মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই বরকতময় পবিত্র মক্কা শরীফ উনার মধ্যে মানুষের জন্য প্রথম ঘর (পবিত্র কা’বা শরীফ) স্থাপন করা হয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত মক্কা শরীফ ও মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদাসম্পন্ন বরকতময় স্থান। সুবহানাল্লাহ! মহাপবিত্র মক্কা শরীফ ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনাদেরকে যথাযথ তা’যীম বা সম্মান করা হাজী ছাহেবসহ সকলের জন্যই ফরয।
অতএব, সকলকেই সর্বদা, সর্বক্ষেত্রে পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের ইজ্জত, সম্মান, হুরমত মুবারক বজায় রাখতে হবে। নচেৎ ঈমানহারা হওয়া ব্যতীত কোনো গতি থাকবে না।
, ২২ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ০১ আউওয়াল, ১৩৯২ শামসী সন , ৩১ মে, ২০২৪ খ্রি:, ১৭ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র মক্কা শরীফ উনার ফযীলত সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই বরকতময় পবিত্র মক্কা শরীফ-এ মানুষের জন্য প্রথম ঘর (পবিত্র কা’বা শরীফ) স্থাপন করা হয়েছে।” সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র মক্কা শরীফ উনার ফযীলত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতি দিন ও রাতে পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ উনার উপর একশত বিশটি রহমত নাযিল করে থাকেন। তন্মধ্যে ষাটটি তাওয়াফকারীদের জন্য, চল্লিশটি নামায আদায়কারীদের জন্য আর বিশটি যিয়ারতকারীদের জন্য। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র মদীনা শরীফ উনার ফযীলত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র মদীনা শরীফ হারাম (সম্মানিত) আইর থেকে ছাওর পর্যন্ত। এর মধ্যে যে ব্যক্তি সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত বিরোধী কাজ করবে এবং সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার বিরোধী কাজকে প্রশ্রয় দিবে, তার উপর মহান আল্লাহ পাক উনার, হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ও সকল মানুষের অভিসম্পাত। আর তার কোনো নফল ও ফরয ইবাদত কবুল হবে না।”
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র ইজমা শরীফ হয়েছে তথা হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা ঐকমত্য পোষণ করেছেন, যা কিছু মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জিসিম মুবারক স্পর্শ করেছে উনার মর্যাদা-মর্তবা মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার আরশে মুয়াল্লা; এমনকি পবিত্র কা’বা শরীফ উনার থেকে লক্ষ-কোটিগুণ বেশি। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র মদীনা শরীফ উনাকে সম্মান করা পবিত্র ঈমান। এজন্য পবিত্র মদীনা শরীফ উনার সংশ্লিষ্ট সমস্ত কিছুকেই অত্যন্ত মুহব্বত করতে হবে। অবমাননা করা যাবে না। কেননা অবমাননা করা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ কুফরী গুনাহে গুনাহগার হওয়া ও ঈমান নষ্ট হওয়ার কারণ। সেটাই হযরত ইমাম মালেক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ফতওয়া দিয়েছেন যে, “যে ব্যক্তি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মাটি মুবারক নাপাক বলবে, তাকে কঠিন শাস্তি দিতে হবে এবং খালিছ তওবা-ইস্তিগফার না করা পর্যন্ত তাকে বন্দি করে রাখতে হবে।”
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র মদীনা শরীফ উনার সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ের সাথে এমন কোনো আচরণ করা যাবে না, যা আদবের খিলাফ। কারণ পবিত্র মদীনা শরীফ উনার সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক বিষয়ই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সংশ্লিষ্ট। সুতরাং সম্মান-মর্যাদা ও আদব অনুরূপই। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনারা পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদাসম্পন্ন স্থান। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদেরকে যথাযথ তা’যীম বা সম্মান করা হাজী ছাহেবসহ সকলের জন্যই ফরয। পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের ছবি জায়নামাযে সংযুক্ত করা এবং পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে সিসিটিভি স্থাপন করা, পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদেরকে ইহানত করারই নামান্তর। নাউযুবিল্লাহ! যা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। অতএব, সকলকেই সর্বদা, সর্বক্ষেত্রে পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের ইজ্জত, সম্মান, হুরমত মুবারক বজায় রাখতে হবে। নচেৎ ঈমানহারা হওয়া ব্যতীত কোনো গতি থাকবে না।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা আমাকে যেরূপভাবে পবিত্র ছলাত বা নামায আদায় করতে দেখো, সেরূপভাবে পবিত্র ছলাত বা নামায আদায় করো।” সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- পবিত্র মসজিদের ভিতরে চেয়ার-টেবিল প্রবেশ করানো এবং সেগুলোতে পবিত্র ছলাত বা নামায আদায় করা বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ।
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। মালিকুত তামাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাপবিত্র ১২ই শরীফে মহাসম্মানিত নূরুত তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করার কারণে প্রতি আরবী মাসের ১২ তারিখ হচ্ছে- সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ উনাকে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে উদযাপন করা এবং সময় দিয়ে, মাল দিয়ে ও জান দিয়ে শরীক থাকা সকলের জন্য বেমেছাল রহমত, বরকত, নিয়ামত হাছিলের কারণ। পাশাপাশি মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ উনার সম্মানার্থে প্রতিটি বিদ্যালয়ে, অফিস-আদালতে পবিত্র মিলাদ শরীফ মাহফিলের ইন্তেজাম করা ও সম্মানিত ১২ই শরীফ উনার গুরুত্ব ও ফযীলত প্রতিটি শ্রেণীর পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা বাংলাদেশের শাসক শ্রেণীর জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আজ সুমহান বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১১ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- এ মুবারক দিবস উপলক্ষে মাহফিল করে উনার মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করা।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- মুসলমানদের জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মুশরিকদের পূজা করা, পূজার লা’নতী অনুষ্ঠানে যাওয়া, খুশি প্রকাশ করা, সমর্থন ও সহযোগিতা করা সুস্পষ্ট কুফরী-শিরকী। মুসলমানের জন্য কোনো অবস্থাতেই এবং কোনো বিষয়েই ইহুদী-মুশরিক, নাছারা তথা বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ করা জায়িয নেই; বরং হারাম ও কুফরী।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ৯ই জুমাদাল ঊলা শরীফ- আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! যিনি আখাছ্ছুল খাছ হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি হক্ব কথা বলা হতে বিরত থাকে সে বোবা শয়তান।’ যারা পবিত্র মসজিদে নেক কাজে বাধা দেয় বা বাধা সৃষ্টি করে এবং হারাম কাজ করে ইবাদতের পরিবেশ নষ্ট করে তারা সকলেই যালিমের অন্তর্ভুক্ত। আর যেসব ইমাম বা খতীব সম্মানিত শরীয়ত উনার বিরোধী কাজগুলোর পক্ষে বলে বা বিরুদ্ধে না বলে চুপ করে থাকে তারা বোবা শয়তান। অর্থাৎ উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মৌলবী।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক উনার আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! তাই উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ বা আগমণ দিনটিও যমীনবাসীদের জন্য সুমহান ঈদ বা খুশির দিন। সুবহানাল্লাহ!
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- প্রত্যেকের জন্যই একজন হক্কানী-রব্বানী শায়খ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে তরীক্বা অনুযায়ী যিকির করতঃ ক্বলবে যিকির জারী করা ফরয। যাদের ক্বলব বা অন্তরে যিকির জারি নেই বা যারা যিকির জারী করার কোশেশ করেনা তারা উলামায়ে হক্ব নয়, বরং তারা চরম পর্যায়ের ফাসিক ও উলামায়ে সূ’। নাউযুবিল্লাহ!
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আছ ছানিয়াহ (যাইনাব) আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রতিনিয়ত প্রতিটি পণ্যের মূল্য বেড়েই চলছে। যা জনগণের জন্য কষ্টের কারণ। জনগণের সহানুভূতির লক্ষ্যে প্রতিটি পণ্যের মূল্য সহনশীল ও নাগালের মধ্যে রাখা সরকার ও ব্যবসায়ীদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য। কেননা, অতিরিক্ত মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে দ্রব্যসামগ্রী মজুদ করে বাজারে দ্রব্যমূল্য বাড়ানো পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সম্পূর্ণরূপে হারাম ও নাজায়িজ। নাউযুবিল্লাহ!
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পৃথিবীর সমস্ত মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- ইহুদী, মুশরিক, নাছারা তথা বিধর্মী ও নাস্তিকদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা অনুসরণ করা থেকে বিরত থাকা। সমস্ত কাফির-মুশরিকরাই মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু এবং মুসলমানদেরও শত্রু। তন্মধ্যে ইহুদী ও মুশরিকরা হচ্ছে সবচেয়ে বড় বা ঘোরতর শত্রু। নাঊযুবিল্লাহ!
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের নির্দেশ মুবারক মুতাবিক পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্যই পর্দা করা ফরয। বেপর্দার কারণেই মহিলারা আজ ইজ্জত-সম্মান সম্ভ্রম হারাচ্ছে ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে এবং সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে নিত্য-নতুন ফিতনা-ফাসাদ ও বিশৃঙ্খলা। শুধুমাত্র মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত হুকুম শরয়ী পর্দা পালনের মাধ্যমেই এর থেকে বেঁচে থাকা যেমন সম্ভব তেমন সমস্ত ফিতনা-ফাসাদ বন্ধ করাও সম্ভব।
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












