তারকা সংযোগ বা স্টারলিংক:
বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী ইহুদী-খ্রিস্টানদের নজরদারী, তথ্যচুরি, ফিৎনা সৃষ্টিকারী, সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী এবং বিমান হামলার কাজে ব্যবহৃত সন্ত্রাসী আমেরিকা ভিত্তিক মুসলিম বিদ্বেষী এক তথ্যজালিকা (১)
, ২০ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৭ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৬ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ২২ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
ভূমিকা:
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তারকা সংযোগ বা স্টারলিংক কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে সমস্ত সৃষ্টির জন্য সর্বাবস্থায় সকল বিষয়ে নির্দেশনা মুবারক এবং হিদায়েত মুবারক দান করেছেন। মহান আল্লাহ পাক উনার এই মহাপবিত্র কালাম কুরআন শরীফ উনার পবিত্র সূরা মায়েদা শরীফ উনার ৮২ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
لَـتَجِدَنَّ اَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّـلَّذِيۡنَ اٰمَنُوا الۡيَـهُوۡدَ وَالَّذِيۡنَ اَشۡرَكُوۡا
“(ইয়া রাসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই আপনি মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদীদেরকে অতঃপর পাবেন যারা মুশরিক তাদেরকে।”
ইসলাম ও মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী ও মুশরিকরা সবসময় চায় পৃথিবী থেকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের নাম নিশানা সব মুছে দিতে। তাই তারা সবসময় জান ও মাল সব দিক থেকে মুসলমানদের ক্ষতি করতে চায়।
মুসলমানদের চিরশত্রু, শয়তানের অনুচর ইহুদী-মুশরিক-কাফিরেরা সারা পৃথিবী জুড়ে জুলুম করার জন্য এবং শোষণ করার জন্য অনেকগুলো কূটকৌশল অবলম্বন করেছে। এই ষড়যন্ত্র বা কূটকৌশলের মধ্যে একটা বড় ষড়যন্ত্র হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তির সন্ত্রাস। কারণ মিথ্যা তথ্যের দ্বারা মানুষকে খুব সহজে বিভ্রান্ত করে ধোঁকায় ফেলা যায়। বিশ্বজুড়ে ইহুদীদের এই তথ্য সন্ত্রাসের একটি বড় মাধ্যম হচ্ছে তথ্য জালিকা বা ইন্টারনেট। আর এই তথ্যজালিকা ভিত্তিক জুলুম, শোষণ, নির্যাতন ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের একটা বড় হোতা হলো কাট্টা ইহুদী ইলন মাস্কের তারকা সংযোগ বা স্টারলিংক।
এই তারকা সংযোগ বা স্টারলিংক আকাশ থেকে সারা পৃথিবীকে নজরদারি করে আর তথ্য সন্ত্রাস চালায়। এটি তারবিহীন সংযোগ যা মহাকাশে তাদের দ্বারা প্রেরিত কৃত্রিম উপগ্রহ নির্ভর। মহাকাশে ইচ্ছামত উপগ্রহ পাঠিয়ে মহাকাশ থেকে পৃথিবী দখলের এই অনুমতি তাদের কে দিলো? মুসলমানদের অন্ধকারে রেখে তারা গোপনে মহাকাশ দখলের এবং মহাকাশ থেকে পৃথিবী দখলের পায়তারা করছে।
অন্যদিকে সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে বিছানো আন্ত:মহাদেশীয় সাবমেরিন ক্যাবল বা অপটিক ফাইবারের মাধ্যমে যে আর একটি তথ্য জালিকা তৈরী হয়েছে তা হচ্ছে ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট (আলোক-তন্ত তারের অন্তর্জাল) বা তার সংযোগের মাধ্যমে স্থাপিত ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট (প্রশস্ত তরঙ্গ পথের অন্তর্জাল)। (টীকা:১)। এই আন্ত:মহাদেশীয় তথ্যজালিকাও (ইন্টার কন্টিনেন্টাল ইন্টারনেট→ সাবমেরিন অপটিক ফাইবার ক্যাবল থেকে মানুষের ঘর পর্যন্ত সরবরাহকৃত ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ পুরোটাই) রয়েছে ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিকদের হাতেই।
তথাকথিত টেক জায়ান্ট বা প্রযুক্তি সন্ত্রাসী কাট্টা ইহুদী ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন, স্যান্ডার পিচাই- এদের হাতে রয়েছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের (প্রশস্ত তরঙ্গ পথের অন্তর্জাল) বড় সন্ত্রাসী গুগল। আবার কট্টর মুসলিম বিদ্বেষী মার্ক জুকারবার্গ এর হাতে রয়েছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের আরেক সন্ত্রাসী এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বড় সন্ত্রাসী মেটা, ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ। মুসলমানদের মস্তিস্ক বিকৃত করতে এবং মস্তিস্ক ও আবেগ বা ঝোঁক নিয়ন্ত্রণ করতে এই কুচক্রী ইহুদী জুকারবার্গ হচ্ছে বড় ষড়যন্ত্রকারী এবং বড় চক্রান্তকারী। সে মনোবিজ্ঞানের সাথে তথ্য চক্রান্তের সমন্বয় করে বানিয়েছে এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
কাট্টা ইহুদী জুকারবার্গের মেটা (ফেসবুক), হোয়াটসঅ্যাপ, কাট্টা ইহুদী ইলন মাস্কের এক্স (টুইটার) ইত্যাদি সারা পৃথিবীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করছে। আরেকদল ইহুদী, কট্টর মুসলিম বিদ্বেষী বিল গেটস, পল অ্যালেন, স্যাত্যা নাডেলা এদের মালিকানায় রয়েছে মাইক্রোসফট। এরা গণনা যন্ত্র হাসুব বা কম্পিউটারের বিভিন্ন পরিচালক নির্দেশক (অপারেটিং সফটওয়্যার) বা পরিচালনা পদ্ধতি (অপারেটিং সিস্টেম) তৈরী, হাসুব বিষ (কম্পিউটার ভাইরাস) তৈরী এবং তা নিয়ন্ত্রিত রাখা, তথ্য অনুসন্ধান যন্ত্র (সার্চ ইঞ্জিন) ইত্যাদির মাধ্যমে পুরো পৃথিবীতে সন্ত্রাস চালায়। নাস্তিক ঝাং ইয়াংমি আর জাং টি-র হাতে রয়েছে টিকটক (ঞরশঞড়শ); উপরে খ্রিস্টান আর ভিতরে কাট্টা ইহুদী জেফ বেজোস আর অ্যান্ডি জ্যাসি-র মালিকানায় আছে আমাজন (অসধুড়হ) ইত্যাদি।
মূলত: পৃথিবীর প্রতিটি বিষয় আজ যেন কোন এক অদৃশ্য জালের মধ্যে বন্দি-এই জালের নাম “ইন্টারনেট সংযোগ”। আর এর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে ইহুদীদের এবং কাফির-মুশরিক বা নাস্তিকদের হাতেই যারা সবাই ইসলাম ও মুসলমানদের ঘোরতর শত্রু। (সংকলিত)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যেই ২৬ খানা আয়াত শরীফ বাদ দেয়ার জন্য ভারতের আদালতে রিট করেছিলো ইসলামবিদ্বেষীরা
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ইসমে যাত বা নাম মুবারক বারবার বলা ও লেখা সম্পূর্ণ আদবের খিলাফ (১ম পর্ব)
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাফরমানীমূলক কাজ
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
হালালকে হারাম করা নিষেধ
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
“আত তাক্বউইমুশ শামসী”একটি নতুন সৌর সন (৩)
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বেপর্দা হওয়া শয়তানের ওয়াসওয়াসাকে সহজ করার মাধ্যম
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলিম শরীফ উনার বিখ্যাত ব্যাখ্যাকার প্রখ্যাত মুহাদ্দিছ হযরত ইমাম নববী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘মুসলিম শরীফ উনার’ টিকায় এবং ইমাম তাহাবী ‘দুররুল মুখতার’ কিতাবের হাশিয়াতে লিখেন-
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ফিক্বাহ বা ফতওয়ার সকল কিতাবেই গান-বাজনা, বাদ্য-যন্ত্র ইত্যাদিকে হারাম ফতওয়া দেয়া হয়েছে
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












