সুন্নত মুবারক তা’লীম
মহাসম্মানিত সুন্নতী খাদ্য খেজুর এবং তার উপকারিতা
, ১৪ মে, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সুন্নত মুবারক তা’লীম
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রিয় খাদ্য মুবারক ছিলেন খেজুর।
মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে-
عن حضرت ام المؤمنين الثالثة الصديقة عليها السلام قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم بَيْتٌ لَا تَمْرَ فِيهِ جِيَاعٌ أَهْلُهُ
অর্থঃ- সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ঘরে খেজুর নেই সে ঘরের অধিবাসীগণ ক্ষুধার্ত। অর্থাৎ সে ঘরে কোন খাবার নেই।
মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عن حضرت ام المؤمنين الثالثة الصديقة عليها السلام قالت ما أكَلَ رسول الله صَلَّى اللهُ عليه وسلَّمَ أكْلَتَيْنِ في يَومٍ إلَّا إحْدَاهُما تَمْرٌ.
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এক দিনে যখনই দুইবার আহার মুবারক করেছেন তার মধ্যে একবার খেজুর খেয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে জানা যায় যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট খেজুর অত্যন্ত পছন্দনীয় খাদ্য ছিল। তিনি দৈনিক কমপক্ষে একবার খাদ্য হিসেবে খেজুর খেতেন। সুবহানাল্লাহ!
খেজুরের উপকারিতা সমূহঃ-
১. খেজুরের মধ্যে খাদ্য শক্তি থাকায় শারীরিক দূর্বলতা দূর করে।
২. ¯œায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
৩. খেজুরে অনেক গ্লুকোজ থাকায় তা গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণ করে।
৪. রক্ত উৎপাদনকারী।
৫. হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।
৬. খাবারে রুচি বাড়ায়।
৭. ত্বক ভালো রাখে।
৮. আঁশ কোলেষ্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
৯. পক্ষাঘাত ও সব ধরণের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য উপকারী।
১০. ফুসফুস সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে।
১১. গলা ব্যাথা, সর্দি ও যেকোন জ্বরের জন্য খুবাই উপকারী।
১২. সর্বোপরি বিষক্রিয়া রোধে খেজুর অত্যান্ত উপকারী।
এগুলো ছাড়াও মহাসম্মানিত সুন্নতী খাদ্য খেজুরের অসংখ্য-অগনিত উপকারিতা রয়েছে।
-মুহম্মদ হুসাইন নাফে’
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
গোসল করার খাছ সুন্নতী তারতীব মুবারক ও মাসয়ালা-মাসায়িল (৫)
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গোসল করার খাছ সুন্নতী তারতীব মুবারক ও মাসয়ালা-মাসায়িল (৪)
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
গোসল করার খাছ সুন্নতী তারতীব মুবারক ও মাসয়ালা-মাসায়িল (৩)
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
গোসল করার খাছ সুন্নতী তারতীব মুবারক ও মাসয়ালা-মাসায়িল (২)
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
গোসল করার খাছ সুন্নতী তারতীব মুবারক ও মাসয়ালা-মাসায়িল (১)
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মৃত ব্যক্তির কবরে তালক্বীন দেওয়া খাছ সুন্নত মুবারক
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১)
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মাইয়্যিতের জানাযা নামাযের গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী তারতীব মুবারক (২)
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মাইয়্যিতের জানাযা নামাযের গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী তারতীব মুবারক (১)
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মাইয়্যিতকে কাফনের কাপড় পরিধান করানোর মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন সুন্নতী খাবার ‘পনির’
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মাইয়্যিতকে গোসল দেয়ার মহাসম্মানিত সুন্নতী তরীক্বাহ
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












