ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১৭৪)
, ২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
একাধিক পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহাসম্মানিত মহপবিত্র হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لاَ تُؤْذِينِي فِي سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ
(পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, এক নম্বর।) আমাকে কষ্ট দিও না সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার ব্যাপারে। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমাকে কষ্ট দিও না হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের ব্যাপারে। নুযূল খাছ হুকুম আম। অর্থাৎ একটা বিষয় নিয়ে বলা হয় কিন্তু হুকুমটা ব্যাপক হয়। যে, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার শান মুবারকে বলেন, আমাকে কষ্ট দিও না। তোমরা ইফক্বের ঘটনা ঘটিয়েছ ইত্যাদি ইত্যাদি। নাউযুবিল্লাহ! এরপর আমভাবে বলেছেন-
لاَ تُؤْذِينِي فِي حَضْرَتْ اُمِّهَاتِ الْمُؤْمِنِيْنَ عَلَيْهنَّ السَّلَامُ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের ব্যাপারে আমাকে কষ্ট দিও না। নাউযুবিল্লাহ! এটাই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
إِنَّ الَّذِينَ يُؤْذُونَ اللهَ وَرَسُولَهٗ لَعَنَهُمُ اللهُ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَأَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا مُّهِينًا
নিশ্চয়ই যারা যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দেয় তাদের প্রতি ইহকাল-পরকালে লা’নত এবং কঠিন শাস্তি রয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ! আরেক পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَالَّذِينَ يُؤْذُونَ رَسُولَ اللهِ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ
যারা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দিলো তাদের জন্য কঠিন শাস্তি রয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ! তাহলে এখানে মানুষ ফায়সালা কি করবে? কতটুকু ফায়সালা করবে? কি আক্বীদা পোষণ করবে? এটা শিখতে হবে। মানুষতো জানে না। এজন্য আমরা বলি, উনাদের আলোচনা বেশি করা দরকার। অনেক করা দরকার। বারবার করা দরকার। মুখস্থ ঠোটস্থ কন্ঠস্থ করতে হবে। উনাদের প্রতি আক্বীদা শুদ্ধ করতে হবে। উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে হবে।
বিষয়টি সেই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনারই একই অংশ। অর্থাৎ যেটা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে-
لاَ يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتّٰى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَّالِدِهٖ وَوَلَدِهٖ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ
(এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বলা হচ্ছে। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন,) কেউ ঈমানদার হতে পারবে না সমস্ত কিছু থেকে বেশি আমাকে মহব্বত না করা পর্যন্ত, ধন-দৌলত, টাকা-পয়সা, গাড়ি-বাড়ি, ছেলে- মেয়ে, আল্-আওলাদ, সমস্ত মানুষ সবকিছু থেকে। শুধু এতটুকু না। উনাকে মহব্বত মুবারক করতে পারবে না হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে মহব্বত মুবারক না করা পর্যন্ত। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেটাই হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বলেছেন-
لِي ولَنَا وَقْتٌ مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَسْعٰنِي فِيهِ مَلَكٌ مُّقَرَّبٌ، وَلَا نَبِيٌّ مُّرْسَلٌ،
আমাদের সাথে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এমন নিসবত মুবারক রয়েছেন যার মধ্যে কোন নৈকট্যশীল ফেরেশতা, কোন নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রবেশ করার কোন সুযোগ নেই। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটার আরো অনেক হাক্বীক্বত আছে, সময় হলে অন্য সময় আমি বলব। এখানে বলা হচ্ছে আমাদের এমন নিছবত, কুরবত মুবারক রয়ে গেছেন যেখানে কারো কোন স্থান নেই। সে যেই হোক, কারো স্থান নেই। মানুষ এটা জানে না উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান। কাজেই বিষয়গুলি ফিকিরের বিষয়। উনাদের নিছবত, কুরবত, মহব্বত, রেজামন্দী-সন্তুষ্টি মুবারকই সব, আর কিছু না। আর উনাদের সম্পর্কে বিন্দু থেকে বিন্দু, জাররা থেকে জাররা পরিমাণ কেউ যদি চূ-চেরা করে সে কাট্টা কাফির, চির জাহান্নামী, এতে কোন সন্দেহ নাই। কোন সন্দেহ নাই। কাজেই এগুলি মনে রেখে আক্বীদাগুলোকে শুদ্ধ করতে হবে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহিলাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ নির্দেশনা মুবারক- পর্দা পালন করা
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
অকাট্য দলীল দ্বারা সুস্পষ্টভাবে “গান-বাজনা” হারাম
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (২)
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানদের জন্য সমস্ত খেলাধুলা হারাম
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
কাফিররা যতই মাল-সম্পদ খরচ করুক, তারা মুসলমানদের নিকট পরাস্ত হবেই হবে
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পর্দা পালন করা পুরুষ-মহিলা সবার জন্য ফরজ
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












