ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুসরণ করার গুরুত্ব ও ফযীলত (৫৮)
, ২৫ ছফর শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০৩ রবি , ১৩৯২ শামসী সন , ৩১ আগষ্ট, ২০২৪ খ্রি:, ১৬ ভাদ্র , ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
যখন কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ আসার পরে কেউ যদি মনগড়া, নফসানিয়াত করে, তাহলে মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে রহমত, শান্তি, বরকত কিছুই পাওয়া যাবে না। আযাব আর গযব, ঠিক আমাদের সেটাই হয়েছে।
আমরা যত কিছুই বলি না কেন, যত কিছুই করিনা কেন, যেহেতু আমরা মহান আল্লাহ পাক উনার মতে নেই, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথে নেই, আমাদের আযাব-গযব হবেই।
কাজেই আমরা যখন মহান আল্লাহ পাক উনার মতে মত হয়ে যাব, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথে পথ হয়ে যাব, তখনই আমাদের কামিয়াবী।
হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার একটা ওয়াকেয়া শুনুন, তাহলে বুঝতে পারবেন উনারা কতটুকু মহান আল্লাহ পাক উনার মতে মত ছিলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথে পথ ছিলেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন-
وَالَّذِينَ آمَنُوا أَشَدُّ حُبًّا للهِ
অর্থ : যাঁরা ঈমানদার উনারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে খুব বেশী মহব্বত করেন।
এই আয়াত শরীফের পরিপ্রেক্ষিতে একটা ঘটনা উল্লেখ করা হয়, হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি যখন খলীফাতুল মুসলিমীন তখন মিশর বিজয় করেছেন হযরত আমর ইবনুল আছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। উনি সেখানকার গভর্ণর। সেখানকার উনি আমীর। আমীরে শো’বা।
মিশরে নীল নদ নামে একটা নদ আছে। সেই নীল নদের পানি দিয়ে মানুষ তাদের পানির কাজ চালাতো। হঠাৎ দেখা গেল, নীল নদ শুকিয়ে গেছে। নীল নদ শুকিয়ে গেল। যখন নীল নদ শুকিয়ে গেল তখন এলাকার লোকেরা এসে বললো, হে আমর ইবনুল আছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, আপনারা নতুন এসেছেন, আপনারা মুসলমান। আপনাদের আইন-কানুন ব্যতিক্রম। আমাদের সাথে মিলেনা। কিন্তু আমাদের একটা নিয়ম ছিল, এখানে প্রত্যেক বৎসর একটা নির্ধারিত সময়ে আমরা একটা খুবছূরত কুমারী মেয়েকে বলি দিয়ে থাকি, যার কারণে নীল নদের পানি প্রবাহিত হয়ে থাকে সারা বৎসর। সেহেতু আপনারা যদি বলি না দেন, এটা বন্ধ হয়ে যাবে।
হযরত আমর ইবনুল আছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বললেন যে, হে মিশরবাসী, এটাতো ইসলামের খেলাফ, বদ্ রসম, কুফরী-শেরেকী, এটা নাজায়িয হারাম। এটা করা যাবে না। উনি করলেন না।
দেখা গেল, সত্যিই পানি শুকিয়ে গেল। এত শুকিয়ে গেলো যে, আশে-পাশে জমিনগুলি চৌচির হয়ে হয়ে গেল, ফেটে গেল। যার কারণে এলাকার লোকেরা পানির অভাবে বাড়ী-ঘর ছেড়ে চলে যাচ্ছে।
উনি তখন চিন্তা করলেন, কি করা যায়? এলাকার লোকেরা বললো যে, হুযূর! আপনি একটা ফায়সালা করেন।
তখন উনি একটা চিঠি লিখলেন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার কাছে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠে অনন্য তাজদীদ মুবারক (৪)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানদের জন্য সমস্ত খেলাধুলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া কবীরা গুনাহ
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মূর্তি, প্রতিমা, ভাস্কর্য, ম্যানিকিন ও ছবি নাজায়িয ও হারাম
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (৮)
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












