সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়াদ শরীফ
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রেহেম শরীফে থাকাকালীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে জলীলুল ক্বদর নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের স্বপ্নে কথোপকথনের মুবারক বর্ণনা
, ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৯ রবি , ১৩৯২ শামসী সন , ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রি:, ০১ আশ্বিন, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
কোন নবী আলাইহিস সালাম উনাকে নবুওওয়াত দেয়া হয়নি এবং কোন রসূল আলাইহিস সালাম উনাকে রিসালত দেয়া হয়নি, যতক্ষণ না উনারা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ঈমান না এনেছেন অর্থাৎ উনারা সকলেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ঈমান এনেছেন এবং উনার বেমেছাল মর্যাদা-মর্তবা সম্পর্কে সম্যক অবগত ছিলেন। তাই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় আর্বিভাবের পূর্বেই উনারা উনার মহাসম্মানিতা মাতা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ধারাবাহিকভাবে মুবারকময় স্বপ্নে সে সুসংবাদ জ্ঞাপন করেছেন।
এখন আমরা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুস সালাম মুবারক (জবান মুবারকে) আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমণ বার্তা সম্পর্কে অন্যান্য নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের ভবিষ্যদ্বানী শুনবো।
প্রথম মাসের মুবারক স্বপ্ন:
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যখন আমি আমার প্রাণপ্রিয় আওলাদ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে রেহেম শরীফে ধারণ করলাম, ধারণ করার প্রথম মাস হলো রজবুল আছম্ম শরীফ, সে মাসে একসময় আমি একরাত্রে স্বপ্নের আবেশে ছিলাম। তখন আমার কক্ষে প্রবেশ করলেন এক ব্যক্তি যিনি ছিলেন লাবন্যময় চেহারা বিশিষ্ট সুঘ্রাণে ভরপুর এবং আলোকোজ্জ্বল। তিনি বলছিলেন, ইয়া হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনাকে স্বাগতম। আমি উনাকে প্রশ্ন করলাম; আপনি কে? তিনি বললেন, আমি মানব জাতির পিতা হযরত আদম আলাইহিস সালাম। আমি বললাম আপনার অভিপ্রায় কি? তিনি বললেন, হে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সুসংবাদ গ্রহণ করুন। আপনি মূলতঃ মহাসম্মানিত রেহেম শরীফে ধারণ করেছেন যিনি রবিয়া ও মুদার গোত্রের ফখর (গৌরবের কারণ)। যিনি সাইয়্যিদুল বাশার ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুবহানাল্লাহ!
২য় মাসের মুবারক স্বপ্ন:
যখন দ্বিতীয় মাস (শাবান শরীফ) সমাগত হল তখন এক ব্যক্তি তিনি আমার নিকট আগমণ করলেন। তিনি বললেন, আসসালামু আলাইকা ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি উনাকে বললাম, আপনি কে? তিনি বললেন, আমি হযরত শীশ আলাইহিস সালাম। আমি বললাম, আপনার অভিপ্রায় কি? তিনি বললেন, হে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সুসংবাদ গ্রহণ করুন। নিশ্চয়ই আপনি মহাসম্মানিত রেহেম শরীফে ধারণ করেছেন, যিনি রহস্যের উন্মোচক এবং (জাওয়ামিউল কালাম) ছহিবে হাদীছ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
৩য় মাসের মুবারক স্বপ্ন:
তৃতীয় মাস (রমাদ্বান শরীফ) যখন আগমণ করলেন, তখন আমার নিকট এলেন এক ব্যক্তি। তিনি বললেন, আসসালামু আলাইকা ইয়া নাবিআল্লাহ্! আমি উনাকে বললাম, আপনি কে? তিনি বললেন, আমি হযরত ইদরীস আলাইহিস সালাম। আমি বললাম, আপনার অভিপ্রায় কি? তিনি বললেন, হে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সুসংবাদ গ্রহণ করুন। নিশ্চয়ই আপনি আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের সর্দারকে মহাসম্মানিত রেহেম শরীফে ধারণ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
৪র্থ মাসের মুবারক স্বপ্ন:
চতুর্থ মাস (শাওওয়াল শরীফ) যখন আগমণ করল, তখন এক ব্যক্তি তিনি আমার নিকট আগমণ করলেন। তিনি বললেন, আসসালামু আলাইকা ইয়া হাবীবাল্লাহ্! আমি বললাম, আপনি কে? তিনি বললেন, আমি হযরত নূহ আলাইহিস সালাম। আমি উনাকে বললাম, আপনার অভিপ্রায় কি? তিনি বললেন, হে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সুসংবাদ গ্রহণ করুন। নিশ্চয়ই আপনি মহাসম্মানিত রেহেম শরীফে ধারণ করেছেন যিনি সাহায্য ও বিজয়ের ছাহিব বা অধিকারী উনাকে। সুবহানাল্লাহ!
৫ম মাসের মুবারক স্বপ্ন:
পঞ্চম মাস (যিলক্বদ শরীফ) যখন আগমণ করল, তখন এক ব্যক্তি তিনি আমার নিকট আগমণ করলেন। তিনি বললেন, আসসালামু আলাইকা ইয়া সাফওয়াতাল্লাহি! হে মহান আল্লাহ পাক উনার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন! আপনার প্রতি সালাম। আমি উনাকে বললাম আপনি কে? তিনি বললেন, আমি হযরত হুদ আলাইহিস সালাম। আমি বললাম, আপনার অভিপ্রায় কি? তিনি বললেন, হে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সুসংবাদ গ্রহণ করুন। কেননা আপনি মহাসম্মানিত রেহেম শরীফে ধারণ করেছেন প্রতিশ্রুত দিবসের (হাশরের দিনের) শাফায়াতে উজমার যিনি অধিকারী বা মালিক হবেন উনাকে। সুবহানাল্লাহ!
৬ষ্ঠ মাসের মুবারক স্বপ্ন:
৬ষ্ঠ মাস (যিলহজ্জ শরীফ) যখন আগমণ করল, তখন এক ব্যক্তি তিনি আমার নিকট আগমণ করলেন। তিনি বললেন, আসসালামু আলাইকা ইয়া রহমাতাল্লাহ্! হে মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত! আপনার প্রতি সালাম। আমি উনাকে বললাম, আপনি কে? তিনি বললেন, আমি হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম। আমি বললাম, আপনার অভিপ্রায় কি? তিনি বললেন, হে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সুসংবাদ গ্রহণ করুন। কেননা আপনি মহাসম্মানিত রেহেম শরীফে ধারণ করেছেন মহাসম্মানিত নবী ও রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে। সুবহানাল্লাহ!
৭ম মাসের মুবারক স্বপ্ন:
সপ্তম মাস (মুহররমুল হারাম শরীফ) যখন আগমণ করল, তখন এক ব্যক্তি তিনি আমার নিকট আগমণ করলেন। তিনি বললেন, হে মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীত ব্যক্তিত্ব! আপনার প্রতি সালাম। আমি উনাকে বললাম, আপনি কে? তিনি বললেন, আমি হযরত ইসমাঈল যবীহুল্লাহ্ আলাইহিস সালাম। আমি বললাম, আপনার অভিপ্রায় কি? তিনি বললেন, হে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সুসংবাদ গ্রহণ করুন। কেননা আপনি মহাসম্মানিত রেহেম শরীফে ধারণ করেছেন সবিশেষ লাবণ্যময় নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে। সুবহানাল্লাহ!
৮ম মাসের মুবারক স্বপ্ন:
অষ্টম মাস (ছফর শরীফ) যখন আগমণ করল, তখন এক ব্যক্তি তিনি আমার নিকট আগমণ করলেন। তিনি বললেন, আসসালামু আলাইকা ইয়া খাইরাতাল্লাহ্! হে মহান আল্লাহ পাক উনার সমূহ কল্যাণ! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি উনাকে বললাম, আপনি কে? তিনি বললেন, আমি হযরত মুসা ইবনে ইমরান আলাইহিস সালাম। আমি বললাম, আপনার অভিপ্রায় কি? তিনি বললেন, হে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সুসংবাদ গ্রহণ করুন। কেননা আপনি মহাসম্মানিত রেহেম শরীফে ধারণ করেছেন যাঁর উপর পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল হবে উনাকে। সুবহানাল্লাহ!
৯ম মাসের মুবারক স্বপ্ন:
যখন নবম মাস (সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ) আগমণ করলেন, তখন এক ব্যক্তি তিনি আমার নিকট আগমণ করলেন। তিনি বললেন, ইয়া খাতামা রসূলিল্লাহ! হে মহান আল্লাহ পাক উনার রাসূলগণের সর্বশেষ! আপনার আগমণ নিকটবর্তী। ইয়া রসূলাল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি উনাকে বললাম, আপনি কে? তিনি বললেন, আমি হযরত ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহাস সালাম। আমি বললাম, আপনার অভিপ্রায় কি? তিনি বললেন, হে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সুসংবাদ গ্রহণ করুন। কেননা আপনি মহাসম্মানিত রেহেম শরীফে ধারণ করেছেন মহাসম্মানিত নবী-মহিমান্বিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে। আপনার থেকে দূর হয়ে গেল দুঃখ, কষ্ট-রোগ-যন্ত্রণা। (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম, ইবনে হাজার হায়সামি)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে ঊলা বা প্রথমা, কুবরা বা মূল, বড়, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মূল এবং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনারও মূল
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের দায়েমীভাবে এমন মহাসম্মানিত নিসবত মুবারক রয়েছেন যেখানে সৃষ্টির কারো কোনো স্থান সঙ্কুলান হয় না
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
উম্মু আবীহা, আন নূরুর রবি‘আহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তাকরীর মুবারক অর্থাৎ অত্যন্ত খুশি মুবারক প্রকাশ
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে মানহানীকারীদের যুগে যুগে ভয়াবহ পরিণতি (৪২)
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আর রবি’ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার একখানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ই’জায শরীফ
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাই বলেছেন উনাদের মহাসম্মানিত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক আলোচনা করার জন্য
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানতি ও মহাপবত্রি ত্বহারত-ছমাদয়িাতরে মাক্বাম মুবারক উনাদরে র্বণনা মুবারক
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রায় সাড়ে ১৪০০ বছর পর মহাসম্মানতি ও মহাপবত্রি হাদীছ শরীফ لِـىْ مَعَ اللهِ وَقْتٌ উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












