SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%অন্তরে%' OR titleBn LIKE '%অন্তরে%' OR descriptionEn LIKE '%অন্তরে%' OR descriptionBn LIKE '%অন্তরে%' OR slug LIKE '%অন্তরে%' OR metaTag LIKE '%অন্তরে%' OR metaDescription LIKE '%অন্তরে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমি ক্বিয়ামতের দিন চার শ্রেণীর লোকদের সুপারিশ করবো-
এক. যাঁরা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে, হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে সম্মান মুবারক করবেন।
দুই. যাঁরা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে, হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে আর্থিকভাবে সম্মানিত খিদমত মুবারকের আনজাম দিবেন।
তিন. যাঁরা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইয়েমেনের তায়েজ প্রদেশের হাজিয়া মরিয়ম আর-রামিমাহ। বর্তমানে ৮২ বছর বয়সি এই বৃদ্ধা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই, শুধু কানের সাহচর্যে ক্যাসেট শুনে পুরো পবিত্র কোরআনুল কারিম মুখস্থ করে হাফেজা হয়েছেন।
২০০৬ সালে, ষাটের দশকে পা দিয়ে মরিয়ম সিদ্ধান্ত নেন তার লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার। তার ছেলে শায়খ মুখতার আর-রামিমাহ গ্রামে একটি পবিত্র কুরআন শরীফ হিফজ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করলে সেটিই তার প্রধান অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়।
খাতা-কলম না থাকলেও তার ছিল প্রখর শ্রবণশক্তি ও অটল সংকল্প। গ্রামের একজন নারী শিক্ষিকার সাহা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইয়েমেনের তায়েজ প্রদেশের হাজিয়া মরিয়ম আর-রামিমাহ। বর্তমানে ৮২ বছর বয়সি এই বৃদ্ধা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই, শুধু কানের সাহচর্যে ক্যাসেট শুনে পুরো পবিত্র কোরআনুল কারিম মুখস্থ করে হাফেজা হয়েছেন।
২০০৬ সালে, ষাটের দশকে পা দিয়ে মরিয়ম সিদ্ধান্ত নেন তার লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার। তার ছেলে শায়খ মুখতার আর-রামিমাহ গ্রামে একটি পবিত্র কুরআন শরীফ হিফজ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করলে সেটিই তার প্রধান অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়।
খাতা-কলম না থাকলেও তার ছিল প্রখর শ্রবণশক্তি ও অটল সংকল্প। গ্রামের একজন নারী শিক্ষিকার সাহা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দলীল অনুযায়ী হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালাম উনাদের স্বপ্ন মুবারকও যেখানে পবিত্র ওহী মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত সেখানে উনাদের জাগ্রত অবস্থার বিষয়গুলো কি পবিত্র ওহী মুবারক উনার বাইরে ছিল? কখনই নয়। যদি তাই হয় তাহলে পবিত্র ওহী মুবারক উনার ফায়সালাকৃত বিষয়ের জন্য উনাদেরকে দোষারোপ করা কি করে শুদ্ধ হতে পারে?
কাজেই, উনাদের সাথে যদি ভুল বা গুনাহর বিষয়টি সম্পৃক্ত করা হয় তাহলে একইসাথে এটাও সম্পৃক্ত হয়ে যায় যে, মহান আল্লাহ পাক তিনিই পবিত্র ওহী মুবারক নাযিলে ভুল করেছেন এবং তিনিই উনাদেরকে গুনাহ ক বাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে ফয়সালাটা কি হবে? মৃত্যুদন্ডতো একটা স্বাভাবিক বিষয়। মাত্র তার গরদানটা ফেলে দেয়া হলো। মাথাটা শেষ করে দেয়া হলো। যমীনে সে ইন্তেকাল করলো এটাতো স্বভাবিক বিষয়। আরো অনেক রয়ে গেছে। এতটুক শুধু না। তার মৃত্যুদন্ড দিলেই শেষ না, এটাতো শুরু হলো তার শাস্তি। এখন অনন্তকাল ধরে তার শাস্তি চলতেই থাকবে। এই শাস্তি থেকে সে কোনদিন রেহাই পাবে না। এমন কঠিন শাস্তি দেয়া হবে যেটা কল্পনাতীত। নাউযুবিল্লাহ! তাহলেতো বিষয়টা ফিকির করতে হবে। তাহলে উনাদের শান-মান মুবারক, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক কতটুকু, বুযূর্গী মুবারক তাহলে কতটুকু? এটা ফিকির করতে হবে। উনাদে বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
আজ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সঙ্গতকারণেই আজকের এ মহিমান্বিত দিনের শান-মান মুবারক, রহমত-বরকত মুবারক, ফযীলত মুবারক উপলব্ধি ক বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মুহাব্বত মুবারক অন্তরে থাকা কল্যাণের কারণ। এ সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
কেউ কেউ পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ উনার ১১০ নং আয়াত শরীফ এবং পবিত্র সূরা হামীম সাজদাহ শরীফ উনার ৬ নং আয়াত শরীফ-
قل انـما انا بشر مثلكم يوحى الى
দলীল হিসেবে গ্রহণ করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অন্যান্য মানুষের মতো বলতে চায়। তাদের বক্তব্য কতটুকু গ্রহণযোগ্য?
জাওয়াব: (২য় অংশ)
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে অন্যত্র ইরশাদ মুবারক হয়েছে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
ينساء النبى لستن كاحد من النساء
অর্থ: হে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! আপনারা অন্য কোন মহিলাদের মতো নন। (পবিত্র সূর বাকি অংশ পড়ুন...












