‘স্থল-সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম বাড়াতে হবে’
, ০৭ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৭ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ১২ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দেশের খবর
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। সরকারের সামনের চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে অন্যতম বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত। এ খাত নিয়ে রয়েছে নানাবিধ সংকট।
সরকারের সামনের দিনের কাজ কেমন হওয়া উচিত? দেশের বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত ভর্তুকি থেকে কতটা বের হতে পারবে? এসব নিয়ে কথা বলেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ^বিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক, জ্বালানি ও টেকসই উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন।
বর্তমানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সবচেয়ে বড় কাঠামোগত দুর্বলতা কোথায় দেখছেন?
ড. ইজাজ হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ খাতে এই যে বিপুল পরিমাণে ভর্তুকি, এটা আনসাসটেইনেবল। আগের সরকার এটায় বাড়তে দিয়েছে। গত সরকারও কমানোর চেষ্টা করেনি। প্রথমত, আমাদের দেখতে হবে এই যে এত বড় সাবসিডি, এটা কীভাবে কমানো যায়। কিন্তু কমাতে গেলেই কিছু ফ্যাক্টরাল সমস্যা বের হয়ে আসবে। তখন সেগুলো অ্যাড্রেস করতে হবে।
আমাদের তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ১০ বছর হয়ে গেছে, এগুলো সরাবার ব্যাপারে আমরা কথা বলছি। আওয়ামী লীগ সরকার এগুলো তৈরি করেছিল। শেষ দিকে তারাও বলেছিল এগুলো শেষ করে দেবে। করবো করবো করে আর করেনি। তারপরে সরকার এলো, তারা দেখলো কিন্তু কিছু করলো না। এখন এবারও বলছে রমজানে লোডশেডিং না রাখতে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাবে।
আমাদের প্রায় ৬ হাজার মেগাওয়াট তেলভিত্তিক কেন্দ্র। এত টাকা খরচ করে এগুলো যদি চালিয়ে রাখতে চাই তাহলে তো লোডশেডিংমুক্ত রাখতেই পারি। সারাবছর যদি খরচ করতে হয়, এত বাড়বে আমরা শেষ হয়ে যাবো। রমজানের জন্য ঠিক আছে, এর পরে এগুলো চালু রাখা ঠিক হবে না। তবে সরকার কীভাবে এই কেন্দ্রগুলো সরাবে তার একটা কর্মসূচি হাতে নিতে হবে।
তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সরানোর আরেকটা উপায় হচ্ছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বাড়ানো। আগের সরকারগুলো বলেছে বাড়াবে কিন্তু বাড়াতে পারেনি। দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে। আমরা যদি ইন্ডাস্ট্রি সেক্টরকে প্রাধান্য দিয়ে কয়লা-গ্যাস যতটা সম্ভব ইমপোর্ট করতে পারি, তাহলেও আমাদের প্রতি কিলোওয়াটে ৪-৫ টাকা করে সাশ্রয় হয়।
আরেকটা বিষয় আমি মনে করি, যারা আমাদের এই সেক্টরে এত লুটপাট করলো, তাদের তো পানিশমেন্ট দেওয়া হলো না। সবগুলো প্রাইভেট পাওয়ার প্ল্যান্টের সঙ্গে বসে বলতে হবে ‘তোমরা এক ভাগ নাও’। এই যে ক্যাপাসিটি চার্জ নিয়েই তো তোমরা মুনাফা করেছ। এজন্য তাদের থেকেও কিছু আদায় করতে হবে। আর পাওয়ার সেক্টরে গভর্ন্যান্স (সুশাসন) এবং এফিসিয়েন্সি এনে আরও কিছু কমানোর চেষ্টা করতে হবে।
ক্যাপাসিটি চার্জ ইস্যু নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে-এটি পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন কি?
ড. ইজাজ হোসেন বলেন, এটা পুনর্মূল্যায়ন জরুরি। তাদের সঙ্গে বসতে হবে। একটা নেগোশিয়েট করে যা-ই কমানো যায়, সেটি কমাতে হবে। ক্যাপাসিটি চার্জ বন্ধ করা সম্ভব না সেটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু পানিশমেন্ট তো দেওয়া যায়। আমেরিকার মতো দেশেও কোম্পানিগুলো অন্যায় করলে তাদের ফাইন করা হয়।
‘আমরা একটা অপেক্ষায় ছিলাম নতুন সরকার এলে অফশোর (সমুদ্র) এক্সপ্লোরেশন শুরু হবে। এটা করে ফেলতে হবে। আর অনশোর (ভূমি) এক্সপ্লোরেশনটাও বাড়াতে হবে।’
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
‘আমার ছেলেও গেল, আমরাও শেষ হয়ে গেলাম’
০৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সরকারি চিকিৎসক রোগী দেখছিলেন বেসরকারিতে, ধরে ফেললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
০৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
গত ১ মাসে ৪৫৮ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৬
০৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সবুজ কারখানা গড়েও বাড়তি দাম পাচ্ছেন না পোশাক রপ্তানিকারকরা
০৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সবুজ কারখানা গড়েও বাড়তি দাম পাচ্ছেন না পোশাক রপ্তানিকারকরা
০৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
‘র্যাব’ বিলুপ্ত করে আসছে ‘এসআরবি’
০৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
প্রশাসনের শীর্ষ পদে আসছে বড় পরিবর্তন
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আবার সক্রিয় হচ্ছে ফুয়েল পাস, প্রথমে কার্যকর মোটরসাইকেল চালকদের জন্য
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মান খারাপ, ভারতের সাড়ে ১১ হাজার টন চাল ফেরত পাঠাল বাংলাদেশ
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
অনলাইন ব্যবহার না করার শর্তে ১৩ বছরের মায়ের কাছে ফিরলো ৭ মাসের শিশু
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
রাস্তার ইট তুলে বিক্রি করে দিলেন ইউপি মেম্বার
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রী-সচিবদের সিল-স্বাক্ষর প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৫
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












