SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ওলীআল্লাহ%' OR titleBn LIKE '%ওলীআল্লাহ%' OR descriptionEn LIKE '%ওলীআল্লাহ%' OR descriptionBn LIKE '%ওলীআল্লাহ%' OR slug LIKE '%ওলীআল্লাহ%' OR metaTag LIKE '%ওলীআল্লাহ%' OR metaDescription LIKE '%ওলীআল্লাহ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘পূজা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো কাফির-মুশরিকদের অনুষ্ঠান। যা পালন করলে, খুশি প্রকাশ করলে ও সমর্থন করলে কুফরী শিরকী হয়ে থাকে। আর শিরক সম্পর্ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “পবিত্র মসজিদে দুনিয়াবী কথা বললে চল্লিশ বছরের ইবাদত তথা নেকী নষ্ট হয়ে যায়।” “পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক ও পবিত্র বিছালী শান মুবারক উনাদের মাধ্যমে বাকি অংশ পড়ুন...
৩৬। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা কোন বিষয়ে তলব করলে তৎক্ষনাৎ উনার ডাকে সাড়া দিবে।
কেউ কেউ বলেন যে, আলোচ্য হাদীছ শরীফের হুকুম আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য খাছ। অর্থাৎ তিনি কোন বিষয়ে আহবান করলে নামায ভঙ্গ করে উনার ডাকে সাড়া দেয়া ফরজে আইন।
তবে বিশুদ্ধ মতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ডাকে সাড়া দেয়া তো অবশ্যই ফরজ; সাথে সাথে উনার নায়েব, হক্কানী-রব্বানী আলিম তথা হক্কানী শায়েখ উনাদের ডাকেও সাড়া দেয়া আবশ্ বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
ইতিহাস বিখ্যাত মুসলিম সিপাহসালার সুলতান মাহমুদ গজনভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তৎকালীন বিখ্যাত বুজুর্গ এবং ওলীআল্লাহ হযরত আবুল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একজন মুরীদ ছিলেন। হযরত আবুল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি উনি এমনই একজন ওলীআল্লাহ ছিলেন যে, উনার বিলাদত শরীফের ৫০ বছর পূর্বে হযরত বাইজিদ বোস্তামি রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একটি গ্রামের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বলেছিলেন, এই গ্রামে এক মহান বুজুর্গ ওলীআল্লাহ তিনি তাশরীফ নিবেন।
সেই মহান বুজুর্গ হযরত আবুল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবারে ঘন ঘন ছোহবতে যেতেন বাকি অংশ পড়ুন...
৩৫। কাছরাতুস্ সুওয়াল বা অধিক জানতে চাওয়া কিংবা অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকবে।
রঈসুল মুফাসসিরীন, হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আরো বলেন, “হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কেবল সেই সব সুওয়াল করতেন যা ছিলো উনাদের জন্য উপকারী।” অর্থাৎ একান্ত জরুরী এবং যা উপকারী সে সকল জরুরী মাসয়ালা-মাসায়েল জিজ্ঞাসা করা উচিত। তার দ্বারা যেমন নিজে উপকৃত হবে তদ্রুপ অন্যান্যরাও ফায়দা হাছিল করবে। আর এটা নিন্দনীয় নয় বরং প্রশংসনীয়।
কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ Ø বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইলম অর্জন করা ফরয। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক আমাদের ইলম বৃদ্ধি করে দিন।” আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক à বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
فَأَعْرِضْ عَن مَّنْ تَوَلّٰى عَنْ ذِكْرِنَا وَلَمْ يُرِدْ إِلَّا الْحَيَاةَ الدُّنْيَا
অর্থ : আপনি উম্মতদের বলে দিন, তারা যেন ঐ সমস্ত ব্যক্তিদের ছোহবত থেকে বিরত থাকে, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির থেকে বিমুখ হয় বা ফিরে যায় এবং পার্থিব জীবন ব্যতীত কিছুই চায় না। (পবিত্র সূরা নজম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৯)
অর্থাৎ যারা যিকির থেকে বিমুখ, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের সাথে সম্পর্ক রাখতে নিষেধ করেছেন। কেননা, তাদের কাছে রহমত উনার পরিবর্তে জহমত থাকে। যার ফলে তাদের সাথে চলা-ফেরা, উঠা-বসা করার দ্বারা সেই জহমত লাভ হয়ে থাকে। এ বাকি অংশ পড়ুন...
৩৩। নিজ শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার নিকট কখনো কারামত দেখতে চাইবে না। কারণ কোন মু’মিন কোন নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিকট মু’জিযা শরীফ দেখতে চাননি। (মাকতুবাতে ইমামে রব্বানী ২/৩০৬)
সাইয়্যিদুত তায়িফা, সুলতানুল মাশায়িখ, হযরত জুনাইদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার খাছ ফায়েজ-তাওয়াজ্জুহ পতিত হলো, হযরত আবূ বকর শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার উপর। অন্তরের যবনিকাগুলো অপসারিত হলো। উনার অন্তর চক্ষু খুলে গেলো। তিনি সাইয়্যিদুত তায়িফা, হযরত জুনাইদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করেন। (তাযকিরাতুল আউলিয়া)
সুতরাং ক বাকি অংশ পড়ুন...
৩৩। নিজ শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার নিকট কখনো কারামত দেখতে চাইবে না। কারণ কোন মু’মিন কোন নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিকট মু’জিযা শরীফ দেখতে চাননি। (মাকতুবাতে ইমামে রব্বানী ২/৩০৬)
যারা হাকীকী মুরীদ তারা কখনো স্বীয় মুর্শিদ কিবলা উনার নিকট কারামত দেখতে চায় না। আর শায়েখ উনার পক্ষ থেকে কারামত মুবারক প্রকাশিত হওয়ার প্রয়োজনও অনুভব করে না। কারণ তাদের উদ্দেশ্য কারামত বা অলৌকিক ঘটনা নয় বরং তাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার সম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহঠবাকি অংশ পড়ুন...












