SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইফতার%' OR titleBn LIKE '%ইফতার%' OR descriptionEn LIKE '%ইফতার%' OR descriptionBn LIKE '%ইফতার%' OR slug LIKE '%ইফতার%' OR metaTag LIKE '%ইফতার%' OR metaDescription LIKE '%ইফতার%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মূল নাম মুবারক হচ্ছেন হযরত উছমান আলাইহিস সালাম। উপনাম মুবারক আবূ আ বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছহিবায়ে নিয়ামত, রহমতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ উনার প্রথম দশদিনের প্রতিদিনের রোযার এক বছর রোযার সমপরিমাণ ফযীলত বা ছওয়াব রয়েছে। সুবহানাল্লাহ! এত ফযীলত, মর্যা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাকাশবিজ্ঞানের বিকাশের জন্য চালিকাশক্তিরূপে যা সবচেয়ে বেশী প্রভাবিত করেছে তা হচ্ছে মুসলমানদের ইবাদতসমূহ। আর এই ইবাদত চন্দ্র মাস ও দিনের সময়ের সাথে সম্পর্কিত। তাই সময়সমূহের শর্তগুলো পূরনে গাণিতিক জ্যামিতিক জ্যোর্তিবিজ্ঞানের প্রয়োজন হতো, নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে তা হচ্ছে গোলকীয় তলের জ্যামিতি।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময়কাল থেকেই তিনি ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নতুন চাঁদ দেখে মাস গণনা করতেন। আর নামাযের ওয়াক্ত নির্ধারণ করতে সূর্যের অবস্থান প বাকি অংশ পড়ুন...
এক মাস রোযা রাখার ফলে শরীর একটি নির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে যায়। কিন্তু ঈদের দিন হঠাৎ করে অনেক ভারী ও মিষ্টি খাবার খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ঈদের দিন খাবারের আনন্দ উপভোগ করা সম্ভব, তবে সেটি হতে হবে সচেতনভাবে। জেনে নিন কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন-
১. খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা:
ঈদের দিন বিভিন্ন ধরনের খাবার সামনে থাকলে অনেক সময় একসঙ্গে বেশি খেয়ে ফেলার প্রবণতা থাকে। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই অল্প করে খাবার খাওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
ইফতার করার পর শরীর চাঙা হবার কথা। কিন্তু দেখা যায় ইফতারের পর শরীর ছেড়ে দেয়। অর্থাৎ আরো বেশি ক্লান্ত লাগে। কিন্তু কেন এমন হয়?
খাওয়ার পর সেই খাবারকে বিভক্ত করে লিভারের কাছে পৌঁছে দিতে অন্ত্রের অনেক বেশি রক্তের প্রয়োজন হয়, যে কারণে রক্তের ওপর বেশি চাপ পরে। ফলে তখন রক্তচাপ কমে গিয়ে শরীর ক্লান্ত বোধ করে এবং ঘুম পায়।
অনেক সময় টানা না খেয়ে থাকলে এমনিতেই বডি গ্লুকোজ রিজার্ভ ও সঞ্চিত শক্তি ভান্ডার ফুরিয়ে আসে। তাই শেষ বেলায় বডি শুধু বিএমআর মেইন্টেইন করার এনার্জি রাখে। ঠিক তখন আমরা যখন ইফতার করি তখন আমরা শক্তি উৎপাদনের জন্য বেশি করে প্র বাকি অংশ পড়ুন...
জার্মানিতে পবিত্র মাহে রমাদ্বানের আমেজ আমাদের পরিচিত ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর চেয়ে ভিন্ন। জার্মান মুসলমানদের বেশিরভাগ তুর্কি কিংবা তুরস্কের বংশোদ্ভূত। বাকিদের অধিকাংশই আরব বিশ্ব অথবা আফ্রিকার দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসী। তাই এখানে রোযা পালনে থাকে বৈচিত্রের ছোঁয়া।
ইউরোপের অন্যান্য দেশের মুসলমানদের মতোই জাকজমক হয়ে থাকে জার্মান মুসলমানদের ইফতার। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে স্থানীয় মসজিদ অথবা মুসলিম কমিউনিটি হলগুলো হয়ে ওঠে জার্মানিতে বসবাসরত মুসলমানদের মিলন মেলা। এখানে খুবই কম মসজিদের সংখ্যা। সেই সাথে বিধর্মীদের রাষ্ট্রী বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার সঙ্গে পবিত্র যাকাত উনার এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কেননা রোযা হচ্ছে দেহের জন্য পবিত্র যাকাতস্বরূপ। সম্পদের যেরূপ পবিত্র যাকাতের হুকুম রয়েছে, তদ্রƒপ শরীরের পবিত্র যাকাত হিসেবে রোযাকে গণ্ বাকি অংশ পড়ুন...
অসুস্থতার কারণে রোযা না রাখার হুকুম:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ أَفْطَرَ يَوْمًا مِّنْ رَّمَضَانَ مِنْ غَيْرِ رُخْصَةٍ وَلَا مَرَضٍ لَـمْ يَقْضِ عَنْهُ صَوْمَ الدَّهْرِ كُلَّهٗ وَاِنْ صَامَهٗ.
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি ওজর অথবা রোগ ব্যতীত রমাদ্বান শরীফ মাসের একটি রোযা ভঙ্গ করবে, সে যদি তার পরিবর্তে সারা বছরও রোযা রাখ বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
আলজেরিয়া:
আলজেরিয়ান মুসলিমরা পিজ্জা ‘সোয়ারবা’, সবজি রোল, আলু, সবজি দিয়ে তৈরি দোলমা ইত্যাদি দিয়ে ইফতার শুরু করেন।
মাগরিবের নামাযের পর তারা ‘সিগার’ নামক এক ধরনের পানীয় পান করেন, যা বাদাম দিয়ে তৈরি। এছাড়া, তাদের ইফতারের তালিকায় বিভিন্ন স্যুপও থাকে।
সৌদি আরব:
আরব নিউজের এক প্রতিবেদন বলছে, সৌদিরা ইফতারের শুরুতে ‘গাহওয়া’ ন বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
পাকিস্তান:
পাকিস্তানে ইফতার আয়োজনে পানি এবং খেজুর তো থাকেই তবে সেখানে প্রাধান্য পেতে দেখা যায় গোশত ও রুটির মতো সেখানকার ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো।
নানা ধরনের কাবাব, তান্দুরি, কাটলেট, টিক্কার উপস্থিতি প্রায় প্রতিদিনের ইফতারেই রেখে থাকেন বড় অংশের পাকিস্তানি।
এসব ভারী খাবারের পাশাপাশি ইফতারের সময় বিভিন্ন ভাজাপোড়া খাবার বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
পাকিস্তান:
পাকিস্তানে ইফতার আয়োজনে পানি এবং খেজুর তো থাকেই তবে সেখানে প্রাধান্য পেতে দেখা যায় গোশত ও রুটির মতো সেখানকার ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো।
নানা ধরনের কাবাব, তান্দুরি, কাটলেট, টিক্কার উপস্থিতি প্রায় প্রতিদিনের ইফতারেই রেখে থাকেন বড় অংশের পাকিস্তানি।
এসব ভারী খাবারের পাশাপাশি ইফতারের সময় বিভিন্ন ভাজাপোড়া খাবার বাকি অংশ পড়ুন...












