সম্পাদকীয়-১
বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করার লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী দেশের কঠিন নীল নকশা- জাল টাকার প্রবেশ ঘটানো জাল টাকার বিস্তার রোধে সরকার ও নাগরিকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার
, ২০ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৪ সাদিস, ১৩৯৩ শামসী সন , ১২ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ২৭ কার্তিক, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনের আগেই বড় অঙ্কের জাল নোট বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করছে পাশের একটি দেশ।
দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের নীলনকশা নিয়ে মাঠে নেমেছে সীমান্তবর্তী তথা ষড়যন্ত্রকারী দেশটি এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের বাজারে সুপরিকল্পিতভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সেখানে বানানো জাল টাকা। দেখতে হুবহু আসল নোটের আকৃতির এই জাল টাকা ইতোমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে।
তৈরি করা হচ্ছে ২০০, ৫০০ ও ১ হাজার টাকার জাল নোট। যার সঙ্গে দেশের টাঁকশালে ছাপা ও বাজারে প্রচলিত নোটের নিখুঁত মিল রয়েছে। এ কাজে ব্যবহার করা হয়েছে সামঞ্জস্যপূর্ণ কাগজ ও ম্যাটেরিয়াল। আবার মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে জাল টাকা তৈরির উপাদান বিদেশ থেকে আমদানি করেও দেশে খুব সতর্কতার সঙ্গে জাল নোট তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে। এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। যাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি এড়ানো যায়।
জালিয়াত চক্রকে কতটা সক্রিয় তার প্রমাণ পাওয়া যায় সাম্প্রতিক ঘটনাবলি থেকে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি চক্রকে আটক করেছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। এর মধ্যে রয়েছে- চট্টগ্রামে ২০ কোটি টাকার জাল নোট উদ্ধার।
ঢাকায় জাল টাকা তৈরির কারখানা, রংপুরে জাল টাকা ব্যবহারের ঘটনা; সবই প্রমাণ করে এই অপরাধ কতটা সংগঠিত ও প্রযুক্তিনির্ভর। এমনকি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে জাল নোট বিক্রি হচ্ছে। ফেইসবুক ও টিকটকে ‘এ গ্রেডের প্রিন্ট’ বা ‘হুবহু আসলের মতো’ বিজ্ঞাপন চলছে, যা অপরাধের পাশাপাশি সামাজিক বাস্তবতার ভয়ানক প্রতিফলন।
বর্তমানে রাজধানী এবং বিভাগীয় শহরগুলোতে সারা বছর অন্তত কয়েকটি বড় সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যাদের অধীনে অসংখ্য ছোট চক্র রয়েছে। এরা ফেসবুক, টেলিগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাল নোট বিক্রির প্রচার চালাচ্ছে-‘১ লাখ টাকার জাল নোট মাত্র ১০ থেকে ১৮ হাজার টাকায়’ এমন লোভনীয় অফার দিয়ে। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো চক্রগুলোর কার্যক্রমকে গোপন এবং বিস্তৃত রাখার নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করছে। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রগুলো অসচ্ছল ও বেকার যুবক-যুবতী এবং কখনো কখনো গ্রামীণ নারীদের ব্যবহার করে, যারা সামান্য কমিশন বা টাকার লোভে জাল নোট বাজারে ছড়িয়ে দেয়।
অর্থনীতিতে জাল নোট প্রবেশ মানেই বাজারে পণ্যের উৎপাদন না বাড়িয়ে টাকার সরবরাহ বৃদ্ধি। এর ফলে কৃত্রিম অর্থের জোগান তৈরি হয়, যা প্রতিটি টাকার প্রকৃত মূল্য কমিয়ে দেয়। ফলস্বরূপ দেখা দেয় মুদ্রাস্ফীতি। যদিও মূল্যস্ফীতির অনেক কারণ আছে, জাল টাকার কৃত্রিম জোগান এটিকে আরও উসকে দিচ্ছে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ে, আর সীমিত আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায়।
মুদ্রা হলো বাজারে বিশ্বাসের প্রতীক। যদি মানুষ ও ব্যবসায়ীরা একে অপরের কাছ থেকে নোট গ্রহণে আস্থা না রাখে, তবে নগদ লেনদেন থমকে যায়। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। কারণ জাল নোট শনাক্ত করার প্রযুক্তি তাদের কাছে নেই। যেমন- ঈদের হাটে একটি জাল নোটের শিকার হওয়ার পর একজন সবজি বিক্রেতা রহিম শেখের সারা দিনের পরিশ্রমের পুঁজি মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায়। এই আস্থার সংকট দেশের লেনদেন ব্যবস্থাকে ধীর ও অস্থিতিশীল করে তোলে।
জাল নোট চক্রগুলো প্রায়শই সংগঠিত অপরাধ সিন্ডিকেটের অংশ। এই টাকা ব্যবহৃত হয় মাদক পাচার, অস্ত্র ব্যবসা ও অন্যান্য অবৈধ কার্যক্রমে। জাল নোট তৈরি করে আসল টাকার বিনিময়ে বাজারে ছড়িয়ে দেওয়া কালো অর্থনীতির পরিধি বাড়িয়ে দেয়। সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে এখনও বিদেশি চক্রের মাধ্যমে বাংলাদেশে জাল টাকা পাচারের প্রমাণ মিলছে, যা অর্থ পাচার ও নিরাপত্তা উভয়ের জন্যই হুমকি।
জাল টাকার সবচেয়ে বড় শিকার সাধারণ মানুষ। ছোট দোকানদার, ভ্যানচালক বা গ্রামীণ কৃষক-যাদের হাতে জাল নোট শনাক্তের যন্ত্র বা জ্ঞান নেই, তারা প্রায়ই অজান্তে এর শিকার হয়। পরে নোট ধরা পড়লে দায় নিতে হয় তাদেরই, দিনে উপার্জিত টাকাও ফিরে মেলে না। অনেকে বুঝতেই পারেন না, কখন বা কোথা থেকে জাল নোটটি হাতে এসেছে। উৎসবের সময় পশুর হাট বা গ্রামীণ বাজারে এমন ঘটনার হার আরও বেড়ে যায়। এক মুহূর্তে একজন গরিব কৃষকের দিনের পরিশ্রম মুছে যায়, যা তার জীবিকা ও আস্থার ওপর এক নীরব আঘাত।
জাল টাকার ব্যবসা এখন আর কয়েকজন প্রতারকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি এক জটিল চক্রে পরিণত হয়েছে, যেখানে প্রযুক্তি, অর্থ ও অপরাধ একসঙ্গে মিলে কাজ করে। কেউ তৈরি করে, কেউ ছড়ায়, কেউ বিদেশি মুদ্রা নকল করে। আইন প্রয়োগের দুর্বলতা কতটা ভয়াবহ এতে প্রতীয়মাণ হয়। যারা ধরা পড়ে, তারা আবার জামিনে বেরিয়ে আসে এবং আগের মতোই অপরাধে ফিরে যায়। এ যেন আইনের চোখে ধুলো দিয়ে বারবার একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি।
মনে রাখা দরকার, শুধু আইন প্রয়োগে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এটি একটি সামাজিক চ্যালেঞ্জও বটে। মানুষকে সচেতন না করলে, যত অভিযানই চালানো হোক না কেন, জাল টাকা আবার ফিরে আসবে। কারণ বাজারে টিকে থাকার মূল চাবিকাঠি হলো মানুষের আস্থা। যখন মানুষ নিজের হাতে ধরা নোটকেও বিশ্বাস করতে ভয় পায়, তখন অর্থনীতি অচল হয়ে যায়। এই ভয় দূর করা প্রয়োজন এবং তা সম্ভব কেবল নাগরিক সচেতনতার মাধ্যমেই ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আজ মহিমান্বিত ২৬শে রমাদ্বান শরীফ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, মুত্বহহারাহ, মুত্বহহিরাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো ২৫শে রমাদ্বান শরীফ! সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আল মুত্বহহারাহ, আল মুত্বহহিরাহ, মালিকাতুল জান্নাহ, মালিকাতুল কায়িনাত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে। দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত সরকারী হাসপাতালে নানা সংকট বেসরকারী হাসপাতাল অত্যন্ত ব্যয় বহুল জনগণের জন্য উভয় সংকট দূর করার দায়িত্ব সরকারের
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দেশে বছরে গ্যাষ্ট্রিকের ঔষধ বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার কোটি টাকার উপরে দ্বীনি অভিজ্ঞ চিকিৎসক মন্তব্য করেছেন- গ্যাষ্ট্রিকের ঔষধের বিরুদ্ধে বলা ছদকায়ে জারিয়া একটু সচেতনতা আর হাতের কাছের পথ্যেই গ্যাষ্ট্রিক নির্মূল সম্ভব
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুবারক হো পবিত্র ২৩শে রমাদ্বান শরীফ! আজ সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আল মুত্বহহারাহ, আল মুত্বহহিরাহ, মালিকাতুল জান্নাহ, মালিকাতুল কায়িনাত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বৈধ পথে বিদেশ গিয়ে ১০ বছরে অবৈধ হয়ে ফিরেছেন প্রায় ৭ লাখ বাংলাদেশী অভিবাসন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি দমনে পতিত সরকারের ন্যায় বর্তমান সব সরকারের নিষ্ক্রিয়তা- অতি নির্মম
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নিজেদের ক্যাশিয়ারদের সুযোগ করে দেয়ার জন্য পতিত সরকার দেশের চিনি শিল্পকে ধ্বংস করেছিলো। (নাউযুবিল্লাহ) যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা করলে অতীতের মত চিনি রফতানী করা যাবে ইনশাআল্লাহ খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ মহিমান্বিত সুমহান ২১ই রমাদ্বান শরীফ। যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমান্বিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ব্যয় বাড়লেও সুবিধার বাইরে ৭১ ভাগ দরিদ্র জনগোষ্ঠী। দারিদ্রের যাঁতাকল থেকে জনগণকে বের করে না আনলে দেশ অবিলম্বে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। বাঁচতে হলে খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনায়ই পাওয়া যাবে প্রকৃত নিরাপত্তা ও সফলতা ইনশাআল্লাহ
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করার লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী দেশের কঠিন নীল নকশা- জাল টাকার প্রবেশ ঘটানো জাল টাকার বিস্তার রোধে সরকার ও নাগরিকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহিমান্বিত সুমহান ১৮ই রমাদ্বান শরীফ। যা উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বহিরাহ, ত্বইয়্যিবাহ, বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো ১৭ই রমাদ্বান শরীফ! সুবহানাল্লাহ! আজকের এ মহান দিনে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি এবং আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি অর্থাৎ উনারা মহাসম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












