ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১৮৩)
, ২০ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৮ আউওয়াল, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৭ জুন, ২০২৬ খ্রি:, ২৪ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
তাহলে কত পবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। একমাত্র যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা ছাড়া সব থেকে উনারা বেনিয়াজ। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটাই হচ্ছে ছমাদিয়াত ও ত্বহারাতের মাক্বাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কাজেই বিষয়টা অত্যন্ত সুক্ষ্ম ও কঠিন বিষয় বুঝাটা। অত্যন্ত সুক্ষ্ম বিষয়, যে উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত কতটুকু মানুষ কি বর্ণনা করবে। পুঁথিগত বিদ্যা, ভাষাগত দিক থেকে বর্ণনা করে কিন্তু হাক্বীক্বতান বুঝা সম্ভব না। কঠিন বিষয়। মানুষ কি করে বলবে, কি ধারণা করবে। এইজন্যেতো পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে বলা হয়েছে, কি বলা হয়েছে? এক নম্বার হচ্ছে উনারা একক, অনন্যা। উনাদের সাথে কারো কোন মেছাল নেই। দ্বিতীয়ত উনাদের এমন পবিত্রতা যে উনারা পবিত্র থেকে পবিত্রতমা, উনারা পবিত্রতা দানকারী। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যেটা আমি বলে থাকি,
اَلصَّحْبَةُ مُتَأَثِّرَةٌ
সংসর্গ তাছির করে। কি রকম? আগুনের কাছে বসলে গরম লাগে। ফ্যান এসির নিচে বসলে ঠান্ডা লাগে, এটি একটা স্বাভাবিক বিষয়। কোন অসাভাবিক না। সূর্যটা গরম কালে কাছে আসে আর শীত কালে দূরে থেকে যায়। ত্রিশ লক্ষ মাইল আগে পরে হয় যার কারণে ঠান্ডা গরম অনুভূত হয়। এই যে বিষয়টা তাহলে হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিছবত কুরবত ছোহবত মুবারক নিতে হয় তাহলে সেটার তাছিরটা কি হবে? আর উনাদের ছোহবত মুবারক যদি না হয় তাহলে তার তাছিরটা কি হবে? অবশ্যই ব্যতিক্রম হবে। এটা ফিকির করতে হবে। বিষয়গুলো মানুষ ফিকির করে না যার জন্য বুঝে না। আর যেহেতু এ বিষয় ফিকির করার যোগ্যতা মানুষের নাই। রুহানী ত্বরক্বী ছাড়া, অন্তরের ইছলাহ ছাড়া এটা কখনও বুঝা সম্ভব না। ভাষাগত বলা যাবে, কিতাবে বর্ণনা করা যাবে কিন্তু হাক্বীক্বত বলা সম্ভব হবে না উনাদের খুছূছিয়াত মুবারক। উনারা এতো পবিত্রতম থেকে পবিত্রতম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এরপরও সেই মূর্খ লোকগুলি বলে থাকে,
اَلْمَرْءُ يَقِيْسُ عَلى نَفْسِهِ
(প্রত্যেকেই অন্যকে নিজের মতো ধারণা করে।) উনারা নাকি নানান এলোমেলো কাজ করেছেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এখন এর ফায়সালাটা কি? এটারতো কোন ফায়সালা নেই। এখন আমাদের কাছে কোন ফায়সালা নেই। আমরা সম্মানিত শরীয়ত উনার যে ফতওয়া সেটা দিব। আর যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং যিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা ফায়সালা করবেন পরকালে। এখানে কোন ফায়সালা নেই। কাজেই বিষয়টা কিন্তু খুব ফিকির করতে হবে। উনাদের শান-মান মুবারক নিয়ে চূ-চেরা করার কোন সুযোগ নেই। সেটাই বলা হচ্ছে, যখন ইফক্বের ঘটনা ঘটে গেল মানুষ শুনলো, যারা মুনাফিক্ব তারাতো চূ-চেরা কিল ও কাল করতে থাকলো। কিছু লোক সহযোগী হয়ে গেল, না বুঝার কারণে। কিছু লোক উনারা অবশ্যই প্রতিবাদ করেছেন, আর কিছু লোক চুপ হয়ে গেল। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন। কি বললেন?
لَوْلا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ ظَنَّ الْمُؤْمِنُونَ وَالْمُؤْمِنَاتُ بِأَنفُسِهِمْ خَيْرًا وَقَالُوا هَذَا إِفْكٌ مُّبِينٌ.
তোমরা মু’মিনরা যখন শুনতে পেলে উনাদের শান মুবারকে কেন তোমরা সুধারণা পোষণ করলে না। ঈমানদাররা কেন সুধারণা পোষণ করলে না। আর কেন বললে না। এটা অবশ্যই একটা কাট্টা মিথ্যা অপবাদ কেন বললে না। কিন্তু যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই বলে দিচ্ছেন, তোমাদের অনেক বড় অপরাধ হয়ে গেছে। কেন তোমরা শুনার পর বললে না যে উনারাতো নিখূত, উনারাতো পবিত্র থেকে পবিত্রতম, পবিত্রতা দানকারী। কেন তোমরা সেটা ধারণা পোষণ করলে না। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এই ধারণা পোষণ করার জন্য বলে দিয়েছেন। তাহলে বুঝা যাচ্ছে, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ বিশুদ্ধ হুসনে যন পোষণ করতে হবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১৪)
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা পালন করা পুরুষ-মহিলা সবার জন্য ফরজ
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কাফির মুশরিকদের থেকে দূরে থাকতে এবং তাদেরকেও দূরে রাখার ব্যাপারে নির্দেশ মুবারক
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
১৩ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাওয়ানেহ উমরী মুবারক (২)
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রসঙ্গ মূর্তি-ভাস্কর্য দ্বীন ইসলামে নিষিদ্ধ (৪)
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাফরমানীমূলক কাজ
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
যেই ২৬ খানা আয়াত শরীফ বাদ দেয়ার জন্য ভারতের আদালতে রিট করেছিলো ইসলামবিদ্বেষীরা
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












