মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- (তোমরা বলো- মহান আল্লাহ পাক) আমাদেরকে সরল-সঠিক পথ প্রদর্শন করুন। অর্থাৎ আপনার হাবীব ও মাহবুব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথ মুবারক দান করুন। তাদের পথ নয়, যারা গযবপ্রাপ্ত ও বিভ্রান্ত। অর্থাৎ কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন, বদদ্বীন, ইহুদী, নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসীদের পথ নয়।
সাধারণ মুসলমান ও প্রশাসন সকলের জন্যই ফরয হচ্ছে- প্রতিক্ষেত্রে ছিরাতুল মুস্তাক্বীম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেই অনুসরন করা, আর কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন, বদদ্বীন, ইহুদী, নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসীদের সকল প্রকার মত-পথ থেকে সর্বোতভাবে দূরে থাকা ও জনগণকে দূরে রাখা। মুসলমান প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামাযে ১৭ বার, ওয়াজিব নামাযে ৩ বার, আর সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাযে ১২ বারসহ কমপক্ষে মোট ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করে এবং উপরোক্ত দোয়া করে।
অথচ তারাই আবার নামায থেকে ফারেগ হয়ে ছিরাতুল মুস্তাক্বীম বা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র পথ মুবারক বাদ দিয়ে সূদ খাচ্ছে, ঘুষ খাচ্ছে, দূর্নীতি করছে, ইহুদী-নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসী, মুশরিকসহ তাবৎ কাফির-মুশরিকদের মত-পথ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র, মাওবাদ, লেলিনবাদ, হরতাল, লংমার্চ, গান-বাজনা, খেলাধুলা, ছবি, ভিডিও, ফেসবুক, বেপর্দা-বেহায়াপনা ইত্যাদি হারাম ও নাফরমানীমূলক কাজে মশগুল হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এই পবিত্র সূরা শরীফ উনার প্রথম অংশে মহান আল্লাহ পাক উনার ছানা-ছিফত মুবারক উল্লেখ করা হয়েছে। আর দ্বিতীয় অংশে মহান আল্লাহ পাক উনার যিনি হাবীব ও মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রদর্শিত ও অনুসৃত ‘ছিরাতুল মুস্তাক্বীম’ পথ মুবারকে চলার জন্য বলা হয়েছে। আর বিপরীতে উনার যারা মুখালিফ বা বিরোধী কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন, বদদ্বীন, ইহুদী, নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসীদের পথে চলতে নিষেধ করা হয়েছে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, উল্লেখ্য, ‘ছিরাতুল মুস্তাক্বীম’ বলতে মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারই অনুসৃত পথ মুবারক সে সর্ম্পকে পবিত্র সূরা ইয়াসীন শরীফ উনার শুরুতে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে, “মহাসম্মানিত ইয়াসীন ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মহাপবিত্র হিকমতপূর্ণ কুরআন শরীফ উনার কসম! নিশ্চয় আপনি (আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আপনার অনুসৃত পথ মুবারক-ই ছিরাতুল মুস্তাক্বীম অর্থাৎ সরল-সঠিক পথ।”
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে সমস্ত নিয়ামত মুবারক হাদিয়া করেছেন। নিশ্চয় আমিই সেসব নিয়ামত মুবারকের বণ্টনকারী। (মেশকাত শরীফ, মুু’জামুল কবীর, মুসনাদে আবী ইয়া’লা ইত্যাদি) অর্থাৎ খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমস্ত নিয়ামত মুবারকের মালিকানা হাদিয়া করেছেন বা মালিক করে দিয়েছেন। আর তিনি উম্মতকে যার যার অবস্থা অনুযায়ী নিয়ামত মুবারক প্রদান করে থাকেন। উনার প্রদত্ব নিয়ামত মুবারকের হিস্সা লাভ করেই হযরত আম্বিয়া কিরাম আলাইহিমুস সালাম, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম এবং হযরত আউলিয়া কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারাও নিয়ামতপ্রাপ্ত বান্দাদের অর্ন্তভুক্ত হয়েছেন।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “আমি এবং আমার আদর্শ মুবারকের অনুসারী আমার হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রদর্শিত বা অনুসৃত পথ মুবারক হচ্ছে জান্নাত হাছিলের একমাত্র পথ। অর্থাৎ উক্ত পথ মুবারক-ই হচ্ছে “ছিরাতুল মুস্তাক্বীম” বা সঠিক পথ, হিদায়েত মুবারকের পথ, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার পথ।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মুসলমান প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামাযে ১৭ বার, ওয়াজিব নামাযে ৩ বার, আর সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাযে ১২ বারসহ কমপক্ষে মোট ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করে বলে- (তোমরা বলো- মহান আল্লাহ পাক) আমাদেরকে সরল-সঠিক পথ প্রদর্শন করুন। অর্থাৎ আপনার হাবীব ও মাহবুব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথ মুবারক দান করুন। তাদের পথ নয়, যারা গযবপ্রাপ্ত ও বিভ্রান্ত। অর্থাৎ কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন, বদদ্বীন, ইহুদী, নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুছীদের পথ নয়। অথচ তারাই আবার নামায থেকে ফারেগ হয়ে ছিরাতুল মুস্তাক্বীম বা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র পথ মুবারক বাদ দিয়ে সূদ খাচ্ছে, ঘুষ খাচ্ছে, দূর্নীতি করছে, ইহুদী-নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসী, মুশরিকসহ তাবত কাফির-মুশরিকদের মত-পথ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র, মাওবাদ, লেলিনবাদ, হরতাল, লংমার্চ, গান-বাজনা, খেলাধুলা, ছবি, ভিডিও ফেসবুক, বেপর্দা-বেহায়াপনা ইত্যাদির মধ্যে মশগুল হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কাজেই সাধারন মুসলমান ও প্রশাসন সকলের জন্যই ফরয হচ্ছে- প্রতিক্ষেত্রে ছিরাতুল মুস্তাক্বীম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেই অনুসরন করা, আর কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন, বদদ্বীন, ইহুদী, নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসীদের সকল প্রকার মত-পথ থেকে সর্বোতভাবে দূরে থাকা ও জনগণকে দূরে রাখা।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাধারণ মুসলমান ও প্রশাসন সকলের জন্যই ফরয হচ্ছে- প্রতিক্ষেত্রে ছিরাতুল মুস্তাক্বীম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেই অনুসরন করা, আর কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন, বদদ্বীন, ইহুদী, নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসীদের সকল প্রকার মত-পথ থেকে সর্বোতভাবে দূরে থাকা ও জনগণকে দূরে রাখা। মুসলমান প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামাযে ১৭ বার, ওয়াজিব নামাযে ৩ বার, আর সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাযে ১২ বারসহ কমপক্ষে মোট ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করে এবং উপরোক্ত দোয়া করে।
০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাংলাদেশে পবিত্র জুমাদাল ঊখরা শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে আগামী ২৯শে জুমাদাল ঊলা শরীফ ১৪৪৮ হিজরী, ১২ই সাদিস ১৩৯৪ শামসী, ১০ই নভেম্বর ২০২৬ খৃঃ, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) দিবাগত সন্ধ্যায়। মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘আইয়ামুল্লাহ’ অর্থাৎ সম্মানিত বিশেষ বিশেষ দিনসমূহের কথা উল্লেখ করেছেন। আর এই সম্মানিত দিনসমূহের নিয়ামতসমূহ কখনোই পাওয়া যাবে না যদি চাঁদ দেখে সঠিক তারিখে আরবী মাস শুরু করা না হয়।
০৫ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান এবং রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনাদের এই দেশে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ীই শাসনকার্যসহ সর্বপ্রকার কার্যপরিচালিত হবে। এটাই এ দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানরা মনে-প্রাণে চেয়ে থাকে এবং এটাই তাদের একান্ত দাবি। তাই বাংলাদেশের সংবিধানে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ বিরোধী যত আইন রয়েছে তা বাদ দিয়ে পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী সংবিধান রচনা করতে হবে।
০৪ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ বরকতময় বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফ মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম উনাদের আযীমুশ শান নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাইয়্যিদুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম উনার নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নাজাতের উসীলা। সুবহানাল্লাহ! এসব মহান দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা।
০৩ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! রবীবাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই উনার সম্মানার্থে উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করা অর্থাৎ পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ ও দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করা মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য।
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সালাম আদান-প্রদান করা হচ্ছেন ‘শিয়ারুল ইসলাম’। সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- এক মুসলমান আরেক মুসলমানকে সালাম দেয়া খাছ সুন্নত। আর ‘সালাম’ এর জাওয়াব দেয়া হচ্ছে ওয়াজিব। সুবহানাল্লাহ! তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনদের নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা বাদ দিয়ে সুন্নত তরীক্বা অনুযায়ী পরস্পর-পরস্পরকে সালাম আদান-প্রদান করা।
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ পবিত্র বরকতময় ১৯শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! দশম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, হাকিমুল হাদীছ, শাইখুল ইসলাম, হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এ উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করে এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করে উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক হতে ইবরত-নসীহত মুবারক হাছিল করে তা আমলে বাস্তবায়ন করা।
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ইলম হচ্ছে আমলের ইমাম।” মুসলমান হিসেবে বেঁচে থাকতে হলে সম্মানিত ইসলামী শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। এদেশের মোট জনসংখ্যার ৯৮ ভাগ মুসলমান। এদেশের ভবিষ্যত প্রজন্মকে সঠিকভাবে পরিচালিত করতে হলে ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে।
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
তাই প্রত্যেক জিন-ইনসান, পুুরুষ-মহিলা, ছেলে-মেয়ে, ছোট-বড় সকলের জন্য ফরজে আইন হচ্ছে- মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ঈমান আনার সাথে সাথে উনাকে মুহব্বত করা। পাশাপাশি উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, উনাদের প্রতি সুধারণা পোষণ করা, উনাদেরকে সম্মান বা তা’যীম-তাকরীম করা, উনাদের প্রশংসা বা ছানা-ছিফত করা এবং উনাদের খিদমত বা গোলামী মুবারকে যথাযথ আন্জাম দেয়ার কোশেশ করা।
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার নির্দেশ মুবারক হলো- কিছু লোককে ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফে পূর্ণ দক্ষতা অর্জন করে হাক্বীক্বী ফক্বীহ ও হাদী হতে হবে। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি দেশের লোকদেরকে সম্মানিত দ্বীন বা সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার আদেশ-নির্দেশ মুতাবিক চলার অর্থাৎ পাপ কাজ পরিহার করা ও নেক কাজে মশগুল থাকার জন্য দৃঢ়তার সাথে শক্তভাবে নছীহত করতে হবে।
২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ৬ দিন বাকি। এ মহান দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র মহাসম্মানিত আযীমুশ্শান নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- এ মহান দিবস অত্যন্ত জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপনে এখন থেকেই সার্বিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করা।
২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ছুবহে ছাদিকের সময় বরকতময় তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেছেন। তাই, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘বার’। আর ছুবহে ছাদিক হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওক্বাত শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘সময়’।
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












