পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সাবধান! যে ব্যক্তি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত মুহব্বত মুবারক-এ ইন্তেকাল করবেন, উনাকে এমনভাবে সুসজ্জিত করে জান্নাতে নেয়া হবে, যেমনভাবে কনেকে সাজিয়ে তার স্বামীর ঘরে নেয়া হয়।”
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সিবতুন (নাতি) আলাইহিমুস সালাম এবং সিবত্বাতুন (নাতনী) আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব। অতএব, প্রত্যেক ঈমানদার পুরুষ ও মহিলা সবার দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সিবতুন (নাতি) আলাইহিমুস সালাম এবং সিবত্বাতুন (নাতনী) আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে সর্বাধিক মুহব্বত করা এবং উনাদের প্রতি বিশুদ্ধ হুসনে যন পোষণ করা।
, ১৫ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৪ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ২১ চৈত্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হযরত বানাত (মেয়ে) আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার এবং আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার আওলাদ আলাইহিমুস সালাম ও আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন হাফাদাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সিবতুন (নাতি) আলাইহিমুস সালাম এবং সিবত্বাতুন (নাতনী) আলাইহিন্নাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! উনারা সর্বমোট ১০ জন। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমে বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন ৩ জন। উনারা হলেন- (১) সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আল ঊলা আলাইহাস সালাম (সাইয়্যিদাতুনা হযরত উমামাহ আলাইহাস সালাম) আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মি’রাজ শরীফ সংঘটিত হওয়ার পরের দিন পবিত্র ২৮শে রজবুল হারাম শরীফ ইয়াওমুছ ছুলাছা শরীফ (মঙ্গলবার) বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
আর তিনি ৪৫ হিজরীর পবিত্র ২৭শে ছফর শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (ইয়াওমুল ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ বা সোমবার) পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি দুনিয়ার যমীনে ৪৫ বছর ৬ মাস ২৯ দিন অবস্থান মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ!
(২) সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আলী ইবনে আবুল আছ ইবনে রবী’ আলাইহিস সালাম) তিনি হিজরত মুবারক উনার ১৩ মাস ১৬ দিন পূর্বে তথা ১ বছর ১ মাস ১৬ দিন পূর্বে পবিত্র ২৬শে মুহররমুল হারাম শরীফ ইয়াওমুল খমীস শরীফ (বৃহস্পতিবার) বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
আর তিনি ১৫ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ১০ই রজবুল হারাম শরীফ ইয়াওমুল আহাদ শরীফ (রোববার) সম্মানিত ইয়ারমূক জিহাদের ময়দানে পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি দুনিয়ার যমীনে ১৫ বছর ৫ মাস ১৪ দিন অবস্থান মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ!
(৩) সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছালিছ আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম ইবনে আবুল আছ ইবনে রবী’ আলাইহিস সালাম) তিনি ২য় হিজরীর পবিত্র ১৮ই শাওওয়াল শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (ইয়াওমুল ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ বা সোমবার) পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করা অবস্থায় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমে বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন ১ জন। তিনি হলেন-
(৪) সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আব্দুল্লাহ ইবনে যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পবিত্র নুবুওওয়াত মুবারক প্রকাশের ১২ তম বছর উনার শুরুতে পবিত্র ৫ই রবীউছ ছানী শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (ইয়াওমুল ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ বা সোমবার) হাবশায় পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
আর তিনি ৪র্থ হিজরীর পবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ ইয়াওমুল আরবিয়া’ শরীফ (বুধবার) পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি দুনিয়ার যমীনে ৬ বছর ১ মাস ১৭ দিন অবস্থান মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমে বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন ৬ জন। উনারা হলেন-
(৫) সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আর রবি’ আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম) তিনি ৩য় হিজরীর পবিত্র ১৫ই রমাদ্বান শরীফ ইয়াওমুল আরবিয়া শরীফ (বুধবার) বা’দ আছর পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
আর তিনি ৪৯ হিজরীর ২৮শে ছফর শরীফ ইয়াওমুল জুমুয়াহ শরীফ ভোর রাত্রে ফজরের আগে তাহাজ্জুদের শেষ সময় পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি দুনিয়ার যমীনে ৪৫ বছর ৫ মাস ১৩ দিন অবস্থান মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ!
(৬) সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আল খ¦মিস আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম) তিনি ৪র্থ হিজরীর পবিত্র ৫ই শা’বান শরীফ ইয়াওমুল জুমুয়াহ শরীফ বাদ আছর পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
আর তিনি ৬১ হিজরীর পবিত্র ১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ ইয়াওমুল জুমুয়াহ শরীফ যোহরের সময় পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি দুনিয়ার যমীনে ৫৬ বছর ৫ মাস ৫ দিন অবস্থান মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, (৭) সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম (সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাইনাব বিনতে কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহাস সালাম) তিনি ৫ম হিজরীর পবিত্র ৫ই জুমাদাল ঊলা শরীফ ইয়াওমুল জুমুয়াহ শরীফ পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
আর তিনি ৬৫ হিজরীর পবিত্র ১৫ই রজবুল হারাম শরীফ ইয়াওমুস সাব্ত শরীফ (শনিবার) পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করে। সুবহানাল্লাহ! তিনি দুনিয়ার যমীনে ৬০ বছর ২ মাস ১০ দিন অবস্থান মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ!
(৮) সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম (সাইয়্যিদাতুনা হযরত রুক্বইয়্যাহ বিনতে কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহাস সালাম) তিনি ৬ষ্ঠ হিজরীর পবিত্র ২০শে জুমাদাল ঊখরা শরীফ ইয়াওমুল জুমুয়াহ শরীফ পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
আর তিনি ৬ষ্ঠ হিজরীর পবিত্র ২৯শে জুমাদাল ঊখরা শরীফ ইয়াওমুল আহাদ শরীফ (রোববার) পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি দুনিয়ার যমীনে ৯ দিন অবস্থান মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, (৯) সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আর রবি’য়াহ আলাইহাস সালাম (সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু কুলছূম বিনতে কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহাস সালাম) তিনি ৭ম হিজরীর ১০ই সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ (রবীউল আউওয়াল শরীফ) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (ইয়াওমুল ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ বা সোমবার) পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
আর তিনি ৭৩ হিজরীর পবিত্র ১৪ই শাওওয়াল শরীফ ইয়াওমুল আরবিয়া শরীফ (বুধবার) পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি দুনিয়ার যমীনে ৬৬ বছর ৭ মাস ৪ দিন অবস্থান মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ!
(১০) সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আস সাদিস আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মুহসিন ইবনে কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম) তিনি ৯ম হিজরীর ৯ই সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ (রবীউল আউওয়াল শরীফ) ইয়াওমুছ ছুলাছা শরীফ (মঙ্গলবার) পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
আর তিনি ৯ম হিজরীর ২০শে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ (রবীউল আউওয়াল শরীফ) ইয়াওমুস সাব্ত শরীফ (শনিবার) পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি দুনিয়ার যমীনে ১১ দিন অবস্থান মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সিবতুন (নাতি) আলাইহিমুস সালাম এবং সিবত্বাতুন (নাতনী) আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব। অতএব, প্রত্যেক ঈমানদার পুরুষ ও মহিলা সবার দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সিবতুন (নাতি) আলাইহিমুস সালাম এবং সিবত্বাতুন (নাতনী) আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে সর্বাধিক মুহব্বত করা এবং উনাদের প্রতি বিশুদ্ধ হুসনে যন পোষণ করা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র সুন্নত মুবারক উনাদের মাঝেই সর্বোত্তম তাক্বওয়া। যিনি যত বেশি পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি তত বেশি মর্যাদা বা সম্মানের অধিকারী হবেন। সুবহানাল্লাহ! কাজেই জিন-ইনসানরা যদি মহান আল্লাহ পাক উনার অসন্তুষ্টি থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় এবং কাফির-মুশরিকদের যুলুম-নির্যাতন থেকে বাঁচতে চায়, তাহলে তাদের জন্য ফরয হলো- সর্বাবস্থায় সম্পূর্ণরূপে পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনে মশগুল হয়ে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিক্বামত হওয়া এবং কাফির তথা ইহুদী, মুশরিক, বৌদ্ধ, মজুসী, নাছারা, বেদ্বীন, বদদ্বীন, ফাসিক-ফুজ্জারদের অনুসরণ ও অনুকরণ থেকে পরিপূর্ণরূপে বিরত থাকা।
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নামায অস্বীকার করা কুফরী এবং নামায না পড়া চরম নাফরমানী ও ফাসিকী। স্বেচ্ছায় নামায তরককারী ব্যক্তি জাহান্নামে কঠিন আযাবের সম্মুখীন হবে। নাউযুবিল্লাহ! তাই, মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রতিদিন প্রতি ওয়াক্ত নামায অত্যাধিক গুরুত্ব দিয়ে ইখলাছের সাথে সময়মত আদায় করা।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই। বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী। তাই, মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রত্যেক অবস্থায় এবং দায়িমীভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর ইস্তিকামত থাকা এবং বিধর্মীদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা থেকে আন্তরিকভাবে দূরে থাকা। তাদের সাথে কোন ধরণের বন্ধুত্ব না করা।
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নসবনামাহ মুবারক দৈনিক পাঠ করা সকলের জন্য আবশ্যক। কাজেই, প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো, প্রতিদিন অন্তত একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বরকতময় পবিত্র নসবনামাহ মুবারক অত্যন্ত মুহব্বত ও তা’যীম-তাকরীমের সাথে পাঠ করা।
০৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে হাক্বীক্বীভাবে মুহব্বত করা ব্যতীত কেউ কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না। তাই, সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের জন্য ফরযে আইন হচ্ছেন- হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সমস্ত কিছু থেকে; এমনকি নিজের জীবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত করা, উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্ মুবারক এবং সর্বোত্তম হুসনে যন বা সুধারণা পোষণ করা।
০৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই। বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী। তাই, মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রত্যেক অবস্থায় এবং দায়িমীভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর ইস্তিকামত থাকা এবং বিধর্মীদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা থেকে আন্তরিকভাবে দূরে থাকা। তাদের সাথে কোন ধরণের বন্ধুত্ব না করা।
০৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বর্তমানে মুসলমানরা যে সারাবিশ্বে ইহুদী-নাছারাদের দ্বারা যুলুম ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তার একটাই কারণ- মুসলমানরা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। নাঊযুবিল্লাহ! অতএব, সমস্ত মুসলমান পুরুষ-মহিলা জ্বীন-ইনসান সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ়চিত্ত থাকা এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হওয়া।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পরকালের তুলনায় দুনিয়াবী সম্পদ অতি সামান্য। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- দুনিয়ার পিছনে না ঘুরে পরকালের দিকে মনোনিবেশ করা। এ জন্য তাক্বওয়া বা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করা। আর এটা তখনই সম্ভব হবে যখন মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত মুবারকের ইত্তেবা বা অনুসরণ করা হবে। অর্থাৎ পবিত্র সুন্নত মুবারক মুতাবিক জীবন পরিচালনা করতে হবে।
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- দুনিয়া পরিত্যাগ করে সম্মানিত শরীয়ত নির্দেশিত তারতীব অনুযায়ী দায়েমীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাছিলের কোশেশ করা।
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার রাতে দোয়া সুনিশ্চিতভাবে ক্ববুল হয়। প্রত্যেক মুসলমানের দ্বায়িত্ব-কর্তব্য হলো- ঈদুল আদ্বহা উনার রাত্রি জাগ্রত থেকে ইবাদত-বন্দেগী, তাসবীহ-তাহলীল, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, দরুদ শরীফ, মীলাদ শরীফ পাঠ ও বেশি বেশি দোয়া করা।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
তাকবীরে তাশরীক পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত প্রতি ফরয নামাযের পর একবার পাঠ করা ওয়াজীব, ৩ বার পাঠ করা মুস্তাহাব। প্রত্যেক মুসলমানের দ্বায়িত্ব-কর্তব্য হলো- পবিত্র ৯ই যিলহজ্জ শরীফ বা ইয়াওমুল আরাফাহ তথা আরাফার দিন ফজর হতে পবিত্র ১৩ই যিলহজ্জ শরীফ আছর পর্যন্ত প্রতি ফরয নামাজের পর শরঈ তারতীব অনুযায়ী তাকবীরে তাশরীক পাঠ করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ্ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ সন্তুষ্টি মুবারক, বারাকাত, ফুয়ুজাত, নিয়ামত, রহ্মত, মাগফিরাত এবং নাযাত লাভ করার কোশেশ করা।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে প্রসারিত করেন তাকেই হিদায়েত দান করেন। কিভাবে হিদায়েত লাভ করা যাবে আর কি কারণে হিদায়েত থেকে মাহরূম হয়ে যাবে সে বিষয়ে হাক্বীক্বী ইলম হাছিল করতে হলে কামিল শায়েখ বা আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার ব্যতীত কারো জন্য কোন বিকল্প নেই।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












