খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নেক কাজে ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদ কাজে অর্থাৎ পাপে ও শত্রুতায় (মুশরিকদের পূজায়) পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না।’
সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- মুসলমানদের কুরবানীর জন্য আর্থিক বরাদ্দ দেয়া। কুরবানীর জন্য প্রয়োজনীয় সার্বিক ব্যবস্থাপনা সরকারীভাবে সম্পন্ন করা। সরকার পবিত্র ঈদে অস্বচ্ছল মুসলমানদেরকে সহযোগিতা করে না অথচ মাত্র ১.৫% বিধর্মীদের পূজায় ঠিকই সাহায্য করে। যা কখনোই সম্মানিত দ্বীন ইসলামসম্মত নয়। বাংলাদেশের ৯৮% অধিবাসী মুসলমানরা এটা কখনোই মেনে নিতে পারে না।
, ২৭ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ১৮ আউওয়াল, ১৩৯১ শামসী সন , ১৭ জুন, ২০২৩ খ্রি:, ০২ আষাঢ়, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মুসলমানদের সম্মানিত শরীয়তে গান-বাজনা শোনা হারাম। কিন্তু তারপরেও প্রতিটি পূজাম-পে নাচ-গানের ব্যাপক আয়োজন করে একদিকে কোমলমতি ও সাধারণ মুসলমানদেরকে আকৃষ্ট করে বিভ্রান্ত করার ষড়যন্ত্র করে। পাশাপাশি মুসলমানদের পবিত্র দ্বীন পালনেও ব্যাপক বাধার সৃষ্টি করে। মুসলমানরা যাতে কোনো প্রতিবাদ করতে না পারে, বরং ভয়ে আতঙ্কে মুখ বুঁজে সহ্য করে, সে জন্য প্রতিটি পূজাম-পে সরকার মাত্রাতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব দিয়ে মুশরিকদের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করেছে এবং করছে। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সরকারের অবস্থা দেখে মনে হয় যে, তারা মুসলমানদেরকে ইসলাম পালনে বাধা দেয় অর্থাৎ ‘পর্দা পালনে বাধ্য করা যাবে না’ বলছে আর বিপরীতে মুশরিকদেরকে পূজা করার ব্যাপারে বাধ্য করা হচ্ছে। কারণ দেখা যাচ্ছে- সরকার পৃষ্ঠপোষকতা করে মুশরিকদের পূজা করিয়ে দিতে নিবেদিত। নাঊযুবিল্লাহ! দেশের শতকরা মাত্র ১.৫ ভাগ অধিবাসী মুশরিকদের প্রতি সরকারের এরূপ আচরণ মুসলমানদের প্রতি অবশ্যই বৈষম্যমূলক।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বাংলাদেশ সংবিধানে ২৮(১) ধারায় বর্ণনা করা হয়েছে, “কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।”- এ অনুচ্ছেদে বৈষম্য না করার কথা বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে বৈষম্যের অর্থ হচ্ছে- কোনো ছাত্র ভালো পড়া লেখা করে যদি ৯৮ পায় আর কোনো ছাত্র যদি ২ পায় তাহলে এ দু’ছাত্রকে সমানভাবে উত্তীর্ণ করা বা দু’ছাত্রের প্রতি একই ধরনের আচরণ করাই বৈষম্য। অন্যভাবে বলতে গেলে শতকরা ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানদের প্রতি যে মূল্যায়ন তথা আচরণ সে একই আচরণ বা মূল্যায়ন ১.৫ ভাগ হিন্দুদের প্রতি করাই বড় বৈষম্য বা মুসলমান উনাদের প্রতি বড় বৈষম্যমূলক আচরণ।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হিন্দুরা শতকরা মাত্র ১.৫ ভাগ হওয়ার পরেও তারা এদেশে এতো আধিপত্য বজায় রেখে চলে। অথচ ভারতে শতকরা ৪০ ভাগেরও বেশি মুসলমান থাকার পরও সেখানে মুসলমানদের উপর অবিরত নির্মম অত্যাচার করা হচ্ছে। তাদের ইজ্জত কেড়ে নেয়া হচ্ছে। মাল-সম্পদ লুণ্ঠন করা হচ্ছে। ভারতে অনেক জায়গায় মুসলমানদের আযান দেয়া বন্ধ রয়েছে। মুসলমানদের জন্য শরীয়তী আইনের বিপরীত অধ্যাদেশ জারি করা হচ্ছে। পবিত্র কুরবানী বন্ধ রাখা হচ্ছে। মুসলমান পরিচয়ে থাকা অতি কঠিন করে দেয়া হচ্ছে। মুসলমান হিসেবে জীবন-যাপন করাটা হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, ৯৮ ভাগ মুসলমানদেরকে দুই ঈদে বিশেষ করে এই কুরবানী ঈদে বিশেষভাবে সহযোগিতা করা। আর শতকরা ১.৫% মুশরিকদেরকে শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান উনার আনুপাতিকহারে সুবিধা দিয়ে সমান আচরণের সাংবিধানিক কর্তব্য পালন করা এবং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে তাদের পূজা পালনে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না করা। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নেক কাজে ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদ কাজে অর্থাৎ পাপে ও শত্রুতায় (মুশরিকদের পুজায়) পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না।’ কাজেই রাষ্ট্রদ্বীন সম্মানিত ইসলাম উনার এ দেশে যদি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার নির্দেশ মুবারকই পালন না হয় তাহলে সংবিধানে লিখিত রাষ্ট্রদ্বীন সম্মানিত ইসলাম উনার মর্যাদা থাকে কি করে? এ বিষয়গুলো সকল মুসলমান ও সরকারকে বুঝতে হবে, উপলব্ধি করতে হবে এবং বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র ছলাত বা নামায সম্মানিত শরীয়ত উনার একটি বুনিয়াদী ফরয ইবাদত। সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্যই ফরযে আইন হচ্ছে- যথাযথভাবে পাঁচ ওয়াক্ত পবিত্র ছলাত বা নামায যথা সময়ে আদায় করা। অর্থাৎ কোনো ক্রমেই পবিত্র ছলাত বা নামায তরক না করা।
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ তাশরীফ মুবারক আনার কারণে এ মহাসম্মানিত তারিখকে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ বলা হয়। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি এদিন কুতুবুল আলম, তাজুল মুফাসসিরীন, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, ফখরুল ফুক্বাহা, ঢাকা যাত্রাবাড়ি শরীফ উনার মহাসম্মানিত শাইখুল মাশায়েখ, সুলত্বানুল আরেফীন হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ১১ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের বিশুদ্ধ আক্বীদাহ হলো- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই অর্থাৎ উনার মহাসম্মানিত নূরুল কুদরত মুবারক বা নূর মুবারকই মহান আল্লাহ পাক উনার সর্বপ্রথম সৃষ্টি। সুবহানাল্লাহ! উক্ত মহাসম্মানিত নূর মুবারক উনার থেকেই কায়িনাতের সমস্ত কিছু সৃষ্টি করা হয়েছে। এমনকি আগুন, পানি, মাটি, বাতাস ইত্যাদি উপাদানসমূহও উনার থেকে এবং উনার বহু পরে সৃষ্টি হয়েছে।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার আলোকে ছবি তোলা, আঁকা, রাখা হারাম। অথচ সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার প্রতি বছর আধুনিক ক্যামেরাযুক্ত সিসিটিভির মাধ্যমে ক্রমাগত বিশ্বের অগণিত হাজী ছাহেবদের ছবি তুলে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! পাশাপাশি অন্যান্য বছরের ন্যায় এ বছরও চাঁদের তারিখ হেরফের করে পবিত্র হজ্জ মুবারক নষ্ট করার ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসা, আত্বওয়ালু ইয়াদান, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি’য়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র নিসবতে আযীমাহ মুবারক দিবস। সুবহানাল্লাহ! আর এ মহান দিবসে পবিত্র পর্দা মুবারক উনার হুকুম নাযিল করা হয়। তাই আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’। সুবহানাল্লাহ! অতএব, সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- এ মহান দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার সাথে সাথে উনাদেরকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনাদের যথাযথ খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া এবং হাক্বীক্বী পর্দা করা।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাকামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার সম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! অতএব, সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- এ মুবারক দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনার মুবারক শানে সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করা, উনাকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনার যথাযথ খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! অতএব, সকলের জন্যই দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনার সুমহান পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবসে খুশি প্রকাশ করা এবং উনার মুবারক খিদমতে যথাযথ আঞ্জাম দেয়া।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনার মালিক হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ! সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের জন্য ফরযে আইন হচ্ছে- দায়িমীভাবে উনার সম্মানিত গোলামী মুবারক উনার আনজাম দেয়া, সম্মানিত খিদমত মুবারক করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা এবং উনার সম্মানিত ছানা-ছিফত মুবারক করা।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার অনেক বছর ধরে চাঁদের তারিখ পরিবর্তন এবং ছবি ও বেপর্দার মাধ্যমে মুসলমানদের পবিত্র হজ্জ নষ্ট করছে। নাউযুবিল্লাহ! সউদী ইহুদী সরকারের জন্য ফরয হলো- ছবি ও বেপর্দামুক্ত এবং সম্মানিত শরীয়ত উনার নির্দেশিত তর্জ-তরীকা মুতাবিক পবিত্র হজ্জ করার সার্বিক ইন্তিজাম করা।
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত দ্বীন ইসলামই হচ্ছেন একমাত্র মনোনীত, হক্ব, পরিপূর্ণ ও সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত দ্বীন। সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত ইসলামী তর্জ-তরীক্বা এবং আইয়্যামুল্লাহ শরীফ সমূহকে গুরুত্ব না দেয়া এবং পালন না করার কারণেই মুসলমানরা হারাম-নাজায়িয ও বেদ্বীনী-বদদ্বীনী কাজে মশগুল হয়ে লাঞ্চিত-অপমানিত হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ (দুধবোন) আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার সম্মানার্থে উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করা অর্থাৎ পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করা।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












