নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানিকারীর একমাত্র শরঈ শাস্তি হচ্ছে ‘মৃত্যুদন্ড’ (১০)
, ১১ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৩ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ০১ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ১৭ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
কাট্টা কাফির আবূ রফেকে হত্যা:
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
“হযরত বারা’ ইবনে আযিব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আতীক রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে দায়িত্ব দিয়ে উনার সাথে কয়েকজন হযরত আনছার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে ইহুদী আবূ রফেকে (শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড দেয়ার) উদ্দেশ্যে প্রেরণ করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এই ইহুদী আবূ রফে কষ্ট দিতো এবং এই ব্যাপারে লোকদের সহযোগিতা করতো। হিজায ভূমিতে তার একটি দুর্গ ছিলো, (সে ঐ দুর্গে বসবাস করত)। উনারা যখন তার দুর্গের কাছে গিয়ে পৌঁছলেন, তখন সূর্য ডুবে গিয়েছে এবং লোকজন নিজেদের পশু পাল নিয়ে রওয়ানা হয়েছে। (তারা সারা দিন দুর্গের বাহিরে পশু পাল চরিয়ে সন্ধ্যায় নিজ নিজ বাড়ির দিকে যাচ্ছে।) হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আতীক রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি উনার সাথে যে সকল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা ছিলেন উনাদেরকে বললেন, ‘আপনারা আপনাদের স্থানে বসে থাকুন। আমি যাচ্ছি, দ্বাররক্ষীর সাথে আমি (কিছু) কৌশল প্রদর্শন করবো যেন অবশ্যই ভিতরে প্রবেশ করতে পারি। এরপর তিনি সামনের দিকে এগিয়ে গিয়ে দরজার কাছে পৌঁছলেন এবং কাপড় দ্বারা নিজেকে এমনভাবে ঢাকলেন যেন তিনি হাজত (প্রাকৃতিক প্রয়োজনে) রত আছেন। তখন সবাই ভিতরে প্রবেশ করলে দ্বাররক্ষী উনাকে ডেকে বললো, ‘হে আব্দুল্লাহ (মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দা), ভিতরে প্রবেশ করতে চাইলে প্রবেশ করুন। আমি এখনই দরজা বন্ধ করে দিতে চাই।’ তখন আমি ভিতরে প্রবেশ করলাম এবং আত্মগোপন করে থাকলাম। সকলে ভিতরে প্রবেশ করার পর সে দরজা বন্ধ করে দিল এবং একটি পেরেকের সাথে চাবিগুলো লটকিয়ে রাখল। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আতীক রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন, এরপর আমি চাবিগুলোর দিকে এগিয়ে গেলাম এবং চাবিগুলো নিয়ে দরজা খুললাম। আবূ রফের নিকট রাতের বেলা (নিয়মিত) গল্পের (গান-বাজনা, নর্তকী ও শরাবের) আসর জমতো। এই সময় সে তার উপর তলার কামরায় অবস্থান করতো। প্রতিদিনের ন্যায় যখন ঐ দিনও গল্পের আসর শেষে আসরে আগত লোকজন চলে গেলো,
صَعِدْتُ اِلَيْهِ فَجَعَلْتُ كُلَّمَا فَتَحْتُ بَابًا اَغْلَقْتُ عَلَىَّ مِنْ دَاخِلٍ قُلْتُ اِنِ الْقَوْمُ نَذِرُوْا بِىْ لَمْ يَخْلُصُوْا اِلَىَّ حَتّٰى اَقْتُلَهٗ فَانْتَهَيْتُ اِلَيْهِ فَاِذَا هُوَ فِىْ بَيْتٍ مُظْلِمٍ وَسْطَ عِيَالِهٖ لَا اَدْرِىْ اَيْنَ هُوَ مِنَ الْبَيْتِ فَقُلْتُ يَا اَبَا رَافِعٍ قَالَ مَنْ هٰذَا فَاَهْوَيْتُ نَحْوَ الصَّوْتِ فَاَضْرِبُهٗ ضَرْبَةً بِالسَّيْفِ وَاَنَا دَهِشٌ فَمَا اَغْنَيْتُ شَيْئًا وَصَاحَ فَخَرَجْتُ مِنَ الْبَيْتِ فَاَمْكُثُ غَيْرَ بَعِيْدٍ ثُمَّ دَخَلْتُ اِلَيْهِ فَقُلْتُ مَا هٰذَا الصَّوْتُ يَا اَبَا رَافِعٍ فَقَالَ لِاُمِّكَ الْوَيْلُ اِنَّ رَجُلًا فِى الْبَيْتِ ضَرَبَنِىْ قَبْلُ بِالسَّيْفِ قَالَ فَاَضْرِبُهٗ ضَرْبَةً اَثْخَنَتْهُ وَلَمْ اَقْتُلْهُ ثُمَّ وَضَعْتُ ظِبَةَ السَّيْفِ فِىْ بَطْنِهٖ حَتّٰى اَخَذَ فِىْ ظَهْرِهٖ فَعَرَفْتُ اَنِّىْ قَتَلْتُهٗ
‘তখন আমি সিঁড়ি বেয়ে তার কাছে গিয়ে পৌঁছলাম। এই সময় আমি একটি করে দরজা খুলছিলাম এবং ভিতর থেকে তা আবার বন্ধ করে দিয়ে যাচ্ছিলাম। এই মনে করে যে, গোত্রের লোকজন আমার (আগমন) সম্বন্ধে জানতে পারলেও, তাকে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড না দেয়া পর্যন্ত যেন তারা আমার নিকট পৌঁছতে না পারে। সুবহানাল্লাহ! আমি তার কাছে গিয়ে পৌঁছলাম। এই সময় সে একটি অন্ধকার কক্ষে পরিবার-পরিজনের মাঝখানে শুয়েছিলো। কক্ষের কোন্ অংশে সে শুয়ে আছে আমি তা বুঝতে পারছিলাম না। তাই, আমি ‘হে আবূ রফে!’ বলে ডাক দিলাম। সে বললো, এটা কে? (কে আমাকে ডাকছো?) আমি তখন আওয়াজটি লক্ষ্য করে এগিয়ে গিয়ে তরবারী দ্বারা প্রচ- জোরে তাকে আঘাত করলাম। তখন আমি বিস্মিত হলাম। এই আঘাতে আমি কোনো ফলাফল পেলাম না, তাকে কিছুই করতে পারলাম না। সে চিৎকার করে উঠলে আমি কিছুক্ষণের জন্য কক্ষ থেকে বের হয়ে আসলাম। এরপর পুনরায় ঘরে প্রবেশ করে (কণ্ঠস্বর পরিবর্তন করতঃ তার আপন লোকের ন্যায়) জিজ্ঞাসা করলাম, ‘হে আবূ রফে এই আওয়াজ হল কিসের? সে বললো, ‘তোমার মায়ের সর্বনাশ হোক! নিশ্চয়ই কিছুক্ষণ পূর্বে কক্ষের ভিতর কে যেন আমাকে তরবারী দ্বারা আঘাত করেছে।’ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আতীক রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন, তখন আমি আবার তাকে কঠিনভাবে আঘাত করলাম যা তাকে মারাত্মকভাবে ক্ষত বিক্ষত করেছে; কিন্তু তাকে হত্যা করতে পারিনি। তাই, তরবারীর ধারালো দিকটি তার পেটের উপর চেপে ধরলাম; এমনকি সেটা তার পিঠ পর্যন্ত স্পর্শ করলো। তখন আমি নিশ্চিতরূপে অনুভব করলাম যে, এখন আমি তাকে হত্যা করতে সক্ষম হয়েছি।’ সুবহানাল্লাহ!
এরপর আমি এক এক দরজা খুলে নিচে নামতে শুরু করলাম নামতে নামতে সিঁড়ির শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছলাম। জ্যোৎ¯œার রাত্র ছিল। (চাঁদের আলোতে তাড়াহুড়ার মধ্যে সঠিকভাবে অনুধাবন করতে না পেরে) আমি মনে করলাম, (সিঁড়ির সকল ধাপ অতিক্রম করে) আমি মাটির নিকটে এসে পড়েছি। (কিন্তু তখনও একটি ধাপ অবশিষ্ট ছিলো।) তাই, নিচে পা রাখতেই আমি পড়ে গেলাম। সাথে সাথেই আমার পায়ের গোড়ালির হাড় ভেঙ্গে গেলো। (তাড়াতাড়ি করে) আমি আমার পাগড়ী দ্বারা পা বেঁধে নিলাম। তারপর একটু হেঁটে গিয়ে দরজার সামনে বসে রইলাম।
فَقُلْتُ لَا اَخْرُجُ اللَّيْلَةَ حَتّٰى اَعْلَمَ اَقَتَلْتُهٗ
‘মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম, আমি কি তাকে হত্যা করতে পেরেছি? এটা নিশ্চিতভাবে না জানা পর্যন্ত আজ রাতে এখান থেকে যাব না।’
ভোর রাতে মোরগের ডাক আরম্ভ হলে মৃত্যু ঘোষণাকারী প্রাচীরের উপর উঠে ঘোষণা করলো, ‘হিজায অধিবাসীদের অন্যতম ব্যবসায়ী আবূ রফের মৃত্যু সংবাদ গ্রহণ করো।’
فَانْطَلَقْتُ اِلٰى اَصْحَابِىْ فَقُلْتُ النَّجَاءَ فَقَدْ قَتَلَ اللهُ اَبَا رَافِعٍ فَانْتَهَيْتُ اِلَى النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَدَّثْتُهٗ فَقَالَ اُبْسُطْ رِجْلَكَ فَبَسَطْتُ رِجْلِىْ فَمَسَحَهَا فَكَاَنَّهَا لَمْ اَشْتَكِهَا قَطُّ
‘তখন আমি আমার সঙ্গীগণ উনাদের নিকট গিয়ে বললাম, কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুত চলুন। মহান আল্লাহ পাক তিনি আবূ রফেকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন। এরপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট গিয়ে সমস্ত ঘটনা খুলে বললাম। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, ‘আপনি আপনার পা প্রসারিত করুন।’ আমি আমার পা প্রসারিত করলাম। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দয়া করে তাতে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মাগফিরাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাত মুবারক) বুলিয়ে দিলেন। (এতে আমার পা এমন সুস্থ হয়ে গেল) যেন তাতে কখনোই কোনো আঘাত লাগেনি।” সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, বাইহাক্বী শরীফ, ফাতহুল বারী, উমদাতুল ক্বারী, শারহুয যারক্বানী ইত্যাদি)
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম “لِـيَـعْبُدُوْنِ (লিইয়া’বুদূন) থেকে لِـيُصَلُّوْنِ (লিইউছল্লূন) পর্যন্ত ৮টি মাক্বাম মুবারক উনাদের বর্ণনা মুবারক
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অদ্বিতীয় হাক্বীক্বী কায়িম-মাক্বাম হিসেবে, উনার হুবহু নক্বশা মুবারক হিসেবে উনার সমস্ত নিয়ামত মুবারক আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করা
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের তরফ থেকে বিশেষ দাওয়াত মুবারক এবং খুশি মুবারক প্রকাশ
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক اَحْمَدُ (আহমদ) ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যকার ‘মীম’ হরফ বা অক্ষর মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত শান মুবারক-এ চূ-চেরা, ক্বীলও ক্বাল করার কারণে, হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করার কারণে কাফেরদের বিরুদ্ধে সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট বিচার চাওয়া প্রসঙ্গে
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যস্থতা মুবারক-এ হাক্বীক্বী দীদার মুবারক লাভরে বশিষে র্বণনা মুবারক
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে নিসবত মুবারক স্থাপন করতে পারলে, মূল সব নিয়ামত পরিপূর্ণটা হাছিল সম্ভব। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথেই আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সরাসরি মহাসম্মানিত নিসবত মুবারক
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘এক নাম্বার আক্বীদাহ্ হচ্ছে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা সৃষ্টির কারো মতো নন’
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












