নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা চাঁদ দেখে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার রোযা রাখো এবং চাঁদ দেখে ঈদ পালন করো। আর যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় তোমরা চাঁদ দেখতে না পাও তবে পবিত্র শা’বান শরীফ মাস ৩০ দিনে পূর্ণ করো।”
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস হচ্ছেন শাহরুন আযীম অর্থাৎ মহাসম্মানিত মাস। সম্মানিত শরীয়ত উনার নির্দেশ মুবারক অনুযায়ী খালি চোখে চাঁদ তালাশ করে বা দেখে সঠিক তারিখে মাস শুরু করার মধ্য দিয়েই শুরু হবে এ মাস উনার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন। সুতরাং সউদী আরবসহ বিশ্বের সকল মুসলমান দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- মনগড়া নিয়ম পরিহার করে সম্মানিত শরীয়ত উনার নির্দেশ মুবারক অনুযায়ী খালি চোখে চাঁদ দেখে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসসহ প্রতিটি আরবী মাস শুরু করা।
, ২৮ শাবান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৯ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ০৪ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
সঠিক তারিখে ও সঠিক নিয়মে চাঁদ তালাশ করে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস শুরু করার জন্য নসীহত শরীফ প্রদান কালে তিনি উপরোক্ত ক্বওল শরীফ পেশ করেন।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মাস। মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল হওয়ার মাস। পবিত্র ফরয রোযা, পবিত্র সাহরী ও পবিত্র ইফতারি উনার মাস। পবিত্র তারাবীহ নামায আদায়ের মাস। পবিত্র ই’তিকাফ করার মাস। পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর উনার মাস। পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত ও খতম করার বিশেষ মাস। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত লাভের খাছ মাস। তাক্বওয়া অর্জনের মাস। ধৈর্য ও সহানুভূতির খাছ মাস। মু’মিন-মুসলমান উনাদের রিযিক বৃদ্ধির মাস। নেক আমল বৃদ্ধি হওয়ার মাস। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এ মহাসম্মানিত মাসে একটি নফল আদায় অন্য মাসের একটি ফরয আদায়ের সমান এবং এ মহাসম্মানিত মাসে একটি ফরয পালন অন্য মাসের সত্তরটি ফরয পালনের সমান। এ সম্মানিত মাস এত ফযীলতপূর্ণ যে, এ মহাসম্মানিত মাসে রোযা পালনকারীগণ উনাদের নিদ্রাযাপন ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত, উনাদের চুপ করে থাকাটা তাসবীহ পাঠের শামিল, উনাদের আমলগুলি বহুগুণে বৃদ্ধি করা হয় এবং উনাদের প্রত্যেকটি দুআ কবুল করা হয়। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তাই প্রত্যেক ঈমানদার মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জিন-ইনসান উনাদের উচিত- এ ফযীলত, রহমত, মাগফিরাত, নাজাত ও বরকতে পরিপূর্ণ মাহে রমাদ্বান শরীফ উনার যথাযথ সম্মান ও হক্ব আদায় করা অর্থাৎ রোযা রাখা, পাঁচ ওয়াক্ত নামায বাজামায়াত যথারীতি আদায় করা, অধীনস্তদের কার্যভার লাঘব করে দেয়া, পবিত্র ইফতার করা ও করানো, আহার করানো, পবিত্র তারাবীহ ও পবিত্র তাহাজ্জুদ নামায পড়া, পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা, পবিত্র সাহরী খাওয়া, শেষ দশ দিনে বিজোড় রাতসমূহে সজাগ থেকে ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করা, পবিত্র ই’তিকাফ করা এবং পবিত্র যাকাত ও পবিত্র ছদাকাতুল ফিতর আদায় করা। পাশাপাশি মিথ্যা, গীবত, চোগলখুরী, ঝগড়া-বিবাদ, চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই, মারামারি, খুন-খারাবি, গালিগালাজ, অশ্লীল-অশালীন, বেপর্দা-বেহায়াপনা, ছবি, টিভি, সিনেমা, গানবাজনা, খেলাধুলা ইত্যাদি শরীয়তবিরোধী সর্বপ্রকার কাজ থেকে বিরত থেকে তাক্বওয়া অর্জন করা।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বিধর্মীরা তাদের পণ্যদ্রব্যগুলো মুসলমানদের দেশে বিক্রি করে তার লভ্যাংশ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যয় করে। নাউযুবিল্লাহ! যার সাক্ষাত প্রমাণ হচ্ছে- পরগাছা ইহুদীবাদী সন্ত্রাসী ইসরাইলের কর্মকাণ্ড। তাই প্রত্যেক মুসলমান ও মুসলিম দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে, বিধর্মীদের বিশেষ করে পরগাছা ইসরাইলের সর্বপ্রকার পণ্য ক্রয়-বিক্রয় থেকে বিরত থাকা। তাদের সাথে সর্বপ্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করা, তাদেরকে বর্জন করা।
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র আক্বীদা শুদ্ধ করার মাস হচ্ছে ‘পবিত্র ছফর শরীফ মাস’। সুবহানাল্লাহ! যার আক্বীদা শুদ্ধ সেই মু’মিন বা মুসলমান। আর যার আক্বীদা শুদ্ধ নয়, সে কস্মিনকালেও মু’মিন ও মুসলমান হিসেবে গণ্য হবে না। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে, অশুভ, কুলক্ষণ ইত্যাদি বিশ্বাস করা এবং কোনো মাস, দিন ও সময়কে খারাপ বলা কুফরী-শিরকীর অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ কুফরী আক্বীদার অন্তর্ভুক্ত। নাঊযুবিল্লাহ!
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার মহাসম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও বরকতময় ৬ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! ১৩ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জিন-ইনসানসহ সকল মাখলুকাতের জন্যই শুধু সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসেই নয়; বরং সারা বছর অর্থাৎ দায়িমীভাবে অনন্তকালব্যাপী- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বা জীবনী মুবারক জানা ও বেশি বেশি সর্বত্র আলোচনা করা এবং প্রতিক্ষেত্রে উনাকে পরিপূর্ণরূপে অনুসরণ-অনুকরণ করার মাধ্যমে সম্মানিত সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা ফরয।
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় ৩রা ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল হাদিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই এ সুমহান দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনাদেরকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনাদের যথাযথ গোলামী মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য।
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার ৩, ৫, ৬, ৭, ১২, ২৪, ২৭ এবং ২৮ তারিখ সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই, এই বিশেষ দিবসসমূহ যথাযথ তা’যীম, তাকরীম, জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপন করার জন্য এখন থেকেই সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য।
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা সকলের জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ!
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ পবিত্র ২৯শে মুহররম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! দ্বাদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, রঈছুল মুহাদ্দিছীন, হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“তোমরা ওই ব্যক্তিকে অনুসরণ করো না, যার ক্বলব বা অন্তর আমার যিকির থেকে গাফিল অর্থাৎ যার ক্বলবে আমার যিকির জারী নেই। সে নফসকে (শয়তানকে) অনুসরণ করে তাই তার কাজগুলো (আমলগুলো) সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ। নাউযুবিল্লাহ! প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- একজন হক্কানী-রব্বানী শায়খ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে তরীক্বা অনুযায়ী যিকির করতঃ ক্বলবে যিকির জারী করা।
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে মহাপবিত্র ইজমা শরীফ হয়েছে যে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে যে দেশে, যে এলাকায় বা অঞ্চলে ও যে স্থানে খুশি প্রকাশ করে- পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা হয়, খাদ্যের আয়োজন করা হয়; দান-ছদক্বা করা হয়, সে এলাকা মহামারি, খাদ্যাভাব, অগ্নিকা-, বন্যা, পানিচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্পসহ সর্বপ্রকার খোদায়ী আযাব-গযব ও বালা-মুছীবত থেকে রক্ষা পায় এবং সে এলাকায় বিশেষ রহমত, বরকত, সাকীনা নাযিল হয়।’ সুবহানাল্লাহ!
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












