّى رَأيْتُ النِّسَاءَ يَشْتَدِدْنَ في الْجَبَلِ، رَفَعْنَ عَنْ سُوقِهِنَّ، قد بَدَتْ خلاخِلُهُنَّ،
অর্থ: “হযরত বারা’ ইবনে আযীব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কাফির মুশরিকদের সাথে আমাদের মোকাবেলা হলে তাদের মধ্যে পলায়নের হিড়িক পরে যায়, এমনকি আমি নারীদের দেখি যে, তারা পায়ের গোছা হতে কাপড় উঠিয়ে নিয়ে দ্রুত বেগে পালিয়ে যাচ্ছে। তাদের পায়ের অলংকার দেখা যাচ্ছিলো।” (মানারুল কারী শরহে মুখতাছারে ছহীহ বুখাà বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে, উনার সম্মানিতা আওয়াজে মুত্বহহারাত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং উনার সম্মানিত আওলাদ হযরত আবনা আলাইহিমুস সালাম ও হযরত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সুমহান শান বা মর্যাদার খিলাফ আচরণ যারা প্রকাশ করবে, উনাদের সম্পর্কে কটুক্তি করবে, সমালোচনা করবে, ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করবে, অবমাননাকর বা অসম্মানসূঠবাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْكَافِرِينَ أَوْلِيَاءَ مِن دُونِ الْمُؤْمِنِينَ ۚ أَتُرِيدُونَ أَن تَجْعَلُوا لِلَّهِ عَلَيْكُمْ سُلْطَانًا مُّبِينًا ﴿١٤٤﴾
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা মু’মিন ব্যতীত কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। (কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে) তোমরা কি চাও, তোমাদের বিরুদ্ধে মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য স্পষ্ট প্রমাণ পেশ করতে? (পবিত্র সূরা নিসা: আয়াত শরীফ ১৪৪)
বাকি অংশ পড়ুন...
অপর বর্ণনায় রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللهِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ أَرْسَلَنِىْ اَهْلِىْ اِلٰى اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اَلسَّادِسَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ (حَضْرَتْ اُمِّ سَلَمَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ) بِقَدَحٍ مِنْ مَّاءٍ وَكَانَ إِذَا أَصَابَ الْإِنْسَانَ عَيْنٌ أَوْ شَيْءٌ بَعَثَ إِلَيْهَا مِخْضَبَه فَاَخْرَجَتْ مِنْ شَعْرِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَتْ تُمْسِكُه فِىْ جُلْجُلٍ مِنْ فِضَّةٍ فَخَضْخَضَتْهُ لَه فَشَرِبَ مِنْهُ قَالَ فَاطَّلَعْتُ فِى الْجُلْجُلِ فَرَأَيْتُ شَعَرَاتٍ حَمْرَاءَ
অর্থ: “হযরত উসমান ইবনে আবদুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে আমার পরিবারের লোকেরা এক পেয়ালা পঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ উনার ০৯ থেকে ২৭ পর্যন্ত আয়াত শরীফ উনাদের সংক্ষিপ্ত তাফসীর:
হযরত বাগবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেছেন, হযরত মুহম্মদ ইবনে ইসহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, আমাকে পরিখা যুদ্ধের ঘটনা বর্ণনা করেছেন, হযরত ওরওয়া ইবনে যুবায়ের রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। উনার থেকে ইয়াযিদ ইবনে রূমান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। এরকম আরো বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে কা’ব ইবনে মালেক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, জুহুরী এবং আছেম ইবনে আমর ইবনে কাতাদা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, অধিকন্তু আবদুল্লাহ ইবনে আবী বকর ইবনে মুহম্মদ ইবনে আমর ইবনে বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا بِطَانَةً مِّن دُونِكُمْ لَا يَأْلُونَكُمْ خَبَالًلا. وَدُّوا مَا عَنِتُّمْ .قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ .وَمَا تُخْفِي صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ .قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الْآيَاتِ إِن كُنتُمْ تَعْقِلُونَ
অর্থ: হে মু’মিনগণ! তোমরা ঈমানদার ব্যতীত (অন্য ধর্মাবলম্বী) অর্থাৎ কাফিরদেরকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে না। (কেননা) এই কাফির-মুশরিকরা তোমাদের অনিষ্ট করতে (মোটেও) ত্রুটি করে না। তারা (মনে-প্রাণে) এটাই কামনা করে যে, তোমরা (পার্থিব ও ধর্মীয় ব্যাপারে) বিপন্ন হও। (তোমাদের প্রতি শত্রুতায় তাদের à বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বাই’আতে রিদ্বওয়ান:
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا يَدْخُلُ النَّارَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ مِنْ أَصْحَابِ الشَّجَرَةِ أَحَدٌ الَّذِينَ بَايَعُوا تَحْتَهَا.
অর্থ: ইনশাআল্লাহ! পবিত্র গাছের নিচে বাইয়াত গ্রহণকারী হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্য থেকে কেউই জাহান্নামে প্রবেশ করবেন না। অর্থাৎ উনারা জান্নাতী। সুবহানাল্লাহ!”
অর্থাৎ, এখানে أَصْحَاب الشَّجَرَةِ (গাছের অধিবাসীগণ) বলতে সেই সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদà বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একবার একটা মৃত কানকাট বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, একবার এক ব্যক্তি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে অবস্থান করে দই খাচ্ছিল। দই খেয়ে সে সমালোচনা করে বলেছিলো, মদীনা শরীফ উনার ‘দই টক’। নাউযুবিল্লাহ! সেই রাত্রিতে উক্ত ব্যক্তি স্বপ্নে দেখলো, স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করছেন, “হে ব্যক্তি, তুমি আমার পবিত্র মদীনা শরীফ উনার দইকে টক বলার ধৃষ্টতা দেখালে। তুমি এখনই আমার পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে বের হয়ে যাও।”
অর্থাৎ পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে প্রস্তুতকৃত দই পবিত্র মদীনা শরীফ উনার প্রতিনিধিত্ব করে, যে à বাকি অংশ পড়ুন...












