SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইক্বামাতের%' OR titleBn LIKE '%ইক্বামাতের%' OR descriptionEn LIKE '%ইক্বামাতের%' OR descriptionBn LIKE '%ইক্বামাতের%' OR slug LIKE '%ইক্বামাতের%' OR metaTag LIKE '%ইক্বামাতের%' OR metaDescription LIKE '%ইক্বামাতের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
مَنْ سَمِعَ اِسْمِىْ فِى الْاٰذَانِ وَوَضَعَ اِبْهَامَيْهِ عَلٰى عَيْنَيْهِ فَاَنَا طَالِبُهٗ فِىْ صُفُوْفِ الْقِيَامَةِ وَقَائِدُهٗ اِلَى الْجَنَّةِ.
অর্থ: “যে ব্যক্তি পবিত্র আযান উনার মধ্যে আমার মহাসম্মানিত নাম মুবারক শুনে বুদ্ধাঙ্গুলীদ্বয় চোখের উপর বুলাবে (রাখবে) আমি তাকে ক্বিয়ামতের দিন কাতারের মধ্যে তালাশ করব। (কাতার থেকে বের করে) টেনে সম্মানিত জান্নাতে নিয়ে যাব অর্থাৎ সম্মানিত জান্নাতে প্রবেশ করাব। ”
উল্লেখিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ খানাকে অনেকেই জঈফ, এমনকি মওজু হিসাবেও উল্লেখ করেছে। বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আযানের মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নাম মুবারক শুনে চোখে বুছা দেয়া সুন্নতে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অন্তর্ভুক্ত।
এ প্রসঙ্গে কিতাবে বর্ণিত আছে- “একদিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র জুমু‘আর নামাযের পূর্বে সম্মানিত মসজিদ মুবারকে বসা অবস্থায় ছিলেন, এমতাবস্থায় সাইয়্যিদুনা হযরত বিলাল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি যখন পবিত্র আযান দিতে লাগলেন। যখন আযানে
اَشْهَدُ اَنَّ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রসঙ্গক্রমে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, চোখে বুছা দেয়ার ফযীলত মুবারক সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত আছে, “নিশ্চয়ই (বনী ইসরাঈলের) এক ব্যক্তি (যে দুই শত বছর হায়াত পেয়েছিলো এবং) দুই শত বছর মহান আল্লাহ পাক উনার নাফরমানী করেছিলো। সে তার সম্পূর্ণ হায়াতে মহান আল্লাহ পাক উনার চরম অবাধ্য ও নাফরমানীতে মশগুল ছিলো, বেপরওয়া ছিলো। (যার কারণে কেউ তাকে পছন্দ করতো না এবং সকলে চরম ঘৃণা করতো।) ফলে সে যখন ইন্তেকাল করল, তখন বনী ইসরাঈলরা তার পায়ে ধরে তাকে টেনে হেঁচড়ে আবর্জনাপূর্ণ স্থানে, গোবরের স্তূপে নিক্ষেপ করল। তারপর যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তি বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
مَنْ سَمِعَ اِسْمِىْ فِى الْاٰذَانِ وَوَضَعَ اِبْهَامَيْهِ عَلٰى عَيْنَيْهِ فَاَنَا طَالِبُهٗ فِىْ صُفُوْفِ الْقِيَامَةِ وَقَائِدُهٗ اِلَى الْجَنَّةِ.
অর্থ: “যে ব্যক্তি পবিত্র আযান উনার মধ্যে আমার মহাসম্মানিত নাম মুবারক শুনে বুদ্ধাঙ্গুলীদ্বয় চোখের উপর বুলাবে (রাখবে) আমি তাকে ক্বিয়ামতের দিন কাতারের মধ্যে তালাশ করব। (কাতার থেকে বের করে) টেনে সম্মানিত জান্নাতে নিয়ে যাব অর্থাৎ সম্মানিত জান্নাতে প্রবেশ করাব।”
উল্লেখিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ খানাকে অনেকেই জঈফ, এমনকি মওজু হিসাবেও উল্লেখ করেছে। ন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আযানের মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নাম মুবারক শুনে চোখে বুছা দেয়া সুন্নতে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অন্তর্ভুক্ত।
এ প্রসঙ্গে কিতাবে বর্ণিত আছে- “একদিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র জুমু‘আর নামাযের পূর্বে সম্মানিত মসজিদ মুবারকে বসা অবস্থায় ছিলেন, এমতাবস্থায় সাইয়্যিদুনা হযরত বিলাল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি যখন পবিত্র আযান দিতে লাগলেন। যখন আযানে
اَشْهَدُ اَنَّ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক মাত্র একবার বুছা দিলে, চোখে স্পর্শ মুবারক করলে অথবা উনার প্রতি একবার সম্মানিত ছলাত মুবারক পাঠ করলে যদি দুইশত বছরের সমস্ত গুনাহ্খতা মাফ করে দেয়া হয়, জাহান্নাম হারাম করে দিয়ে সম্মানিত জান্নাত মুবারক ওয়াজিব করে দেয়া হয়, ৭০ জন হুরের সাথে বিবাহ দেওয়া হয় এবং একজন চরম নাফরমান, চরম গুনাহগার ও পাপিষ্ঠ ব্যক্তির গোসল, কাফন ও দাফনের ব্যবস্থা করা এবং তার জানাযার নামায পড়ানোর জন্য জলীলুল ক্বদর নবী এবং রসূল হযরত কালীমু বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
مَنْ سَمِعَ اِسْمِىْ فِى الْاٰذَانِ وَوَضَعَ اِبْهَامَيْهِ عَلٰى عَيْنَيْهِ فَاَنَا طَالِبُهٗ فِىْ صُفُوْفِ الْقِيَامَةِ وَقَائِدُهٗ اِلَى الْجَنَّةِ.
অর্থ:- “যে ব্যক্তি পবিত্র আযান উনার মধ্যে আমার মহাসম্মানিত নাম মুবারক শুনে বুদ্ধাঙ্গুলীদ্বয় চোখের উপর বুলাবে (রাখবে) আমি তাকে ক্বিয়ামতের দিন কাতারের মধ্যে তালাশ করব। (কাতার থেকে বের করে) টেনে সম্মানিত জান্নাতে নিয়ে যাব অর্থাৎ সম্মানিত জান্নাতে প্রবেশ করাব। ”
উল্লেখিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ খানাকে অনেকেই জঈফ, এমনকি মওজু হিসাবেও উল্লেখ করেছে। বাকি অংশ পড়ুন...












