ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
তাক্বওয়া হাছিল করার গুরুত্ব-ফযীলত (২৪)
, ২৭ রবিউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২১ খমীছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ২০ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রি:, ০৪ কার্তিক, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রেরণ করেছেন কেন, জানেন?
চারটা পবিত্র আয়াত শরীফ আছে এক রকম। তার মধ্যে একটা পবিত্র আয়াত শরীফ হচ্ছে মূল। সেটা বললে বাকীগুলো হয়ে যাবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
لَقَدْ مَنَّ اللهُ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ إِذْ بَعَثَ فِيهِمْ رَسُولًا مِنْ أَنْفُسِهِمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِنْ كَانُوا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
অর্থাৎ মু’মিনদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার ইহসান, তাদের মধ্য থেকে তাদের জন্য একজন রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রেরণ করেছেন। কেন?
يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ
তিলাওয়াত করবেন আয়াত শরীফ।
وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ
কিতাব শিক্ষা দিবেন, হিকমত শিক্ষা দিবেন। তাযকিয়া করবেন।
وَإِنْ كَانُوا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ
যদিও তারা পূর্বে হিদায়াতপ্রাপ্ত ছিল না। ”
তাযকিয়া করবেন, কি তাযকিয়া করবেন? কিসে ইছলাহ করবেন আপনাকে? আপনার দিলকে ইছলাহ করতে হবে। মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন, তাযকিয়া নফ্স্, তাযকিয়া ক্বাল্ব্। দিলকে আপনার পরিশুদ্ধ করার জন্য।
এখন দিলকে যে আপনি পরিশুদ্ধ করবেন সেটাই মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেটা তা’লীম দিয়েছেন। সে জন্যে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে পর্যায়ক্রমে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ, ইমামগণ এসেছেন।
ইমামে আ’যম হযরত আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি যার সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে- হযরত শাহ আবদুল আযীয মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি যিনি পাক ভারতে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার প্রচার-প্রসার করেছেন এবং বিশ্ববিখ্যাত বুযূর্গ, আলেম, অনেক ছানা-ছিফত উনার, অনেক উনার মর্তবা, মর্যাদা রয়ে গেছে। উনি ‘ইছনা আশারিয়াহ’ নামে একটা কিতাব লিখেছেন। আর একটা কিতাব লিখা হয়েছে ‘সাইফুল মুকাল্লেদীন’।
ঐ কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে, হযরত ইমাম আ’যম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনি বলেছেন-
لَوْلَا سَنَتَانِ لَهَلَكَ اَبُو نُعْمَانَ
অর্থাৎ ‘আমি ইমাম আ’যম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি ধ্বংস হয়ে যেতাম দুই বছর না পেলে। ”
কেন? কোন্ দুই বছর না পেলে উনি ধ্বংস হয়ে যেতেন? যে দুই বৎসর উনি উনার পীর ছাহেব ক্বিবলা উনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করেছেন। ঐ কিতাবগুলোতে এবং ‘দুররুল মুখতার’ কিতাবে উনার সিলসিলা, পীর ছাহেব ক্বিবলা উনার নাম উল্লেখ করা হয়েছে যে, উনি প্রথম বাইয়াত হয়েছিলেন ইমামুল খামিস মিন আহলে বাইতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত ইমাম বাকের আলাইহিস সালাম উনার কাছে।
অনেকে বলে থাকে, ‘হযরত ইমাম আ’যম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কোথাও বাইয়াত হননি। ’ এটা ভুল কথা। ‘সাইফুল মুকাল্লেদীন’, ‘ইছনা আশারিয়াহ’, হযরত শাহ আবদুল আযীয মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাব এবং ‘দুররুল মুখতার’ কিতাবে দেখবেন উনার সিলসিলা এবং উনার পীর ছাহেব উনার নাম মুবারক উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
কোন মুসলমানের জন্য কাফির-মুশরিকদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা জায়েয নেই
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড এর পরিচিতি এবং উদ্দেশ্য (৬)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (১৩)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (১৩)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ক্বদরের রাত্রিতে হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম যমীনে নাযিল হয়ে তিন ব্যক্তির উপর খাছ রহমত বর্ষণের দুআ করেন-
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আসমাউর রিজাল, জারাহ ওয়াত তা’দীল, উছুলে হাদীছ শরীফ উনার অপব্যাখ্যা করে অসংখ্য ছহীহ হাদীছ শরীফ উনাকে জাল বলছে ওহাবী সালাফীরা (১৩)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
দুনিয়ার তাছীর বা ক্রিয়া থেকে প্রত্যেক ব্যক্তির সতর্ক থাকা আবশ্যক
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র রোযা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












