পবিত্র সূরা কাওছার শরীফ উনার বরকতময় শানে নুযূল বা অবতীর্ণের কারণ
, ০৫ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১০ সাবি’, ১৩৯২ শামসী সন , ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৪ খ্রি:, ২৩ অগ্রহায়ণ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
‘পবিত্র সূরা কাওছার শরীফ’ উনার বরকতময় শানে নুযূলে বলা হয়, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চারজন আবনা (ছেলে) ও চারজন বানাত (মেয়ে) আওলাদ আলাইহিমুস সালাম ছিলেন। কোন কোন বর্ণনায় রয়েছে, ইবনু রসূল হযরত আন নূরুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি যখন বিছাল শরীফ গ্রহণ করেন।
তবে বিশুদ্ধ বর্ণনায় বর্ণিত রয়েছে, ইবনু রসূল হযরত আন নূরুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম, ইবনু রসূল হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম, ইবনু রসূল হযরত আন নূরুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনারা যখন বিছাল শরীফ লাভ করেন তখন আবূ জাহিল, আবূ লাহাব, আস বিন ওয়ায়িল, কা’ব, উতবা, কা’ব বিন আশরাফ ইত্যাদি অনেক কুরাঈশ ও ইয়াহূদীরা নানা চু-চেরা ও ক্বীল-ক্বাল করেছিল যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বংশধর কেউ থাকলেন না। কাজেই উনাকে কে স্মরণ করবেন? উনার বিষয়গুলি কে প্রচার করবেন? এর পরিপ্রেক্ষিতে মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘পবিত্র সূরা কাওছার শরীফ’ নাযিল করেন। প্রকৃতপক্ষে মহান আল্লাহ পাক তিনি এই ‘পবিত্র সূরা কাওছার শরীফ’ নাযিল করে প্রশ্নের জাওয়াব দিয়ে জানিয়ে দিলেন যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বংশ মুবারক ও উনার দ্বীন মুবারক ক্বিয়ামত পর্যন্ত জারি থাকবে। সুবহানাল্লাহ! আর যারা বিরোধিতা করবে তারাই অবশ্যই নির্বংশ হয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ!
ইবরত ও নছীহত মুবারক
অতএব, প্রত্যেক উম্মতের দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো- তারা যেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যথাযথ তা’যীম-তাকরীম ও সম্মান মুবারক করে, যথাসাধ্য খিদমত মুবারক করে এবং সাধ্য-সামর্থ্য অনুযায়ী শুকরিয়া মুবারক আদায় করে, তাহলেই তারা কামিয়াবী হাছিল করতে পারবে। এই তা’যীম-তাকরীম মুবারক, সম্মান মুবারক, খিদমত মুবারক ও শুকরিয়া মুবারক যথাযথ আদায় করতে হলে রূহানী কুওওয়াত মুবারক হাছিল করতে হবে। আর রূহানী কুওওয়াত মুবারক হাছিল করতে হলে হক্কানী-রব্বানী শায়খ উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে ক্বল্বী যিকির ও ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করার মাধ্যমে ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক হাছিল করতে হবে। (তাফসীরে কবীর শরীফ, তাফসীরে ইবনে জারীর তাবারী শরীফ, তাফসীরে ইবনে কাছীর শরীফ, তাফসীরে মুনীর শরীফ, তাফসীরে খাযিন শরীফ, তাফসীরে বাগবী শরীফ, তাফসীরে মুয়ালিম শরীফ, তাফসীরে আমীনিয়া শরীফ, তাফসীরে জামিউল বয়ান শরীফ, তাফসীরে আযীযী শরীফ, তাফসীরে দুররে মনছূর শরীফ, তাফসীরে রূহুল মায়ানী শরীফ, তাফসীরে রূহুল বয়ান শরীফ, তাফসীরে হুসাইনী শরীফ, তাফসীরে আবী সউদ শরীফ, তাফসীরে জালালাইন শরীফ, বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, আবূ দাঊদ শরীফ, নাসায়ী শরীফ, মিশকাত শরীফ, মিরকাত শরীফ ইত্যাদি)
এই লেখাটা উপরে দিবেন, ধারাবাহিক জীবনী মুবারক মাঝখানে দিবেন
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১০)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত আশূরা শরীফ উনাকে যারা সম্মান করবে তাদের জন্য-
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী (১)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পৃথিবীকে পরিবর্তন করার চেয়ে নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিষয় কেবল তিনটি অবস্থায়ই জানা যায়।
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠে অনন্য তাজদীদ মুবারক (৪)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












