SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%অপ্রতিরোধ্য%' OR titleBn LIKE '%অপ্রতিরোধ্য%' OR descriptionEn LIKE '%অপ্রতিরোধ্য%' OR descriptionBn LIKE '%অপ্রতিরোধ্য%' OR slug LIKE '%অপ্রতিরোধ্য%' OR metaTag LIKE '%অপ্রতিরোধ্য%' OR metaDescription LIKE '%অপ্রতিরোধ্য%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। এছাড়া আরও তিনটি যুদ্ধবিমানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করেছে দেশটি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্সের বরাতে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, এক বিবৃতিতে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় দুই দম্পতি ও তাদের সন্তান নিহত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে চালানো হয়েছে এই হামলা।
আইআরজিসি আরও জানায়, তাদের মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহি বাকি অংশ পড়ুন...
দখলদারদের কথিত ‘অপ্রতিরোধ্য’ সামরিক যান যোদ্ধাদের আক্রমণে এভাবেই টুকরা টুকরা হয়েছে। বাকি অংশ পড়ুন...
* প্রতিরক্ষার ডিজিটাল বর্ম: ৫০ লক্ষ বাহিনীর একক কমান্ড ও সামরিক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের অপরিহার্য রোডম্যাপ :
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয়ের প্রধান শর্ত কেবল সৈন্যসংখ্যা বা ভারী যুদ্ধাস্ত্র নয়; বরং যুদ্ধক্ষেত্রের আসল নিয়ন্ত্রণ লুকিয়ে থাকে তথ্যপ্রযুক্তির শ্রেষ্ঠত্ব এবং নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর। নেটওয়ার্ক-সেন্ট্রিক ওয়ারফেয়ার বা তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধকৌশলের এই যুগে যেকোনো বাহিনীর জন্য ‘লজিস্টিকস ও কমিউনিকেশন’ হলো মূল ¯œায়ুকেন্দ্র। বিশেষ করে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি বিশাল বাহিনীকে একক বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের কৌশলগত মানচিত্র আমূল বদলে গেছে। ইউক্রেন যুদ্ধ দথেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্য কিংবা ককেশাস অঞ্চলের সাম্প্রতিক সংঘাতগুলো প্রমাণ করেছে যে, প্রথাগত ভারী এবং ব্যয়বহুল সামরিক হার্ডওয়্যারের চেয়ে সাশ্রয়ী, নিখুঁত ও প্রযুক্তি-নির্ভর ‘লয়টারিং মিউনিশন’ এবং ‘আত্মঘাতি ড্রোন’ বা কামিকাজে ড্রোন এখন যুদ্ধ জয়ের প্রধান চালিকাশক্তি। বিশেষ করে নদীমাতৃক এবং ঘনবসতিপূর্ণ ভূপ্রকৃতির বাংলাদেশে যেকোনো সম্ভাব্য বহিঃশত্রুর আগ্রাসন নস্যাৎ করতে এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীকে একটি অজেয় শক্তিতে রূপান্তর করতে ড্রোন বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এবং ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে জেনেভা শহরে আলোচনা চলা অবস্থায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে হামলা চালায়। এর জবাবে ৪০ দিনে সন্ত্রাসী ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ১০০ দফা পাল্টা হামলা চালায় ইরান। ইরানের বীরদর্পি এসব হামলায় কাফির বিশ্ব যেমন একদিকে ব্যাপক পর্যুদস্ত হয় তেমন যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীভূত হয় হরমুজ প্রণালিতে।
হরমুজে তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তার কথা তুলে গত ১৩ এপ্রিল নৌ-অবরোধ আরোপের চেষ্টা চালায় মার্কিন সন্ত্রাসী যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু তাদের নিরা বাকি অংশ পড়ুন...
গত এক যুগে দেশে অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি যেমন বেড়েছে, সঙ্গে দ্রুতগতিতে বৈষম্যও বেড়েছে। বৈষম্যের নির্দেশক গিনি সহগ সূচক এখন দশমিক ৪৯৯ পয়েন্ট। দশমিক ৫০০ পয়েন্ট পেরোলেই উচ্চ বৈষম্যের দেশ হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ উচ্চ বৈষম্যের দেশ থেকে অতি সামান্য দূরত্বে আছে বাংলাদেশ।
সাধারণত গিনি (কেউ কেউ জিনি বলেন) সহগ দিয়ে একটি দেশে আয়বৈষম্য কেমন, তা বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়। এটি বৈষম্য মাপার একটি পদ্ধতি। ১৯১২ সালে ইতালির সংখ্যাতত্ত্ববিদ কোরাদো গিনি বা জিনি এর উদ্ভাবক। সবার আয় সমান হলে গিনি সূচক হবে শূন্য। এর অর্থ হলো চরম সাম্য অবস্থা বিরাজ করছে। আর বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্দিষ্ট কিছু আসনে কিছু প্রার্থীকে বিজয়ী করে আনতে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ (নির্বাচনী কারসাজি) করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।
মাহদী আমিন অভিযোগ করে বলেন, নির্দিষ্ট কিছু আসনে নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীকে বিজয়ী করে আনার জন্য এক ধরনের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং আজকে হয়েছে। এটা বিশ^াস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে আমাদের কাছে।
মাহদী আমিন জানান, বিএনপি কিংবা ধানের শীষের বিপুল ব্যবধানে অপ্রতিরোধ্য যে বিজয়, সেই বিজয়ের ব্যবধানকে কমিয়ে আনার জন্য একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল অপপ্রচার এবং নির্বাচন বাকি অংশ পড়ুন...
গত এক যুগে দেশে অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি যেমন বেড়েছে, সঙ্গে দ্রুতগতিতে বৈষম্যও বেড়েছে। বৈষম্যের নির্দেশক গিনি সহগ সূচক এখন দশমিক ৪৯৯ পয়েন্ট। দশমিক ৫০০ পয়েন্ট পেরোলেই উচ্চ বৈষম্যের দেশ হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ উচ্চ বৈষম্যের দেশ থেকে অতি সামান্য দূরত্বে আছে বাংলাদেশ।
সাধারণত গিনি (কেউ কেউ জিনি বলেন) সহগ দিয়ে একটি দেশে আয়বৈষম্য কেমন, তা বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়। এটি বৈষম্য মাপার একটি পদ্ধতি। ১৯১২ সালে ইতালির সংখ্যাতত্ত্ববিদ কোরাদো গিনি বা জিনি এর উদ্ভাবক। সবার আয় সমান হলে গিনি সূচক হবে শূন্য। এর অর্থ হলো চরম সাম্য অবস্থা বিরাজ করছে। আর বাকি অংশ পড়ুন...
গত এক যুগে দেশে অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি যেমন বেড়েছে, সঙ্গে দ্রুতগতিতে বৈষম্যও বেড়েছে। বৈষম্যের নির্দেশক গিনি সহগ সূচক এখন দশমিক ৪৯৯ পয়েন্ট। দশমিক ৫০০ পয়েন্ট পেরোলেই উচ্চ বৈষম্যের দেশ হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ উচ্চ বৈষম্যের দেশ থেকে অতি সামান্য দূরত্বে আছে বাংলাদেশ।
সাধারণত গিনি (কেউ কেউ জিনি বলেন) সহগ দিয়ে একটি দেশে আয়বৈষম্য কেমন, তা বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়। এটি বৈষম্য মাপার একটি পদ্ধতি। ১৯১২ সালে ইতালির সংখ্যাতত্ত্ববিদ কোরাদো গিনি বা জিনি এর উদ্ভাবক। সবার আয় সমান হলে গিনি সূচক হবে শূন্য। এর অর্থ হলো চরম সাম্য অবস্থা বিরাজ করছে। বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিএনপির নির্বাচনের প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে অযথা কেন টানাটানিÍপ্রশ্ন করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, ‘ভাই আমরা তো তোমাদের মার্কাতে বাধা দিইনি। তোমাদেরকে তোমাদের মার্কা দেবে নির্বাচন কমিশন, সেটা নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। ’
গতকাল জুমুয়াবার রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বক্তব্যে এ কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
মির্জা ফখরুল বলেন, কিছু কিছু ব্যক্তি বা দল, তারা ধমক দিচ্ছে, হুমকি দিচ্ছে যে অমুক মার্কা না দিলে আমরা নির্বাচনে যাব না বা ওমুকের ম বাকি অংশ পড়ুন...












