তাহলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের জন্য সেই প্রথম শাস্তিটা দেয়া হয়েছিল। মানুষতো বুঝতে পারবে না। কিন্তু পরবর্তী আয়াত শরীফ নাযিল করা হলো অনেক। তার মধ্যে একটা বিষয় বলা হচ্ছে তাহলো পর্দার পবিত্র আয়াত শরীফ যা নাযিল করা হলো একাধিকবার।
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِّأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلابِيبِهِنَّ ذٰلِكَ أَدْنٰى أَنْ يُّعْرَفْنَ فَلا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللهُ غَفُورًا رَّحِيمًا
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলতেছেন প্রথমে, কি বললেন?
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ
আয় আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হা বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, যে নিজেকে চিনেছে সে মহান আল্লাহ পাক উনাকে চিনেছে। নিজেকে সে তখনই চিনবে যখন নিজের মা সম্পর্কে জানবে। আর নিজের মা সম্পর্কে তার তখনই জানা পূর্ণ হবে যখন সে মহান আল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
বলা হচ্ছে-
فَأَمَّا الَّذِينَ في قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, তোমরা শুনে রাখ।
فَأَمَّا الَّذِينَ في قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ
নিশ্চয়ই যাদের অন্তরে বক্রতা, কুফরী-শিরকী রয়েছে, নাপাকী রয়েছে, বদ আক্বীদা রয়েছে, বদ মাযহাব যারা। তারা মুশাবিহাগুলি অনুসরণ করে অপব্যাখ্যা করে। নাঊযুবিল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি সরাসরি নিজেই বলেন-
ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ
ফিতনা তালাশের জন্য, ফিতনা ছড়ানোর জন্য তারা এগুলো করে থাকে। নাঊযুবিল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি সরাসরি বলে দিচ্ছেন-
وَابْتِغَاءَ تَأْوِيلِهٖ
এবং তারা বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “পরবর্তী উম্মতরা যদি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ন্যায় ঈমান আনেন তবে তারা হিদায়েতপ্রাপ্ত হবেন।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক ফরমান, “শীঘ্রই এমন এক সময় আসবে, যখন পৃথিবীর বিভিন্ন জাতিরা একে অপরকে মুসলমানদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য পরস্পরকে আহবান করবে, যেভাবে ক্ষুধার্ত নেকড়ে তাদের খাবারের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।”
একজন জিজ্ঞেস করলেন, “সেই সময় কি আমরা সংখ্যায় কম থাকবো?”
উত্তরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, “না, সে সময় সংখ্যায় তোমরা হবে অগণিত। কিন্তু তোমরা হবে বন্যার পানিতে ভেসে আসা খড়কুটোর মতো (অর্থাৎ শক্তিহীন)। শত্রুদের অন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার ৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন, উনার মধ্য থেকে কিছু আয়াতে মুহকামাত (স্পষ্ট আয়াত শরীফ) এগুলো হল কিতাব উনার মূল, আর অন্ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সমাজ জীবনে সাধারণ মুসলমান তো বটেই, কার্যক্ষেত্রে আলিম দাবিদারদের মাঝেও পবিত্র কুরআন শরীফ নিয়ে ফিকিরের প্রবণতা তথা এর হাক্বীক্বত উপলব্ধির চেতনা খুবই কম পরিলক্ষিত হয়। এই উদাসীনতার দিকে নির্দেশ করে মহান আল্লাহ্ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তারা কি পবিত্র কুরআন শরীফ সম্পর্কে ফিকি বাকি অংশ পড়ুন...
(১১তম পর্ব)
মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল তার ৩০০ সহচর নিয়ে পলায়ন:
এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ قَالَت طَّائِفَةٌ مِّنْهُمْ يَا أَهْلَ يَثْرِبَ لَا مُقَامَ لَكُمْ فَارْجِعُوا ۚ وَيَسْتَأْذِنُ فَرِيقٌ مِّنْهُمُ النَّبِيَّ يَقُولُونَ إِنَّ بُيُوتَنَا عَوْرَةٌ وَمَا هِيَ بِعَوْرَةٍ ۖ إِن يُرِيدُونَ إِلَّا فِرَارًا.
অর্থ: “এবং তোমাদের মধ্যে একদল যখন বলেছিলো, হে পবিত্র মদীনাবাসী! এখানে আপনাদের কোন স্থান নেই, অতএব আপনারা ফিরে চলুন এবং তাদের মধ্যে একদল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট অ বাকি অংশ পড়ুন...
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বিশুদ্ধ তাফসীর বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ:
(৩৬১)
{وَلْتَكُن مِّنْكُمْ} لا تزل منكم {أُمَّةٌ} جماعة {يَدْعُونَ إِلَى الخير} إلى الصلح والإحسان {وَيَأْمُرُونَ بالمعروف} بالتوحيد واتباع محمد صلى الله عليه وسلم {وَيَنْهَوْنَ عَنِ المنكر} عن الكفر والشرك وترك اتباع الرسول صلى الله عليه وسلم {وأولئك هُمُ المفلحون} الناجون من السخطة والعذاب.
অর্থ: (তোমাদের মধ্যে থাকা উচিত) তোমাদের মধ্যে সর্বদাই থাকা উচিত (এমন একটি উম্মাহ বা মাযহাব) জামায়াত বা দল (যাঁরা আহবান করবেন নেক কাজের প্রতি,) ইছলাহ ও কল্যাণের প্রতি (ভালো কাজের নির্দেশ দিবেন) তাওহীদ ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...












