নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পশু-পাখিদের মহব্বত ও সম্মান প্রদর্শনের কিছু নমুনা (৭)
, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকের আঞ্জাম দেয়ার জন্য সমস্ত কায়িনাত, হাজারাত, শাজারাত, জিন-ইনসান, বনের পশু-পাখি সকলেই ব্যাকুল ছিলো। হযরত কারামত আলী জৈনপুরী রহমতুল্লাহি তিনি উনার ‘আল বারাহীনুল ক্বতইয়্যিাহ’ কিতাবে ‘মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়াহ’ কিতাবের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের পর গাইব হতে নেদা হলো এই মুক্তা দানা সদৃশ্য একক মর্যাদা মুবারক উনার অধিকারী মহান বালক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতিপালন কে করবে? তখন পাখিরা বললো-
نَحْنُ نَكْفُلُهُ وَنَغْنَمُ خِدْمَتَهُ الْعَظِيمَةَ غَنَمًا
‘আমরা উনার দায়িত্বভার গ্রহণ করবো এবং উনার মহান খেদমত মুবারক করার সুযোগকে পরম সৌভাগ্য ও বিরাট অর্জন হিসেবে মনে করবো।’
আর পশুরা বললো-
نَحْنُ اَوْلَى بِذَالِكَ نَنَالُ شَرفَهُ وَتَعْظِيْمَهُ نَيْلًا
‘আমরাই উনার খিদমত মুবারকে আঞ্জাম দেয়ার অধিক হক্বদার। কাজেই আমরাই এই মহান বুজূর্গী ও সম্মান প্রাপ্ত হবো।’
তখন পুনরায় গাইবী নেদা হলো, হে সমস্ত সৃষ্টিকুল তোমরা জেনে রাখো! মহান আল্লাহ পাক তিনি পূর্বেই লিখে রেখেছেন, উনার মহাসম্মানিত নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত দুধমাতা হবেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বায়াহ আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম (সাইয়্যিদাতুনা হযরত হালীমাহ সা’দিয়াহ আলাইহাস সালাম) তিনি। অর্থাৎ তিনিই উনার খিদমত মুবারকে আঞ্জাম দিবেন। সুবহানাল্লাহ!
পরবর্তী সময়েও গাছ-পালা, পশু-পাখী, পাথর ইত্যাদি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বিভিন্নভাবে সম্মান প্রদর্শন করেছে, উনাকে তা’যীম-তাকরীম করেছে, মহাসম্মানিত রেসালাত মুবারক উনার সাক্ষ্য প্রদান করেছে। এখানে কতিপয় ওয়াক্বেয়াহ বর্ণনা করা হলো।
গুই সাপের যবানে সম্মানিত রেসালাত মুবারক উনার সাক্ষ্য প্রদান:
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার সম্মানিত পিতা সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার থেকে গুইসাপের ঘটনা বর্ণনা করেছেন। (মূল ঘটনা হলো:) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের একটি মাহফিলে অবস্থান মুবারক করছিলেন। এমন সময় বনূ সুলাইম-এর এক বেদুঈন একটি গুইসাপ শিকার করে আগমন করল। সে গুইসাপটিকে তার জামার হাতার মধ্যে রেখে, তার গৃহস্থালির (বাড়ির) দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে সে একটি মজলিস দেখতে পেল।
মজলিস দেখে সে জানতে চাইলো, এই মজলিস কার জন্য? উপস্থিত লোকজন বলল, এই মজলিস সেই মহাসম্মানিত ব্যক্তিত্ব মুবারক উনার জন্য, যিনি দাবি করেন যে তিনি একজন মহাসম্মানিত নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তখন লোকজন তার জন্য পথ ছেড়ে দিল। অতঃপর সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনে এসে উনার সম্মানিত নাম মুবারক ধরে সম্বোধন করে বলল, মহিলারা আপনার চেয়ে অধিক অসত্যবাদী এবং অধিক অপছন্দনীয় ভাষণ দানকারী কাউকে গর্ভে ধারণ করেনি। আপনি আমার নিকট সর্বাধিক অপছন্দনীয় ব্যক্তি। যদি আমার সম্প্রদায় আমাকে তাড়াহুড়াকারী বলে আখ্যায়িত না করত, তবে আমি এখনই আপনার উপর ঝাঁপিয়ে পড়তাম, আপনাকে শহীদ করতাম। আর আপনাকে শহীদ করার মাধ্যমে সমস্ত মানুষকে আনন্দিত করতাম। নাঊযুবিল্লাহ!
তখন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমাকে অনুমতি দিন, আমি তাকে হত্যা করি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনার কি জানা নেই, সহনশীল ব্যক্তি হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিকটবর্তী। অতঃপর বেদুঈন ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে ফিরে বললো, লাত এবং উযযার ক্বসম! আমি অবশ্যই আপনার প্রতি ঈমান আনবো। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন. হে বেদুঈন! ইতিপূর্বে তুমি কী ধারণা পোষণ করেছিলে? তুমি এমন এমন কথা কেন বললে, মিথ্যা কথা কেন বললে এবং আমার মজলিসকে কেন অসম্মান করলে?
বেদুইন ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে বলল, আপনি কি আমার সাথে কথাও বলছেন? এরপর সে বলল, লাত ও উযযার ক্বসম! আমি আপনার প্রতি ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমান আনব না, যতক্ষণ না এই গুইসাপ আপনার প্রতি ঈমান আনে। অতঃপর সে তার জামার আস্তিন থেকে গুইসাপটিকে বের করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনে পেশ করল এবং বলল, যদি এই গুইসাপ আপনার প্রতি ঈমান আনে, তবে আমিও আপনার প্রতি ঈমান আনব। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, হে গুইসাপ! তখন গুইসাপটি সুস্পষ্ট আরবি ভাষায় কথা বলল, যা উপস্থিত সকল লোক বুঝতে পারছিল। (গুইসাপটি বললো,) লাব্বাইক ওয়া সা’দাইক হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাকে বললেন, (مَنْ تَعْبُدُ) অর্থাৎ তুমি কার ইবাদত কর?
সে বলল-
الَّذِي فِي السَّمَاءِ عَرْشُهُ وَفِي الْأَرْضِ سُلْطَانُهُ وَفِي الْبَحْرِ سَبِيلُهُ وَفِي الْجَنَّةِ رَحْمَتُهُ وَفِي النَّارِ عَذَابُهُ
‘আমি সেই মহান সত্তা উনার ইবাদত করি, যার আরশ আসমানে, যার কর্তৃত্ব পৃথিবীতে, যার পথ সমুদ্রে, যার রহমত জান্নাতে এবং যার শাস্তি জাহান্নামে।’
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন-
فَمَنْ أَنَا يَا ضَبُّ
‘আমি কে হে গুইসাপ?
সে বলল-
أَنْتَ رَسُولُ رَبِّ الْعَالَمِينَ وَخَاتَمُ النَّبِيِّينَ قَدْ أَفْلَحَ مَنْ صَدَّقَكَ وَقَدْ خَابَ مَنْ كَذَّبَكَ
‘আপনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত রসূল এবং সর্বশেষ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। যে আপনাকে সত্য বলে গ্রহণ করবে, সে কামিয়াবী লাভ করবে এবং যে আপনাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করবে, সে ব্যর্থ হবে।’
তখন বেদুঈন ব্যক্তি বলল-
أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّكَ رَسُولُ اللَّهِ حَقًّا
‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই এবং আপনি মহান আল্লাহ পাক উনার সত্য রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।’ মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! আমি আপনার কাছে যখন এসেছিলাম, তখন পৃথিবীর বুকে আপনার চেয়ে অধিক অপছন্দনীয় আমার কাছে কেউ ছিল না। আর এখন এই মুহূর্তে আপনি আমার নিজের প্রাণ এবং আমার পিতা-মাতার চেয়েও অধিক প্রিয় হয়ে গেছেন। আপনার প্রতি আমার চুল, আমার চামড়া, আমার অন্তর-বাহির এবং আমার প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সবকিছু ঈমান এনেছে।
তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, সকল প্রশংসা মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য, যিনি আপনাকে সেই সম্মানিত দ্বীন উনার দিকে পরিচালিত করেছেন, যা সর্বদা বিজয়ী হন এবং যার উপর অন্য কিছু বিজয়ী হতে পারে না। সুবহানাল্লাহ! (আল মু’জামুছ ছগীর লিত্ব ত্ববারানী ২/১৫৩)
-মুহম্মদ ইমামুল হুদা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তারীখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ উনাকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ বিষয়ে আপত্তি ও তার খন্ডনমূলক জবাব (৭)
২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের কতিপয় বেমেছাল মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খুছূছিয়াত মুবারক (১)
২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (৭৪)
২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তারীখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ উনাকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ বিষয়ে আপত্তি ও তার খন্ডনমূলক জবাব (৬)
২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের হাক্বীক্বী মুহব্বত-মা’রিফত, নিসবত-কুরবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক ব্যতীত, কেউ কস্মিনকালেও মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের হাক্বীক্বী মুহব্বত-মা’রিফত, নিসবত-কুরবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে পারবে না (৫)
২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (৭৩)
২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তারীখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ উনাকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ বিষয়ে আপত্তি ও তার খন্ডনমূলক জবাব (৫)
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের হাক্বীক্বী মুহব্বত-মা’রিফত, নিসবত-কুরবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক ব্যতীত, কেউ কস্মিনকালেও মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের হাক্বীক্বী মুহব্বত-মা’রিফত, নিসবত-কুরবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে পারবে না (৪)
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (৭২)
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












