সম্মানিত শরীয়ত মুবারক উনার সম্মানিত ফতওয়া মুবারক অনুযায়ী ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের যারা মানহানী করবে, সেটা সরাসরি হোক বা ইশারা ইঙ্গিতেই হোক- তাদের একমাত্র শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড।
, ১০ই শা’বান শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৩তাসি’, ১৩৯২ শামসী সন , ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খ্রি:, ২৭ মাঘ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
তারা নামধারী মুসলমান হোক বা কাফির হোক অথবা নাস্তিক হোক কিংবা যে কোন ধর্মেরই অনুসারী হোক না কেন। তাদের তাওবা গ্রহণযোগ্য হবে না। শুধু তাই নয়, তাদেরকে শরঈ শাস্তিস্বরূপ দৃষ্টান্তমূলকভাবে মৃত্যুদন্ড দিতে হবে। তা শরীয়তের অন্যান্য বিধান অমান্য করার কারণে যেরূপ কঠিন শাস্তি দেয়া হয়, তার চেয়ে আরো লক্ষ কোটি গুণ বেশি কঠিনভাবে লাঞ্ছনাদায়ক শরঈ শাস্তি দিয়ে হত্যা করতে হবে। এমনকি যারা তাদেরকে সমর্থন করবে, তাদেরও একই হুকুম’
হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল ‘আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
وَقَالَ بَعْضُ عُلَمَائِنَا اَجْمَعَ الْعُلَمَاءُ عَلـٰى اَنَّ مَنْ دَعَا عَلـٰى نَبِـىٍّ عَلَيْهِ السَّلَامُ مِنَ الْاَنْۢبِيَاءِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ بِالْوَيْلِ اَوْ بِشَىْءٍ مِّنَ الْمَكْرُوْهِ اَنَّهٗ يُقْتَلُ بِلَا اسْتِتَابَةٍ وَاَفْتٰـى اَبُو الْـحَسَنِ الْقَابِسِىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فِيْمَنْ قَالَ فِى النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْـحَمَّالُ يَتِيْمُ اَبِـىْ طَالِبٍ بِالْقَتْلِ.
অর্থ: “আমাদের কতিপয় সম্মানিত আলিমগণ উনারা বলেন, সমস্ত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা এ মতের উপর ইজমা করেছেন, যে ব্যক্তি হযরত নবী-রসূল আলাইহমুস সালাম উনাদের জন্য অকল্যাণ বা অপছন্দনীয় কোনো বিষয় কামনা করবে, অবশ্যই তাকে শাস্তিস্বরূপ ক্বতল করতে হবে, শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদন্ড দিতে হবে। তার তওবা গ্রহণযোগ্য হবে না। সুবহানাল্লাহ! হযরত ইমাম আবুল হাসান ক্বাবিসী মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ : ৩২৪ হিজরী - বিছাল শরীফ ৪২৩ হিজরী) তিনি ঐ ব্যক্তিকে শাস্তিস্বরূপ ক্বতল করার, শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদন্ড দেয়ার ফতওয়া মুবারক প্রদান করেন, যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে এ কথা বলবে যে-
اَلْـحَمَّالُ يَتِيْمُ اَبِـىْ طَالِبٍ بِالْقَتْلِ.
তিনি আবূ তলিব উনার বোঝা বহনকারী ইয়াতিম ছিলেন। ” নাঊযুবিল্লাহ! (আশ শিফা ২/২১৭, আস সাইফুল মাসলূল ১২৮ পৃষ্ঠা)
হযরত ইমাম সাহনূন তানূখী মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অনুসারী বিশ্বখ্যাত ইমাম ও মুজতাহিদ হযরত ইমাম আহমদ বিন আবূ সুলায়মান তিনি বলেন-
مَنْ قَالَ اِنَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ اَسْوَدَ يُقْتَلُ.
অর্থ: “যে ব্যক্তি এ কথা বলবে যে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত জিসিম মুবারক কালো বর্ণের ছিলেন, নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! তাকে শাস্তিস্বরূপ ক্বতল করতে হবে, শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদন্ড দিতে হবে। ” সুবহানাল্লাহ! (শরহুয যারক্বানী ৫/৫৩০, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ১২/২৫, ইমতা‘উল আসমা’ ১৪/৩৭৭, আশ শিফা ২/২১৭ ইত্যাদী)
হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
وَاَفْتٰـى فُقَهَاءُ الْاَنْدَلُسِ بِقَتْلِ ابْنِ حَاتِـمِ ۣ الْمُتَفَقِّهِ الطُّلَيْطِلِـىِّ وَصَلْبِهٖ بـِمَا شُهِدَ عَلَيْهِ بِهٖ مِنَ اسْتِخْفَافِهٖ بِـحَقِّ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَسْمِيَتِهٖ اِيَّاهُ اَثْنَاءَ مُنَاظَرَتِهٖ بِالْيَتِيْمِ وَخَتَنِ حَيْدَرَةَ وَزَعْمِهٖ اَنَّ زُهْدَهٗ لَـمْ يَكُنْ قَصْدًا وَّلَوْ قَدِرَ عَلَى الطَّيِّبَاتِ اَكَلَهَا.
অর্থ: “আন্দালুসের সম্মানিত ফক্বীহগণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে ইবনে হাতিম তুলায়তিলীকে শাস্তিস্বরূপ ক্বতল করার, শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদন্ড দেয়ার এবং শূলে চড়ানোর বা আগুনে পুড়ে ফেলার ফতওয়া দেন। কারণ সে এক বিতর্ক অনুষ্ঠানে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত শান মুবারক উনার খিলাফ বক্তব্য পেশ করেছে। না‘ঊযুবিল্লাহ! সে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইয়াতীম ও সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার শ্বশুর বলে সম্বোধন করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! আর তার ধারণা হচ্ছে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি ইচ্ছাকৃত ছিলো না, বরং যদি তিনি দুনিয়ার সম্পদ লাভ করতে পারতেন, তাহলে তিনি তা ব্যবহার করতেন। ” নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! (আশ শিফা ২/২১৮, আস সাইফুল মাসলূল ১২৯ পৃষ্ঠা) (অপেক্ষায় থাকুন। )
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম “لِـيَـعْبُدُوْنِ (লিইয়া’বুদূন) থেকে لِـيُصَلُّوْنِ (লিইউছল্লূন) পর্যন্ত ৮টি মাক্বাম মুবারক উনাদের বর্ণনা মুবারক
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অদ্বিতীয় হাক্বীক্বী কায়িম-মাক্বাম হিসেবে, উনার হুবহু নক্বশা মুবারক হিসেবে উনার সমস্ত নিয়ামত মুবারক আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করা
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের তরফ থেকে বিশেষ দাওয়াত মুবারক এবং খুশি মুবারক প্রকাশ
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক اَحْمَدُ (আহমদ) ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যকার ‘মীম’ হরফ বা অক্ষর মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত শান মুবারক-এ চূ-চেরা, ক্বীলও ক্বাল করার কারণে, হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করার কারণে কাফেরদের বিরুদ্ধে সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট বিচার চাওয়া প্রসঙ্গে
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যস্থতা মুবারক-এ হাক্বীক্বী দীদার মুবারক লাভরে বশিষে র্বণনা মুবারক
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে নিসবত মুবারক স্থাপন করতে পারলে, মূল সব নিয়ামত পরিপূর্ণটা হাছিল সম্ভব। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথেই আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সরাসরি মহাসম্মানিত নিসবত মুবারক
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘এক নাম্বার আক্বীদাহ্ হচ্ছে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা সৃষ্টির কারো মতো নন’
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












