ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১৮৭)
, ২৪ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১২ আউওয়াল, ১৩৯৪ শামসী সন , ১১ জুন, ২০২৬ খ্রি:, ২৮ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
مِنْ آيَاتِ اللهِ وَالْحِكْمَةِ
পবিত্র আয়াত শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ যা আপনাদের হুজরা শরীফ উনাদের মধ্যে নাযিল করা হচ্ছে অর্থাৎ নাযিল হয়েছে মহাসম্মানিত ওহী মুবারক দ্বারা সে বিষয়গুলি উম্মতকে নছীহত মুবারক করুন। বলে দিন, তাহলে তারা যদি হিদায়াত প্রাপ্ত হয়। আর সেটাই কিন্তু মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন একখানা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে-
خُذُوا نِصْفَ دِينِكُمْ مِّنْ هٰذِهِ الْحُمَيْرَاءِ عَلَيْهَا السَّلَامُ
অর্থাৎ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার কাছ থেকে তোমরা সম্মানিত দ্বীন শিক্ষা করো। আবার বলা হয়েছে-
خُذُوا نِصْفَ دِينِكُمْ مِّنْ هٰؤُلَاءِ حَضْرَتْ اُمَّهَاتِ الْمُؤْمِنِينَ عَلَيْهِنَّ السَّلَامُ
তোমরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাদের বিষয় মহাসম্মানিত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের থেকে শিক্ষা গ্রহণ করো। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা যে তা’লীম মুবারক দিয়েছেন সে তা’লীম মুবারক গ্রহণ করো তাহলে উনাদের সম্পর্কে জানতে পারবে, বুঝতে পারবে। মানুষতো তা’লীম গ্রহণ করে না, জানবে কিভাবে? যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করলেন। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করলেন, তোমরা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের থেকেই ইলিম মুবারক শিক্ষা করো। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম শিক্ষা করো। সরাসরি আদেশ মুবারক করলেন। তাহলে বুঝা যাচ্ছে, উনাদের যে ইলিম- কালাম মুবারক আছে সেটা শিখতে হবে। শিখে সে অনুযায়ি আমল করতে হবে, সে অনুযায়ি আক্বীদা পোষণ করতে হবে, হুসনে যন পোষণ করতে হবে। বিষয়টা কিন্তু এখানে ফিকিরের বিষয়। এটা ফিকির না করলে কিন্তু বুঝা যাবে না। উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, সম্মান মুবারক কতটুকু? কাজেই এখানে চূ-চেরা, কীল-কাল করলে কিন্তু কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে। তাই আমি গত দিনে বলেছি, আগেও বলেছি যে মহাপবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয়ে গেছে মৃত্যুদন্ড দেয়ার জন্য। এখন আগে যেটা নাযিল হয়েছে পরবর্তী সময় সেটাই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যেমন বলা হয়, একজন আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যিনি হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলে বাইতে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ষষ্ঠ পুরুষ। তিনি মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন। ঠিক উনার ভাই ত্ববারাস্তানের উনারা শাসক ছিলেন। উনার নাম ছিলো হযরত মুহম্মদ বিন যায়িদ আলাইহিস সালাম যিনি হযরত হাসান বিন যায়িদ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত ভাই। হযরত মুহম্মদ বিন যায়িদ আলাইহিস সালাম উনার সময় বলা হচ্ছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي جَعْفَرَ بْنِ الْفَضْلِ الطَّبَرِيِّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ أَنَّ حَضْرَتْ مُحَمَّدَ بْنَ زَيْدٍ أَخَا الْحَسَنِ بْنِ زَيْدٍ عَلَيْهِمَا السَّلَامُ
হযরত আবূ জা’ফর ইবনে ফদ্বল আতত্ববারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয়ই হযরত মুহম্মদ বিন যায়িদ আলাইহিস সালাম যিনি ছিলেন হযরত হাসান বিন যায়িদ আলাইহিস সালাম উনার ভাই। তিনিও শাসক ছিলেন। তিনি প্রায় ১৭ বছর শাসন করেছেন। বর্ণনাকারী বলতেছেন একটা লোক আসলো,
قَدِمَ عَلَيْهِ مِنَ الْعِرَاقِ رَجُلٌ
ইরাক থেকে উনার কাছে একটা লোক আসলো। এসে,
يَنُوحُ بَيْنَ يَدَيْهِ
উনার সামনে এসে সে কান্নাকাটি শুরু করলো।
فَذَكَرَ سَيِّدَتَنَا حَضْرَتْ اُمَّ الْمُؤْمِنِيْنَ اَلثَّالِثَةَ اَلصِّدِّيْقَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ بِسُوءٍ،
কান্নাকাটি করে এই মিথ্যাবাদীটা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার শান মুবারকে চূ-চেরা, কীল-কাল করতে থাকলো এবং অপবাদ দিতে থাকলো। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
দেশে দেশে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার অফিসমূহের পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান বিরোধী কার্যক্রমের ইতিহাস (১৫তম পর্ব)
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মুহব্বত ঈমান, আর উনাদের সমালোচনা করা লা’নতগ্রস্ত হওয়ার কারণ
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দায়িমীভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওহী মুবারক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র “মাক্বামে মাহমূদ” উনার বেমেছাল তাফসীর বিষয়ে খারেজী জাহমিয়া ফিরকার মুখোশ উম্মোচন (৭)
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
হালালকে হারাম করা মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে র্শিক করার শামিল
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার বরকতময় ইতিহাস
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (১১)
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাফরমানীমূলক কাজ
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












