SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আদানি%' OR titleBn LIKE '%আদানি%' OR descriptionEn LIKE '%আদানি%' OR descriptionBn LIKE '%আদানি%' OR slug LIKE '%আদানি%' OR metaTag LIKE '%আদানি%' OR metaDescription LIKE '%আদানি%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চাহিদা মতো পর্যাপ্ত উৎপাদন থাকায় দেশে টানা এক সপ্তাহ কোনো লোডশেডিং হয়নি। গত ২৭ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিস্থিতি বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলসহ দেশের বেশিরভাগ এলাকায় বৃষ্টি ও ভারি বৃষ্টিপাত হওয়ায় কৃষকদের ফসলে সেচ দিতে হয়নি। এতে অতিরিক্ত বিদ্যুতের চাহিদা অনেকাংশে কমে যায়। বিদ্যুৎ পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতির ফলে এখন লোডশেডিং শূন্যে নেমে এসেছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বলেন, ‘আগের তুলনায় এখন চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরা বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
লোডশেডিং ও জ্বালানি অনিশ্চয়তার ফলে দেশের কলকারখানাগুলোয় উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় অর্ধেকেরও কম বা ৪০-৪৫ শতাংশ কমে গেছে। অন্যদিকে জ্বালানি ও পরিবহনের বাড়তি খরচের কারণে কস্ট অব ডুইং বিজনেস বা উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেছে প্রায় ৩০-৩৫ শতাংশ। এ বহুমুখী সংকটে দেশের বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান এখন চরম ঝুঁকির মুখে।
গতকাল গবেষণা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) আয়োজিত ‘জ্বালানির ফাঁদে বন্দি অর্থনীতি?’ শীর্ষক ওয়েবিনারে এসব তথ্য ও বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেন বক্তারা।
ব বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতীয় গ্রিডে খুব শিগগিরই বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত বিদ্যুৎ যুক্ত হতে যাচ্ছে। সব কিছু ঠিক থাকলে এপ্রিল মাসের শেষ দিকে নতুন করে ১ হাজার ৯৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। এর ফলে বর্তমানের সংকটময় রেশনিং ব্যবস্থা অনেকটাই কমে আসবে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম এই আশাব্যঞ্জক তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সংশ্লিষ্টদের ধারণা অনুযায়ী আসন্ন গ্রীষ্মে দেশব্যাপী বিদ্যুতের সম্ভাব্য চাহিদা ১৭ হাজার থেকে ১৮ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এই বিপুল পরিমাণ প্রয়োজন সামাল বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিদ্যুৎ বিভাগের পরিকল্পনা-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব উম্মে রেহানা বলেছেন, গতকাল (বুধবার) বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল ১৩,৬৮১ মেগাওয়াট। ২০৮৬ মেগাওয়াটের মতো লোডশেডিং হয়েছে। ফোরকাস্টিং (পূর্বাভাস) হিসেবে দেখেছি, আজ (বৃহস্পতিবার) চাহিদা ১৭ হাজার মেগাওয়াটের মতো। বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বেড়েছে, বেড়েছে গরমও। সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ চাহিদা অনেক বেড়েছে। অন্যদিকে জ্বালানি সংকটও অনেক বেশি অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে।
গতকাল ইয়াওমুল খমীস (বৃহস্পতিবার) সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকারের কাছে দেশী-বিদেশী কোম্পানিগুলোর বিদ্যুৎ বিক্রির বকেয়া বিল ৫০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। কোম্পানিভেদে বর্তমানে সর্বনি¤œ ছয় থেকে সর্বোচ্চ ১৪ মাস পর্যন্ত বিল বকেয়া পড়েছে।
বিশেষ করে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এ বকেয়া অর্থের কারণে বড় ধরনের আর্থিক চাপে পড়েছে। একদিকে তারা জ্বালানি আমদানি করতে পারছে না, অন্যদিকে ব্যাংক ঋণের চাপও বেড়ে চলেছে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই বকেয়া সমস্যা শুরু হয়, যা ক্রমেই জটিল হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে কিছু অর্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ভারতের আদানি পাওয়ার লিমিটেডের সাথে স্বাক্ষরিত চুক্তিটি বিগত আওয়ামী লীগ সরকার অস্বাভাবিক মূল্যে করেছে, আলোচনাক্রমে এ চুক্তি সংশোধন বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) জাতীয় সংসদে মন্ত্রী এ কথা জানান।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ভারতের আদানি পাওয়ার (ঝাড়খ-) লিমিটেডের সাথে ২০১৭ সালে বিদ্যুৎ ক্রয়ের যে চুক্তি হয়েছিল সেই চুক্তিটি পর্যালোচনার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারকর নেতৃ বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে বছরে প্রায় ৭০ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করতে হচ্ছে। এতে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৬০-৬৫ হাজার কোটি টাকা।
দেশীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে জোর দেওয়া বিশেষ জরুরী
(২য় পর্ব)
বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সঙ্গে অর্থনীতির নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। এ খাতকে সেবা খাত হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে দেশের সাধারণ মানুষ লাভবান হয়, তাদের জীবনমান বাড়ে, অর্থনীতিও সচল থাকে। কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে জনবিমুখ ও আমদানিনির্ভর জ্বালানি নীতির কারণে এখন ঝুঁকিতে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। জ্বালানি নিশ্চিত না করেই একের পর এক বিদ্যুৎ কেন্দ্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশের বিদ্যুৎ খাতে এ মুহূর্তে বকেয়া ৪০ হাজার কোটি টাকা। বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রয়োজনীয় গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে রয়েছে বড় সরবরাহ ঘাটতি। সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতের অব্যাহত লোকসান পিছু ছাড়েনি।
এমন পরিস্থিতির মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করেছে। এদিকে চলমান সেচ মৌসুম ও রমজান মাস শুরু হয়েছে। আসন্ন গ্রীষ্মে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাবে অনেক গুণ। সামগ্রিকভাবে বিদ্যুৎ খাতে বকেয়া জটিলতা সামলানো, আর্থিক সচ্ছলতা ফেরানোর পাশাপাশি গ্যাসের সরবরাহ সংকট মোকাবেলা বিএনপি সরকারকে বড় পরীক্ষায় ফেলবে বলে মনে করছেন বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
কয়লার দাম ও বিদ্যুৎ শুল্ক নিয়ে ভারতের আদানি পাওয়ার লিমিটেডের সঙ্গে চলমান বিরোধ নিষ্পত্তিতে আন্তর্জাতিক সালিশ প্রক্রিয়ার জন্য যুক্তরাজ্যের একটি আইন প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) পক্ষে সিঙ্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন সেন্টারে (এসআইএসি) মধ্যস্থতা ও সালিশ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠান থ্রি ভিপি চেম্বার্স নামের লন্ডনভিত্তিক একটি আইনি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর বরাতে দ্য হিন্দু জানিয়েছে, বিপিডিবি’র কর্মকর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
আদানি পাওয়ারের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করতে একদিকে ব্রিটিশ একটি আইনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিভাগ। অন্যদিকে খবরে এসেছে, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়িয়েছে ভারতীয় কোম্পানি আদানি পাওয়ার।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তিতে ‘ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে’- চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এই দাবি করে আদানির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করার সুপারিশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জাতীয় কমিটি। এতে বলা হয়েছে, এই চুক্তির কারণে ২৫ বছর মেয়াদে বাংলাদেশ থেকে এক হ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে জাতীয় পর্যালোচনা কমিটি। এই চুক্তি বাতিল করতে সিঙ্গাপুরের আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে যাওয়ার জোরালো পরামর্শ দিয়েছে কমিটি। একইসঙ্গে চুক্তির নেপথ্যে সাত-আট জন ব্যক্তির কয়েক মিলিয়ন ডলারের অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে, যা অধিকতর তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠানো হয়েছে।
গতকাল রোববার বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চুক্তি পর্যালোচনায় গঠিত জাতীয় কমিটির সদস্যরা এসব তথ্য জানান।
কমিটির সদস্য অধ্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
আদানির বিদ্যুৎসহ বিগত সরকারের করা বিদ্যুৎকেন্দ্রের সব চুক্তি ও চুক্তির প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। জাতীয় কমিটির চারজন সদস্যের দেওয়া তথ্যের বরাতে এমনই ধারণা পাওয়া গেছে। ভারতের ঝাড়খন্ডে নির্মিত আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে চলমান বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি ‘বাতিল করার মতো অনিয়ম’ রয়েছে। এসব অনিয়মের প্রমাণ দিয়ে আদালতের মাধ্যমেই ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে বলে মনে করছেন কমিটির সদস্যরা। যদিও জাতীয় কমিটির ওই চার সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলতে রাজি হননি।
জানা গেছে, জ বাকি অংশ পড়ুন...












