পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-“হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হিসাব গ্রহণের পূর্বে নিজের হিসাব করো।”
ইলমে তাছাওউফ উনার যাবতীয় কার্যাবলী তারতীব অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে এবং প্রতিটি আমলের জবাবদিহী এবং আত্মসমালোচনার জন্য ‘মুহাসাবা’ বা ‘নিজস্ব আমলের হিসাব গ্রহণ’ অতীব জরুরী।
প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- ইলমে তাছাওউফ অর্জন করত ইখলাছ ও কামালিয়াত হাছিল তথা খালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিলে মুহাসাবা তথা দৈনন্দিন আমলের প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে লিপিবদ্ধ।
, ০৫ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৯ সাদিস, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৭ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১২ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইলমে তাছাওউফ উনার যাবতীয় কার্যাবলী তারতীব অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে হয় বা করা আবশ্যক। আর এজন্য প্রতিটি আমলের জবাবদিহী এবং আত্ম সমালোচনা অতীব জরুরী। ইলমে তাছাওউফ উনার পরিভাষায় যাকে ‘মুহাসাবা’ বা ‘নিজস্ব আমলের হিসাব গ্রহণ’ বলা হয়। ইলমে তাছাওউফ-এ পুরুষ-মহিলা প্রত্যেক সালিকের জন্য মুহাসাবা আবশ্যক আমল। আর সহজভাবে এবং নিয়মিতভাবে মুহাসাবা সম্পন্ন করার জন্যই দৈনন্দিন আমলের প্রতিবেদন লিপিবদ্ধ করতে হয়।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলত, ইলমে তাছাওউফ অর্জন করত ইখলাছ ও কামালিয়াত হাছিল তথা খালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিলে মুহাসাবা তথা দৈনন্দিন আমলের প্রতিবেদন লিপিবদ্ধ করা অতীব জরুরী একটি বিষয়। যা প্রত্যেক সালিকের জন্য ফরয-ওয়াজিব। কেননা, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-“হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হিসাব গ্রহণের পূর্বে নিজের হিসাব করো।”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-“উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ওই আমল উত্তম যা নিয়মিত করা হয়, যদিও তা কম হোক না কেন।” অর্থাৎ বান্দা-উম্মত প্রত্যেককে কম হোক বা বেশি হোক প্রতিটি আমল নিয়মিত করতে হবে। পাশাপাশি মুহাসাবা তথা নিজের আমলের হিসাব নিজেকেই করতে হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইলমে তাছাউফ উনার সালিকদের জন্য কতিপয় বিষয় অতীব জরুরী তথা বাধ্যতামূলক। সেগুলো যথাযথভাবে সম্পাদন করা আবশ্যক। যেমন- (১) সালিককে মুবারক নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিকভাবে, দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক ‘ফালইয়াফরহূ’ তথা মীলাদ শরীফ পাঠ করা এবং আনজুমান মজলিস করা আবশ্যক। (২) তারতীব অনুযায়ী মুবারক ছোহবত ইখতিয়ার করা আবশ্যক। (৩) কিতাবে উল্লেখ করা হয়, যে সালিক নিজস্ব তরীক্বার শাজরা শরীফ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয় সে অকর্মণ্য। তাই নিয়মিত শাজরা শরীফ পাঠ করাও আবশ্যক। (৪) আক্বীদা বিশুদ্ধ করা ঈমানদারদের পূর্ব শর্ত বিধায় আক্বীদা বিশুদ্ধ করতে ছহীহ আক্বীদাহ সমৃদ্ধ কিতাবাদী সংগ্রহ, পাঠ ও প্রচার করা প্রত্যেক সালিকদের জন্য আবশ্যক। (৫) সিলসিলার জন্য শারীরিক ও আর্থিক খিদমত করা প্রত্যেক সালিকের জন্য আবশ্যক, যা রিয়াজত-মাশাক্কাত স্বরূপ। বিধায় প্রত্যেক সালিককে একদিকে শারীরিক খিদমতের আনজাম দিতে হবে। অপর দিকে আর্থিক খিদমতে আনজাম দিতে হবে। এছাড়া আরো কতিপয় জরুরী বিষয় রয়েছে যা সরাসরি মুবারক ছোহবত ইখতিয়ার এবং তালীম-তালকীন গ্রহণের মাধ্যমে জেনে নিতে হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, প্রত্যেক সালিকের দায়িত্ব হলো সালিকের উপর অর্পিত আবশ্যকীয় কর্তব্যসমূহ যথাযথভাবে পালন করে কামালিয়াত হাছিলের কোশেশ করা। যারা কর্তব্য বা দায়িত্বসমূহ যথাযথভাবে পালন করবেনা তারা কামিয়াবী হাছিল করবে কিভাবে? তারা সিলসিলার খিদমত করবে কিভাবে? তারা নিয়ামত হাছিল করবে কিভাবে? সর্বোপরি ইহকাল-পরকালে তাদের নাজাতই বা কিভাবে লাভ হবে? কাজেই, সকলকে তার কর্তব্যসমূহ যথাযথভাবে পালন করতে হবে এবং তার মুহাসাবা করত প্রতিদিন লিখতে হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- ইলমে তাছাওউফ উনার যাবতীয় কার্যাবলী তারতীব অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে এবং প্রতিটি আমলের জবাবদিহী এবং আত্ম সমালোচনার জন্য ‘মুহাসাবা’ বা ‘নিজস্ব আমলের হিসাব গ্রহণ’ অতীব জরুরী। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- ইলমে তাছাওউফ অর্জন করত ইখলাছ ও কামালিয়াত হাছিল তথা খ¦ালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিলে মুহাসাবা তথা দৈনন্দিন আমলের প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে লিপিবদ্ধ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- হামদ্ শরীফ, না’ত শরীফ, ক্বাছীদাহ শরীফ ইত্যাদি লেখা বা রচনা করা, পাঠ বা আবৃত্তি করা এবং শ্রবণ করা সবই খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- বেশি বেশি হামদ্ শরীফ, না’ত শরীফ, ক্বাছীদাহ শরীফ ইত্যাদি লেখা বা রচনা করা, পাঠ বা আবৃত্তি করা এবং নিয়মিত শ্রবণ করা।
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বর্তমানে মুসলমান উনারা যে সারাবিশ্বে যুলুম ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন তার একটাই কারণ- মুসলমান উনারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের থেকে অনেক দূরে সরে গেছেন। অতএব, মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- খালিছ তাওবা-ইস্তিগফার করে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ়চিত্ত থাকা এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হওয়া। তাহলে মুসলমান উনাদের উপর থেকে এই চরম অশান্তি দূর হয়ে যাবে এবং সমস্ত কাফির-মুশরিকরা সম্মানিত মুসলমানদের অধীন হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ!
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি উত্তম আচরণকারীগণই ছালিহীন হিসেবে পরিগণিত হবেন। একইভাবে ছালিহীন হতে হলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি উত্তম আচরণ করতে হবে, উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে হবে। তাই সকল মু’মিন-মু’মিনার জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বেশি বেশি আলোচনা করা, উনাদেরকে মুহব্বত করা, উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক হতে ইবরত-নছীহত হাছিল করা, উনাদের মুবারক শানে সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করা এবং সর্বক্ষেত্রে উনাদেরকে মুবারক ইতায়াত করা। তবেই কামিয়াবী হাছিল করা সহজ এবং সম্ভব হবে।
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
যারা পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করা থেকে বিরত থাকবে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার সম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদেশ-নিষেধ মুবারক অনুযায়ী জীবন পরিচালিত করে দুনিয়া হতে বিরাগ হয়ে পরকালের দিকে হাক্বীক্বীভাবে রুজু হওয়া।
২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যাদেরকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভূক্ত হিসেবে ঘোষণা মুবারক করেছেন উনাদের মধ্যে সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি অন্যতম। সুবহানাল্লাহ!
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুসারে-‘যে পুরুষ ও মহিলা নিজে পর্দা করে না ও অধীনস্থদের পর্দায় রাখে না, সে দাইয়্যূছ।’ নাউযুবিল্লাহ!
২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দুনিয়া একটি মৃত প্রাণী থেকেও অতি নিকৃষ্ট। যে যত বেশি দুনিয়া ত্যাগ করতে পারবে সে তত বেশি মহান আল্লাহ পাক উনার মুহাব্বত-মারিফত, নিসবত-কুরবত হাছিল করতে পারবে। ইনশাআল্লাহ!
২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস লাভ করার পরও যারা নিজেদের গুণাহখতা ক্ষমা করাতে পারবেনা, তাদের জন্য আফসুস। তাই প্রত্যেকের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- শরয়ী নির্দেশনা অনুযায়ী রোযা রেখে তারাবীহসহ প্রতি ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের সাথে সাথে দায়েমীভাবে হালালে মশগুল হয়ে সর্বপ্রকার হারাম হতে বিরত থাকার মাধ্যমে তাক্বওয়া হাছিল করে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার হক্ব যথাযথ আদায় করা।
২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির সমস্ত কামিয়াবীর সোপান। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- ইলমে তাছাউফের তারতীব অনুযায়ী গাইরুল্লাহ হতে বিমুখ হয়ে একাগ্রতার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনাকে স্মরণ করা বা উনার যিকির করা এবং মহান আল্লাহ পাক উনার দিকেই খালিছভাবে রুজু হওয়া।
২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত হযরত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি ও আখেরী রসূল মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন, এছাড়া বাকি সব কিছু। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত হযরত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সমুন্নত শান-মান মুবারক নিয়ে সংশয় ও সন্দেহ করা, উনাদের সমালোচনা করা সুস্পষ্ট হারাম, কুফরী ও কবীরাহ গুণাহ এবং কঠিন লা’নতগ্রস্ত হওয়ার কারণ। মূলত, উনারাই হচ্ছেন ঈমান এবং জান্নাতের মালিক। উনাদের প্রতি ঈমান না আনলে ঈমানদার হওয়া যায়না। জান্নাতীও হওয়া যায়না।
২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বান্দা-বান্দী যদি মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য করে, উনার প্রতি তাওয়াক্কুল করে, উনার শোকরগুজারী করে এবং তাক্বওয়া অবলম্বন করে, তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদেরকে ইতমিনান দান করবেন এবং এমন কুদরতী রিযিক দান করবেন, যা সে কল্পনাও করতে পারবে না।..
২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ ও পবিত্র রোযা উনার মূলই হচ্ছে - সর্বপ্রকার হারাম, নাজায়িয অর্থাৎ মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার বিরোধী সর্বপ্রকার কাজ থেকে বিরত থাকা।
১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












