ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুসরণ করার গুরুত্ব ও ফযীলত (৪২)
, ০৯ ছফর শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৭ ছালিছ, ১৩৯২ শামসী সন , ১৯ আগষ্ট, ২০২৪ খ্রি:, ৩১ শ্রাবণ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
হযরত হাতেম আসেম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, হুযূর! আমি যখন বারবার এটা ফিকির করলাম, এই আয়াত শরীফ ফিকির করে দেখলাম, সত্যিই রিযিকের জিম্মাদার তো মহান আল্লাহ পাক তিনি। মানুষ তো রিযিকের জিম্মাদার নয়। তখন আমি আমার রিযিকের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হয়ে গেলাম। আমার রিযিকের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হয়ে গেলাম যে, সত্যি কথাই রিযিকতো মহান আল্লাহ পাক তিনি দেবেন।
তখন হযরত শাক্বীক্ব বল্খী রহমতুল্লাহি আলাইহি বললেন যে, হে হাতেম আসেম রহমতুল্লাহি আলাইহি উত্তম মাসয়ালা আপনি শিক্ষা করেছেন।
এরপর উনি বললেন যে, হুযূর! আমি আরো ফিকির করতে লাগলাম কুরআন শরীফ উনার মধ্যে। বারবার পড়তে লাগলাম, পড়তে পড়তে একটা আয়াত শরীফ পেলাম।
মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন কি
إِنَّ الشَّيْطَانَ لَكُمْ عَدُوٌّ فَاتَّخِذُوهُ عَدُوًّا
অর্থ : শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। তাকে শত্রু হিসেবে গ্রহণ করো।
মানুষ মানুষকে শত্রু মনে করে, একজন মানুষ একজন মানুষকে শত্রু মনে করে। আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী, পরিচিত-অপরিচিত লোক একজন অন্যজনকে শত্রু মনে করে, কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন, একমাত্র শয়তানই তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু, তাকেই শত্রু হিসেবে গ্রহণ করো। আর কাউকে শত্রু হিসেবে গ্রহণ করো না।
আমি যখন এই আয়াত শরীফ পেয়ে গেলাম, তখন আমি শয়তানকেই শত্রু হিসেবে গ্রহণ করলাম। কারণ শয়তানই সমস্ত কিছুর মূল। যখন মানুষের কাঁধে শয়তান সাওয়ার হয়, তখনই সে পাপ কাজ করে, তখনই সে খারাপ কাজ করে। মূলতঃ মানুষের তো কোন দোষ নেই। শয়তান ওয়াসওয়াসা দিয়ে থাকে।
এজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন, শয়তানকে প্রকাশ্য শত্রু হিসেবে গ্রহণ কর। তখন আমি শয়তানকে শত্রু হিসেবে গ্রহণ করলাম। আর সমস্ত মখলুকাতের সাথে আমি শত্রুতাভাব ত্যাগ করলাম। তাদের সাথে আমি একটা মহব্বতের সম্পর্ক পয়দা করে নিলাম। সুবহানাল্লাহ!
হযরত শাক্বীক্ব বল্খী রহমতুল্লাহি আলাইহি বললেন যে, আপনি উত্তম জিনিস শিক্ষা করেছেন।
এ প্রসঙ্গে বলা হয় যে, শয়তান যে মানুষের মধ্যে ফেতনা পয়দা করে। শয়তান মানুষের মধ্যে ফেতনা পয়দা করে কি করে? তার একটা মেছাল কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এক বুযূর্গ ব্যক্তি, এক মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী বর্ণনা করেন, উনি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ দেখলেন, এক জায়গায় দাঁড়ানো। উনি কে দেখে বললেন, ইবলীস তুমি এখানে কি করো? নিশ্চয়ই তোমার আশে-পাশে ফিতনা লাগিয়েছো।
সে বললো- না হুযূর! আমি কোন ফিতনা করিনি।
সেই বুযূর্গ ব্যক্তি একটু সামনে গেলেন। গিয়ে দেখেন মারামারি হচ্ছে। উনি বললেন, হে ইবলীস, তুমি নিশ্চয়ই মারামারিটার মূল।
সে বললো- হুযূর! আমি মারামারি লাগাইনি।
কি করেছ তুমি?
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠে অনন্য তাজদীদ মুবারক (৪)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানদের জন্য সমস্ত খেলাধুলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া কবীরা গুনাহ
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মূর্তি, প্রতিমা, ভাস্কর্য, ম্যানিকিন ও ছবি নাজায়িয ও হারাম
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (৮)
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












