রাওয়া আলোচনা সভায় বক্তারা:
পাহাড়ে বিদ্রোহ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে হবে
, ০৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) তাজা খবর
পাহাড়ে বিদ্রোহ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন হলে সেখানে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি বাড়াতে হবে।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (রাওয়া) হেলমেট হলে আয়োজিত ‘সমস্যা সংকুল পার্বত্য চট্টগ্রাম: শান্তির অন্বেষণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
রাওয়া চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) আবদুল হক বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৪০০ জনের মতো শহীদ হয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামের অখ-তা বজায় রাখার জন্য। আমরা তাদের রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। শান্তি প্রতিষ্ঠা পার্বত্য চট্টগ্রাম দীর্ঘদিনের, আজকের কোনো নতুন সমস্যা নয়, বহুদিনের সমস্যা। এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় যারা সেই অংশটুকু বাংলাদেশের ভবিষ্যতে রাখা যাবে কিনা সন্দেহ আছে। আন্তর্জাতিক চক্রান্তের শিকার, এটা স্বাভাবিক। আন্তর্জাতিক চক্রান্ত, দেশের শত্রুদের চক্রান্ত, তারা করতেই থাকবে, ভবিষ্যতেও করবে। কিন্তু সেটা থেকে বাঁচার জন্য যেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, আমাদের জাতীয় ঐক্য। এই সকল বিষয়ে দল-মত, বর্ণ নির্বিশেষে ছবিটা নিয়ে আসেন। সকলকে একত্রিত হতে হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি অবদান রয়েছে বাংলাদেশ আর্মির উল্লেখ করে এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মাহমুদ হোসেন বলেন, আমি ১৯৮০ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে সাত বছর ফ্লাইং করেছি। তখন আমি দেখেছি বাংলাদেশ আর্মি পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বভৌমত্ব ও অখ-তা বজায় রাখতে কত প্রাণ দিয়েছে, সে কারণে এখনো পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের একটি অংশ হিসেবে রয়েছে। অনেকেই অনেক কথা বলবেন- আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি চাই, আর্মির উপস্থিতি চাই না, কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রাম স্পেশাল প্লেস। এখানে আর্মির কারণেই সার্বভৌমত্ব ও অখ-তা এখনো বজায় রয়েছে।
তিনি বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা তখন ৪০০ ক্যাম্পে ফ্লাইং করেছি। সেই ক্যাম্পের সংখ্যা কোথায় নেমে এসেছে। আমি দেখেছি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহ অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীর বিভাগের লেফটেন্যান্ট ক্যাপ্টেনদের যে ধরনের কমিটমেন্ট ছিল এখন সেই কমিটমেন্ট আছে কিনা আমি জানি না। আগে পাহাড়ের যে ইতিহাস আমাদের পড়ানো হতো সেই ইতিহাস প্রেক্ষাপট এখনো পড়ানো হয় কিনা এটা আমি জানি না। এগুলো দেখার বিষয় আছে। আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ১৯৮০ সাল অথবা ১৯৯০-এর দিকে যে ব্যবস্থাপনা ছিল সেই অর্ডারটা আমাদের এস্টাবলিশ করতে হবে। নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে তাদেরকে বোঝাতে হবে। তাহলে পার্শ্ববর্তী দেশগুলো আর কোনো ষড়যন্ত্র করতে পারবে না। পার্বত্য অঞ্চলে আমাদের যে বাঙালিরা আছে তাদের মধ্যেও তেমন নেতৃত্ব গড়ে উঠতে পারেনি। সেটা গড়ে তুলতে হবে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
জ্বালানি মজুত-চোরাচালান রোধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৪ সপ্তাহ ধরে জুমার নামায বন্ধ আল-আকসায়
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ইরান যুদ্ধে হুতিদের অংশগ্রহণে রুদ্ধ হতে পারে বিশ্ব বাণিজ্যের আরেকটি পথ
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৯ লাখ কোটি টাকার বাজেটের পথে বাংলাদেশ
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
অনিশ্চয়তায় ৩ লাখ চালকের প্রশিক্ষণ
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সেচ সংকটে পুড়ছে বোরো ক্ষেত, ডিজেল না পেয়ে দিশাহারা কৃষক
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
লঞ্চে উপচে পড়া ভিড়, দুর্ঘটনার ঝুঁকি
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল না কেনার অনুরোধ
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও কৌশলগত সম্পদ রক্ষা, বিশ্বসন্ত্রাসী আমেরিকার সাথে গোপন বাণিজ্যচুক্তিসহ দেশবিরোধী সকল চুক্তি বাতিলের দাবিতে সমাবেশ
২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দখলদারদের কোটি কোটি ডলার অর্থব্যয়ে নির্মিত বহু ড্রোন সহজেই বিধ্বস্ত করেছেন যোদ্ধারা
২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
‘ইসরাইলি সন্ত্রাসী সেনাবাহিনী ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে’
২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দেশে গত ১০ দিনে সড়কে ২৭৪ মৃত্যু
২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












