২১শে ফেব্রুয়ারিকে আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করি। ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য এদিন ভাষা সৈনিকরা প্রাণ দিয়েছিলো, সেই দিনটিকেই স্মরণ করে দিবসটি উদযাপন। তবে শুধু ২১শে ফেব্রুয়ারি নয়, বাংলা ভাষা নিয়ে আরেকটি দিবস আমাদের পালন করা উচিত। সেটা হচ্ছে বাংলা ভাষার স্বাধীনতা দিবস। দিবসটি হিজরী তারিখ হচ্ছে- “১৯শে রমাদ্বান শরীফ”। আসুন বিষয়টি সম্পর্কে জেনে নেই।
ইতিহাস স্বাক্ষী হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখে ‘এক কথ্য’ ভাষার প্রচলণ ছিলো। বাঙ্গালিরা সেই ভাষায় নিজেদের ভাব-আবেগ বিনিময় করতো। বাঙ্গালিদের মুখের সেই কথ্য ভাষা ছিলো বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মুসলমান এবং আহলে কিতাব দাবিদারদের মধ্যে তথা মুসলমান এবং ইহুদী-খৃস্টানদের মধ্যে পার্থক্যের মূল বিষয়টি কি? বলাবাহুল্য, প্রধান ফারাককারী বিষয়টি হলো- তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ও বাকি অংশ পড়ুন...
* সেদিন জনৈক হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি একজন মুশরিককে পিছনে জোরে ধাওয়া করছিলেন। এ সময় তিনি তার উপর দিক থেকে বেত্রাঘাতের শব্দ ও অশ্বারোহীর আওয়াজ শুনতে পান। অশ্বারোহী বলছিলেন, “হে হায়যূম (ফেরেশতার ঘোড়ার নাম) সম্মুখে অগ্রসর হও।’ তখন তিনি দেখতে পেলেন উনার সম্মুখে ওই মুশরিক চিৎ হয়ে পড়ে আছে। এরপর তিনি লক্ষ্য করে দেখলেন যে, তার নাক ফাটা ও মুখম-ল ক্ষত-বিক্ষত। যেন কেউ তাকে বেত্রাঘাত করেছে। বেতের আঘাতে তার সমস্ত দেহ নীল হয়ে গিয়েছে। এরপর ওই ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল বাকি অংশ পড়ুন...
এক খ্রিষ্টান পাদরি:
অন্তর প্রশান্তকারী এই ঘটনার খবর গিয়ে পৌঁছলো খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নিকট। শুনে তিনি এতটাই আনন্দিত হলেন যে, কখনও এতটা আনন্দিত হননি কোনো অভিযানে বিজয় বা গনিমত অর্জনের পর! তিনি আনন্দের বহিঃপ্রকাশ করতে গিয়ে বললেন, ‘এখন ইসলাম সম্মানিত হলো।’ ইসলামের স্বকীয়তা বজায় রইলো! কতগুলো ছোট্ট শিশু তাদের মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীকর কথা শুনলো, অতঃপর রেগে উঠলো এবং বিজয় লাভ করলো। এরপর সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
এখন থেকে সরকারি কর্মচারীদের প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত বাধ্যতামূলকভাবে অফিসে অবস্থান করতে হবে। ২০১৯ এবং ২০২১ সালের ধারাবাহিকতায় সরকারি কর্মচারীদের এই নির্দেশ দিয়ে ২ মার্চ পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
পরিপত্রে বলা হয়, সেবা গ্রহণকারী নাগরিকদের সুবিধা, প্রশাসনিক গতিশীলতা ও আন্তদপ্তর সমন্বয় বাড়াতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত বাধ্যতামূলকভাবে অফিসে অবস্থান করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে কর্মকর্তা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি কে?
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের একমাত্র ইবনুন (ছেলে সন্তান) হলেন সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি।
তিনি উনার মহাসম্মানিত আব্বাজান আলাইহিস সালাম ও মহাসম্মানিতা আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনাদের উভয়ের দিক থেকেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ বা বংশধর।
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিন বাকি অংশ পড়ুন...
ইবরাহীম আল-ফাযারী:
কতিপয় ঐতিহাসিক বলেন, ‘যখন তার ফাঁসির কাষ্ঠ উপরে উত্তোলন করা হলো এবং তার থেকে ফাঁসি কার্যকরী ব্যক্তিদের হাত সরে গেলো, হঠাৎ কাষ্ঠ নরাধমটার চেহারা কিবলার দিক থেকে ফিরিয়ে দিলো। ঠিক তখনই কোথা থেকে দৌড়ে এসে একটি কুকুর নরাধমটার দেহ থেকে দরদর করে বেয়ে পড়া জমাট রক্তে মুখ লাগিয়ে চপচপ করে তা পান করে নিলো!
এই ঘটনাটি উপস্থিত সকলের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এক বিরাট নিদর্শন ছিলো। এটা দেখে সকলেই ‘আল্লাহু আকবর’ বলে তাকবীর ধ্বনি দিয়ে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে তুললো। তখন কাযী ইয়াহইয়া বিন উমর বলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীব বাকি অংশ পড়ুন...
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি মুবারক:
বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক, তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লখতে জিগার মুবারক, মহাসম্মানিত বানাত (মেয়ে) আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত বানাত (মেয়ে) আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে তিনি হচ্ছেন ‘ছানিয়াহ তথা দ্বিতীয়া।’ সুবহানাল্লাহ! আ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত বুদাইল বিন ওয়ারাক্বা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মধ্যস্থতা:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন-
إِنَّا لَمْ نَجِئ لِقِتَالِ أَحَدٍ، وَلٰكِنَّا جِئْنَا مُعْتَمِرِيْنَ، وَإِنَّ قُرَيْشاً قَدْ نَهَكَتْهُمُ الْحَرْبُ وَأَضَرَّتْ بِهِمْ، فَإِنْ شَاءُوْا مَادَدْتُّهُمْ، وَيَخْلُوْا بَيْنِيْ وَبَيْنَ النَّاسِ، وَإِنْ شَاءُوْا أَنْ يَّدْخُلُوْا فِيْمَا دَخَلَ فِيْهِ النَّاسُ فَعَلُوْا، وِإِلَّا فَقَدْ جَمُّوْا، وَإِنْ هُمْ أَبَوْا إِلَّا الْقِتَالَ فَوَالَّذِيْ نَفْسِيْ بِيَدِهِ لَأُقَاتِلَنَّهُمْ عَلٰى أَمْرِيْ هٰذَا حَتّٰى تَنْفَرِدَ سَالفتي، أَوْ لَيَنْفِذَنَّ اللهُ أَمْرَهُ
‘কারো সঙ্গে যুদ্ধ করার উদ্দেশ্য বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মোংলা। প্রতিবছরই এ বন্দরে রেকর্ড পরিমাণ জাহাজ আগমন করে। মোংলা বন্দরে চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬ অর্থবছর) সাত মাসে ৩১টি বিদেশি বাণিজ্যিক কন্টেইনারবাহী জাহাজ আগমনের মধ্য দিয়ে ২১ হাজার ৬৫১ টিইইউজ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে।
যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ৭৯.১৯ শতাংশ বেশি। এর আগে, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে মোট ২১ হাজার ৪৫৬ টিইইউজ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়। যা বর্তমান অর্থবছরে সাত মাসে হ্যান্ডলিং হয়েছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন উপ-ব্যবস্থাপক মাকরুজ্জামান বলেন, জুলাই-২০২৫ থেকে জ বাকি অংশ পড়ুন...












