(৫) আল-বাদরু বা জোৎস্না বা পূর্ণ চাঁদ:
এই পর্যায়ে পৃথিবীর আকাশে থালার মত গোলাকার চাঁদ আবির্ভূত হয়।
{চিত্র: সূর্য ও পৃথিবী সাপেক্ষে বিভিন্ন দশায় চাঁদের অবস্থান।}
তবৎড় সড়ড়হ বা অমাবস্যার ১৩/১৪ দিন পর এবং আরবী হিলাল মাসের ১৫-১৭ তারিখে পৃথিবীর আকাশে জোৎস্না থাকে।
(৬) ক্ষয়িষ্ণু অর্ধাধিক চাঁদ:
এই পর্যায়ে পৃথিবীর আকাশে দৃশ্যমান গোলাকার পূর্ণ চাঁদ ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া শুরু করে। তবৎড় সড়ড়হ বা অমাবস্যার পর ১৬ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত এবং আরবী হিলাল মাসের ১৫ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত চাঁদ এই দশায় থাকে।
(৭) ক্ষয়িষ্ণু অর্ধ চাঁদ:
এই পর্যায়ে চাঁদ ক্ষয়প্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
আজ ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) পবিত্র ২৯ রমাদ্বান শরীফ দিবাগত সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের পর বাংলাদেশে পবিত্র শাওওয়াল মাসের চাঁদ তালাশ করতে হবে।
আজ দিবাগত সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল ইয়াওমুল জুমুয়াহ শরীফ ২০ আশির ১৩৯৩ শামসী (২০ মার্চ ২০২৬ খৃঃ) হবে পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসের ১ তারিখ অর্থাৎ পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিন।
আর আজ দিবাগত সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা না গেলে, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে আগামী ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) ২১ আশির ১৩৯৩ শামসী (২১ মার্চ ২০২৬ খৃঃ) হবে পবিত্র শাওওয়াল মাসের ১লা তারিখ।
উল্লেখ্য, ১৪৪৭ হি বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, চাঁদ দেখা নিয়ে সমস্ত মুসলিম-অমুসলিম দেশের শাসক শ্রেণীর ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকা জনগণের জন্য বিশেষ কর্তব্য। বিগত কয়েক যুগের তথ্য- বাকি অংশ পড়ুন...
ইমাম সাইয়্যিদি...
ইমাম সাইয়্যিদি ইয়া ছানীয়ে মুর্শিদ
শাহী খলীফা শাহযাদাজান
ইমাম আল মানছুর ছানী মুজাদ্দিদ
ওয়ারাউল ওয়ারা মহাশান
এযে নূর হাবীব ধরাতলে
তাশরীফ আখেরী নিদান কালে
আজি শোর উঠেছে বেদনা ভূলে
মুবারক হো নয়-ই রমাদ্বান
মারহাবা বলো মারহাবা বলো....
খুশির আমেজে সবে মেতেছে
মুসাফা মুয়ানাকায় জুটি বেধেছে
সেরা ঈদ মুবারক জোয়ার উঠেছে
আলোকিত ফের রসূলী খান্দান
সারা জাহানে শাহী সংবাদ
শিরোনাম শাহযাদা মুবারকবাদ
তিনি নূর মহাশয় আবাদুল আবাদ
সারা বিশ্ব তরে আরশী মেহমান
মারহাবা বলো মারহাবা বলো....
আরজি মাশুকে আলা পানে
চাই না কোনো কিছু বাকি অংশ পড়ুন...
রাজধানী ঢাকাকে বলা হয় ‘মসজিদের শহর’। নগরীর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য মসজিদ- যার প্রতিটি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বাংলার সংস্কৃতির একেকটি জীবন্ত দলীল। প্রাচীন কারুকার্যম-িত স্থাপত্যশৈলীর মসজিদের পাশাপাশি বর্তমানে আধুনিক ও নান্দনিক নকশায় নির্মিত মসজিদও শোভা পাচ্ছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। তেমনই এক আলো ঝলমলে মসজিদের নাম- ‘মসজিদ আল মুস্তফা’।
মসজিদটি রাজধানীর ১০০ ফিটে মাদানি এভিনিউয়ে ইউনাইটেড সিটিতে অবস্থিত। মসজিদ আল মুস্তফার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সামনের দিকে কালো রঙের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পবিত্র কা’বা শরীফের আকৃতি। দেও বাকি অংশ পড়ুন...
বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে আমরা দেখি চাঁদ পৃথিবীর চর্তুদিকে ঘুরে একই দশায় আসতে সময় নেয় ২৯.৫ দিন বা ২৯ দিন ১২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট ৩ সেকেন্ড।
দ্বিতীয়টি হচ্ছে, চাঁদ তার মঞ্জিলগুলো অতিক্রম করে শুষ্ক বক্র পুরাতন খেজুর শাখার ন্যায় কক্ষপথে পৃথিবীর চারদিকে পরিভ্রমণ করে। বুঝার সুবিধার জন্য আমরা এখানে তুলনামূলক চিত্র পেশ করলাম।
পৃথিবীর কক্ষপথের বিবেচনায় বিশ্লেষণ করলে আমরা চাঁদের যে সঞ্চারপথ পাই তা সর্পিল আকারের শুষ্ক বক্র পুরাতন খেজুর শাখার ন্যায় নয় কি!
{চিত্র: চাঁদের কক্ষপথের গঠন বক্র পুরাতন খেজুর শাখার ন্যায়।}
চাঁদের বিভিন্ন পর্যায় বা বাকি অংশ পড়ুন...
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা বাজারে দাঁড়িয়ে আছে নীরব ইতিহাস রূপসা জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ। এর প্রকৃত নাম ‘মসজিদে নূর’। নামের অর্থই আলো আর সেই আলোয় যেন দুই শতাব্দী ধরে আলোকিত করে রেখেছে পুরো জনপদকে।
১২৮৪ বঙ্গাব্দে বৃহত্তর মেঘনাপাড়ের প্রভাবশীল জমিদার মোহাম্মদ গাজী চৌধুরী নির্মাণ করেন এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। তৎকালীন ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে গড়ে ওঠা স্থাপনাটি শুধু একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান নয় বরং ইসলামি স্থাপত্যকলার অনন্য নিদর্শন। মসজিদের প্রবেশপথের পাশে শ্বেতপাথরে ফার্সি ভাষায় খোদাই করা আছে নির্মাণকাল ও নির্মাতার নাম যেন ইতি বাকি অংশ পড়ুন...
ওই দেখো চাঁদ সিতারা
দিচ্ছে ঈদের ইশারা
খলীফাজীর তাশরীফে এই
তাকবীরী নারা....
খুব ছুরত চেহারা
প্রাণেরই পেয়ারা
শাহযাদা হামারা
সেরা! সেরা!
সু-স্বাগতম সু-স্বাগতম
হুব ইবনে হুব
ঈদ খুশিতে আমরা সবাই
ইশকে দিবো ডুব
দুনিয়াতে আজ এসেছেন মহানূর
শাহী রোবে কালো আধার হলো দূর
খেতাবে শেরে খোদা বীর বাহাদূর
শায়েখী সাহেবযাদা মেরে হুযূর
সাইয়্যিদী পাক সাহারা
মিষ্টি হাসি মনকাড়া
খলীফাজীর তাশরীফে এই
তাকবীরী নারা....
আল-মাদানী আল-আরাবী তাজেদার
একটু দিদার পেতে আশিক বেক্বারার
দস্তে শোভা পায় সারাদিন জুলফিকার
খিলাফতি সিয়াসাতের ওয়াফাদার
রসূলী কায়া বাকি অংশ পড়ুন...
জড়োয়া নূরে আলোকিত আজ
মামদুহ আহালী পাক অন্দর
হীরে মানিক জোড়, পেলাম নওকর
শোনো শোনো.....খুশির খবর
হীরে মানিক জোড়, পেলাম নওকর
দিল খুলে তাকবীর ‘ও মুর্শিদে আকবর’
মাহে শা’বানে, সারা জাহানে
জান্নাতি ঘ্রাণে, ফিদা আশিকানে
ইশকী ধ্যানে, নন্দিত অন্তর
হীরে মানিক জোড়, পেলাম নওকর
শাহ নাওয়াসীদ্বয়, সাইয়্যিদা উভয়
এক পলকে হয়, ঈমানী বিজয়
এমনই মহাময়, উনারা বেহতর
হীরে মানিক জোড়, পেলাম নওকর
হাসনাইন জানেশিন, যূল কারমাইন
স্বাগতম বেহতারিন, শাহী মেহজাবিন
ছড়ান সীমাহীন, মেশকে আম্বর
হীরে মানিক জোড়, পেলাম নওকর
সেরা খাজিনা, দোনো শাহানা
সারা কায়িনা, কাছীদ বাকি অংশ পড়ুন...
৯৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হেলান দেয়া শান মুবারক نُوْرُ الْقَرَارِ مُبَارَكٌ নূরুল ক্বর্রা মুবারক (স্থায়ী)
৯৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বৃদ্ধকাল মুবারক نُوْرُ النَّوَّرِ مُبَارَكٌ নূরুন নাওওর্য়া মুবারক (বহুত আলোকিত)
৯৬ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুস্থতা মুবারক نُوْرُ الْاِسْتَوٰى مُبَارَكٌ নূরুল ইস্তাওয়া মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস হচ্ছেন শাহরুন আ’যীম অর্থাৎ মহাসম্মানিত মহান মাস। এ মহাসম্মানিত মহান মাসে রয়েছে ফরয রোযা ও লাইলাতুল ক্বদরস বাকি অংশ পড়ুন...












