নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশের বিদ্যুৎ খাতে এ মুহূর্তে বকেয়া ৪০ হাজার কোটি টাকা। বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রয়োজনীয় গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে রয়েছে বড় সরবরাহ ঘাটতি। সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতের অব্যাহত লোকসান পিছু ছাড়েনি।
এমন পরিস্থিতির মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করেছে। এদিকে চলমান সেচ মৌসুম ও রমজান মাস শুরু হয়েছে। আসন্ন গ্রীষ্মে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাবে অনেক গুণ। সামগ্রিকভাবে বিদ্যুৎ খাতে বকেয়া জটিলতা সামলানো, আর্থিক সচ্ছলতা ফেরানোর পাশাপাশি গ্যাসের সরবরাহ সংকট মোকাবেলা বিএনপি সরকারকে বড় পরীক্ষায় ফেলবে বলে মনে করছেন বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
কয়লার দাম ও বিদ্যুৎ শুল্ক নিয়ে ভারতের আদানি পাওয়ার লিমিটেডের সঙ্গে চলমান বিরোধ নিষ্পত্তিতে আন্তর্জাতিক সালিশ প্রক্রিয়ার জন্য যুক্তরাজ্যের একটি আইন প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) পক্ষে সিঙ্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন সেন্টারে (এসআইএসি) মধ্যস্থতা ও সালিশ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠান থ্রি ভিপি চেম্বার্স নামের লন্ডনভিত্তিক একটি আইনি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর বরাতে দ্য হিন্দু জানিয়েছে, বিপিডিবি’র কর্মকর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
আদানি পাওয়ারের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করতে একদিকে ব্রিটিশ একটি আইনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিভাগ। অন্যদিকে খবরে এসেছে, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়িয়েছে ভারতীয় কোম্পানি আদানি পাওয়ার।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তিতে ‘ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে’- চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এই দাবি করে আদানির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করার সুপারিশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জাতীয় কমিটি। এতে বলা হয়েছে, এই চুক্তির কারণে ২৫ বছর মেয়াদে বাংলাদেশ থেকে এক হ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে জাতীয় পর্যালোচনা কমিটি। এই চুক্তি বাতিল করতে সিঙ্গাপুরের আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে যাওয়ার জোরালো পরামর্শ দিয়েছে কমিটি। একইসঙ্গে চুক্তির নেপথ্যে সাত-আট জন ব্যক্তির কয়েক মিলিয়ন ডলারের অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে, যা অধিকতর তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠানো হয়েছে।
গতকাল রোববার বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চুক্তি পর্যালোচনায় গঠিত জাতীয় কমিটির সদস্যরা এসব তথ্য জানান।
কমিটির সদস্য অধ্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
আদানির বিদ্যুৎসহ বিগত সরকারের করা বিদ্যুৎকেন্দ্রের সব চুক্তি ও চুক্তির প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। জাতীয় কমিটির চারজন সদস্যের দেওয়া তথ্যের বরাতে এমনই ধারণা পাওয়া গেছে। ভারতের ঝাড়খন্ডে নির্মিত আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে চলমান বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি ‘বাতিল করার মতো অনিয়ম’ রয়েছে। এসব অনিয়মের প্রমাণ দিয়ে আদালতের মাধ্যমেই ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে বলে মনে করছেন কমিটির সদস্যরা। যদিও জাতীয় কমিটির ওই চার সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলতে রাজি হননি।
জানা গেছে, জ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বিদ্যুৎ খাতে সরকারের দীর্ঘদিনের ‘নীরব নিশ্চয়তা’কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে আদানি পাওয়ার লিমিটেডের সাম্প্রতিক অভিযোগ। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) বিরুদ্ধে সম্প্রতি লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) নবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগ এনেছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় জারি করেছে নোটিশ। ফলে বিষয়টি এখন শুধু একটি আর্থিক আনুষ্ঠানিকতার ব্যর্থতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং এর ফলে দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা, চুক্তি পালনের সদিচ্ছা এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকার বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
মুম্বাই বিমানবন্দরের পাশে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় বস্তি ধারাভির অবস্থান। ১৯৮০ সাল থেকেই এ বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনে বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও সফল হয়নি মহারাষ্ট্র সরকার। সবশেষ ভারতীয় ব্যবসায়ী আদানির মাধ্যমে ধারাভি পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়। মহারাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে আদানি গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়ন হচ্ছে ধারাভি রিডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রাইভেট লিমিটেড (ডিআরপিপিএল)।
অনেক ভারতীয় বিশ্লেষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, আদানির মতো ধনকুবের ধারাভি বস্তিতে বিনিয়োগের পেছনের বড় কারণ এখানকার আকর্ষণীয় জমি। বিমানবন্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে করা বিদ্যুৎ চুক্তি নিয়ে সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে সালিশি কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) বিচারক বজলুর রহমান ও বিচারক উর্মি রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
এক আবেদনের শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেয়।
এর আগে ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে করা বিদ্যুৎ চুক্তি পর্যালোচনা বা বাতিলের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি আবেদন করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আবদুল কাইয়ুম। গত ৬ নভেম্বর পিডিবি চেয়ারম্যান ও জ্বালানি সচিবক বাকি অংশ পড়ুন...
পটুয়াখালী সংবাদাদতা:
হাসিনা সরকার ভারতের সঙ্গে অসম চুক্তি করেছে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময় দেশের স্বার্থবিরোধী একাধিক চুক্তি করা হয়েছে। বিশেষ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের করা আদানি বিদ্যুৎ চুক্তি জনগণ বা দেশের স্বার্থে হয়নি। ঝাড়খ-ে আদানির উৎপাদন করা বিদ্যুতের ৩৪ শতাংশ কেন বাংলাদেশকে কিনতে হবে? এটি দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়ার সামিল।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পটুয়াখালী সদর উপজেলায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী অভিযোগ করে বলেন বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বকেয়া বিল পরিশোধে দেয়া আদানির আল্টিমেটাম শেষ হয়েছে গত সোমবার (১০ নভেম্বর)। বকেয়া ৪৯৬ মিলিয়ন ডলার না পেলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছিল কোম্পানিটি। এর পরিপ্রেক্ষিতে আংশিক অর্থাৎ ১০০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. ফাওজুল কবির খান বলেন, আদানির সঙ্গে কিছু বিষয় নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। আদানির দুর্নীতির বিষয়ে হাইকোর্টে একটি রিট হয়েছে। আমরা অন-প্রটেস্ট আংশিক পেমেন্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তিনি জানান, বকেয়া বাবদ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে ভারতের আদানি পাওয়ার লিমিটেড। আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করা হলে পরদিন ১১ নভেম্বর থেকে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। প্রতিষ্ঠানটির ভাইস চেয়ারম্যান অবিনাশ অনুরাগ ৩১ অক্টোবর বিপিডিবির চেয়ারম্যানের কাছে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠায়।
চিঠিতে জানানো হয়, বিপিডিবি এখনো ৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বকেয়া পরিশোধ করেনি, যার মধ্যে ২৬২ মিলিয়ন ডলার বিপিডিবির নিজস্ব স্বীকৃত অপরিশোধিত বিল। যদি ১০ নভেম্বরের মধ্যে সব বকেয়া পরিশোধ না করা হয়, তাহলে আমরা ১১ নভে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
আদানিসহ অধিকাংশ বিদ্যুৎ চুক্তিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে গঠিত উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি। কমিটির তথ্যানুযায়ী, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালিক, আমলা এবং রাজনীতিবিদদের যোগসাজশে বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। এর ফলে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। প্রতিযোগী দেশের তুলনায় বাংলাদেশের বিদ্যুতের দাম ২৫ শতাংশ বেশি, ভর্তুকি বাদ দিলে যা ৪০ শতাংশে পৌঁছাবে।
গত ১৪ বছরে বিদ্যুতের উৎপাদন বেড়েছে চার গুণ কিন্তু খরচ বেড়েছে ১১ গুণ। ২০১১ সালে বিদ্যুৎ ক বাকি অংশ পড়ুন...












