পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মাতৃভূমির মুহব্বত ঈমানের অঙ্গ।
পার্বত্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে কোনভাবেই ‘আদিবাসী’ বলে সম্বোধন করা যাবে না। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী থেকে ‘আদিবাসী’ শব্দটি সুন্দর শুনা গেলেও এ শব্দ উচ্চারণের মধ্যে রয়েছে এক গভীর ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্র হলো পার্বত্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে ‘আদিবাসী’ হিসেবে স্বীকৃতি দিলে বিদেশী ইহুদী, নাছারা, কাফির, মুশরিকরা বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাসমূহকে বিচ্ছিন্ন করে দক্ষিণ সুদান অথবা পূর্ব তিমুরের মত ভিন্ন কোন দেশ বানাতে পারবে।
অতএব, যে সমস্ত উপজাতিগুলো নিজেদেরকে ‘আদিবাসী’ বলে দাবি করছে এবং যারা দেশের দায়িত্বশীল পদে থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে আদিবাসী বলে সম্বোধন করছে বা সমর্থন করছে, তারা অবশ্যই দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এবং তারা দেশদ্রোহী হিসেবেও সাব্যস্ত হয়েছে। উল্লেখ্য, সরকারের জন্য আদিবাসী শব্দের অপব্যবহারে নিরব ভূমিকা পালন করা মোটেই কাম্য নয়। তাই অবিলম্বে অন্তর্বর্তী সরকারকে এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।
, ২২ রবিউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৬ খমীছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৫ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রি:, ৩০ আশ্বিন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী থেকে আদিবাসী শব্দটি সুন্দর শুনা গেলেও আদিবাসী শব্দের মধ্যে রয়েছে এক গভীর ষড়যন্ত্র। কোন জাতিকে আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি দিলে জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী ঐ জাতি জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ ও স্বায়ত্বশাসন চাইতে পারে। গণভোট করে পৃথক দেশের দাবিও তুলতে পারে। উপজাতি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীগুলো বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাগুলোকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে কথিত জুম্মল্যান্ড বা বৃহৎ কুকিচিনের অংশ বানানোর জন্য বৃহৎ বিদ্রোহ শুরু করতে পারে। এর ফলে অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে তিন পার্বত্য জেলা। শুরু হতে পারে বাঙালী মুসলিম গণহত্যা। ঠিক যেভাবে সুদান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দক্ষিণ সুদান এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন করে পূর্ব তিমুর নামক খ্রিস্টান রাষ্ট্র বানানোর হয়েছিলো, ঠিক তেমনি। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বাংলাদেশের আদিবাসী বলে যদি কাউকে দাবি করতে হয়, তবে বাঙালীরাই এই অঞ্চলের প্রকৃত আদিবাসী। কিন্তু ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের আদিনিবাস কখনই এ অঞ্চলে ছিলো না। বরং তারা বিভিন্ন কারণে তাদের আদিনিবাস থেকে অভিবাসন করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এজন্য তাদের আদিবাসী নয় বরং অভিবাসী বলা যায়। যেমন- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসমূহের নামের দিকে তাকালেই স্পষ্ট তাদের আদিনিবাস বাংলা নয়, বরং ভিন্ন কোন অঞ্চল। যেমন- মারমা নৃগোষ্ঠীর আদিনিবাস মায়ানমা বা মায়ানমার, লুসাই নৃগোষ্ঠীর আদিনিবাস ভারতের লুসাই পাহাড়, চাকমা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আদিনিবাস ত্রিপুরার কাছাকাছি চম্পক নগর ইত্যাদি। ভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত অভিবাসীদেরকে তাই আদিবাসী বলে সম্বোধন করা সম্পূর্ণ ভুল হবে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বিশেষভাবে উল্লেখ্য, বাংলাদেশের আইনে পার্বত্য উপজেলার উপজাতিদের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। যা বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৩ (ক) উল্লেখ করা হয়েছে। এ জন্য উপজাতিদের আদিবাসী দাবি করাটাই বাংলাদেশের আইন ও সংবিধান বিরোধী এবং দেশদ্রোহিতার শামিল। তাই দেশের বুকে দাড়িয়ে উপজাতি পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের আদিবাসী শব্দ উচ্চারণ কখনই গ্রহণযোগ্য নয়, বরং মারাত্মক দেশদ্রোহী কাজ বলে প্রমাণিত। তাই অবিলম্বে অন্তর্বর্তী সরকারকে এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী থেকে আদিবাসী শব্দটি সুন্দর শুনা গেলেও এ শব্দ উচ্চারণের মধ্যে রয়েছে এক গভীর ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্র হলো পার্বত্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে ‘আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি দিলে বিদেশী ইহুদী, নাছারা, কাফির, মুশরিকরা বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাসমূহকে বিচ্ছিন্ন করে দক্ষিণ সুদান অথবা পূর্ব তিমুরের মত ভিন্ন কোন দেশ বানাতে পারবে। পার্বত্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে কোনভাবেই আদিবাসী বলে সম্বোধন করা যাবে না। অতএব, কেউ যদি দেশের দায়িত্বশীল পদে থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে আদিবাসী বলে সম্বোধন করে, তবে সে অবশ্যই দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে প্রমাণিত হয়। এবং সে দেশদ্রোহী হিসেবেও সাব্যস্ত হবে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার ফতওয়া অনুযায়ী- ছদকাতুল ফিতরের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে কেবল গম অথবা আটার মূল্যে। সর্বাধিক বিশুদ্ধ মতে, অর্ধ সা’ হচ্ছে ১ সের সাড়ে ১২ ছটাক বা ১৬৫৭ গ্রাম। এ বছর ঢাকা শহরে ভালো আটা ৭০ টাকা কেজি হিসেবে ছদকাতুল ফিতর হলো প্রায় ১১৬ টাকা। এর কম দেয়া যাবে না। তবে ইচ্ছা করলে বেশি দিতে পারবে। দেশের প্রধান খাদ্য দিয়ে ছদকাতুল ফিতর আদায় করা- এটা মূলত বাতিল ফিরক্বা লা-মাযহাবীদের মত।
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা।
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
যে ব্যক্তি পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর থেকে মাহরুম হবে, সে সমস্ত ভালাই অর্থাৎ খায়ের বরকত থেকেই মাহরুম হবে। নাঊযুবিল্লাহ! প্রত্যেক বান্দা-বান্দী ও উম্মতের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশ দিনের বেজোড় রাত্রিগুলোতে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করার লক্ষ্যে ইবাদত-বন্দেগী ও খালিছ তওবা-ইস্তিগফার ও দোয়া-মুনাজাত করা। যা প্রত্যেকের জন্যই ইহকাল ও পরকালে নাযাত লাভের কারণ হবে। সুবহানাল্লাহ!
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশ দিন প্রত্যেক জামে মসজিদে ই’তিকাফ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদায়ে কিফায়া। সুবহানাল্লাহ! এ বছর অর্থাৎ ১৪৪৭ হিজরী সনের ই’তিকাফের জন্য পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার বিশ তারিখ অর্থাৎ আগামীকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সূর্য ডুবার পূর্বেই মসজিদে প্রবেশ করতে হবে এবং পবিত্র শাওয়াল শরীফ মাস উনার চাঁদ উঠার সংবাদ পাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত মসজিদে অবস্থান করতে হবে।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৮ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি সিবতু রসূল আর রবি’ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত খিলাফতী শান মুবারক গ্রহণ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার আয়োজন করা।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বরকতময় বেমেছাল ফযীলতযুক্ত ঐতিহাসিক ১৭ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যে মহাসম্মানিত দিবসে- সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি এই সুমহান দিন হচ্ছেন- মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম জিহাদ পবিত্র বদর জিহাদ দিবস এবং পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে সব সময় শক্ত বদ দুআ করা খাছ সুন্নত মুবারক ও জিহাদ স্বরূপ। ইরান ও ফিলিস্তিনসহ সারা বিশ্বব্যাপী মুসলিম দেশসমূহে পরগাছা ইসরায়েল ও সন্ত্রাসী আমেরিকা কঠিন জুলুম করছে। বর্তমান সময়ে ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে সব সময় শক্ত বদ দুআ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক।
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ১৫ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদু শা’বাবী আহলিল জান্নাহ, সিবতু রসূল আর রবি’, ইমামুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনার সম্মানার্থে এ মহান দিবসে পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ মাহফিলের আয়োজন করা। আর যথাযথভাবে উনাকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক করা।
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার ফতওয়া অনুযায়ী- পবিত্র তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে আদায় করা মাকরূহ তাহরীমী ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ। এ ফতওয়ার উপরই ইজমা বা ঐক্যমত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- পবিত্র তাহাজ্জুদ নামায একাকী আদায় করা এবং মাকরুহ ও বিদয়াতসহ যাবতীয় বদ আমল হতে বিরত থাকা।
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- পবিত্র যাকাত ফরয হওয়ার পরও শরয়ী তারতীব অনুযায়ী যারা পবিত্র যাকাত আদায় করবে না- তাদের খাদ্য হালাল হবে না, ইবাদত কবুল হবে না, ধন-সম্পদ ধ্বংস হবে এবং পরকালে তারা অত্যন্ত কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র যাকাত মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার তৃতীয় বা মধ্যবর্তী ভিত্তি এবং ফরয ইবাদত। সুবহানাল্লাহ!
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রমাদ্বান শরীফ। মালিকুত তামাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেহেতু “সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, মহাসম্মানিত ১২ই শরীফে” মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ মুবারক প্রকাশ করেন। সেহেতু প্রতি আরবী মাসের এ মুবারক আ’দাদ শরীফ বা তারিখটি হচ্ছেন- সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই কুল-কায়িনাতের সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- প্রতি আরবী মাসের মহাসম্মানিত ১২ই শরীফকে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ হিসেবে উদযাপন করা। সুবহানাল্লাহ!
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান পবিত্রতম বরকতময় ১১ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! হযরত আহলু বাইত শরীফ ও হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস কায়িনাতবাসীদের জন্য সুমহান ঈদ বা খুশির দিন। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের উচিত- এ সম্মানিত দিবসে অত্যন্ত জওক-শওক ও শান-শওকতের সাথে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












