মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা কোন আমল সম্পর্কে বান্দা-বান্দী-উম্মতকে যে ফায়সালা মুবারক দিয়েছেন, সে ফায়সালা মুবারক উনার খেলাফ বা বিরোধী বা বিপরীত কোন মত পেশ বা পোষণ করা কোনো মু’মিন পুরুষ ও মহিলা কারো জন্য জায়েজ নেই। যদি কেহ বিপরীত বা বিরোধী মত পোষণ করে তাহলে সে প্রকাশ্য গুমরাহীতে গোমরাহ হবে। ”
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা খালি চোখে চাঁদ দেখে রোযা শুরু করো; খালি চোখে চাঁদ দেখে ঈদ করো। ” সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের নির্দেশ মুবারক হচ্ছেন- প্রতি আরবী মাসের ২৯ তারিখ খালি চোখে চাঁদ তালাশ করা ওয়াজিবে কিফায়া।
আর এটাই হচ্ছে- সবচেয়ে বড় আধুনিক পদ্ধতি। কাজেই তথাকথিত আধুনিকতার দোহাই দিয়ে যন্ত্রের মাধ্যমে চাঁদ দেখে আরবী মাস শুরু করা সম্পূর্ণরূপেই হারাম ও কুফরী। কারণ যন্ত্রের মাধ্যমে চাঁদ দেখার অর্থ হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের নির্দেশকে উপেক্ষা করে নিজস্ব মতকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নামে জারী করা। যা কাট্টা হারাম ও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।
, ১১ ছফর শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৯ ছালিছ, ১৩৯২ শামসী সন , ১৭ আগষ্ট, ২০২৪ খ্রি:, ০২ ভাদ্র , ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
অতএব, প্রতিটি আরবী মাসের ২৯ তারিখে খালি চোখেই চাঁদ তালাশ করতে হবে। যন্ত্রের মাধ্যমে নয়। এটাই মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের নির্দেশ মুবারক।
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের নির্দেশ মুবারক হচ্ছেন- প্রতি আরবী মাসের ২৯ তারিখ খালি চোখে চাঁদ তালাশ করা ওয়াজিবে কিফায়া। আর এটাই হচ্ছে- সবচেয়ে বড় আধুনিক পদ্ধতি। কাজেই তথাকথিত আধুনিকতার দোহাই দিয়ে যন্ত্রের মাধ্যমে চাঁদ দেখে আরবী মাস শুরু করা সম্পূর্ণরূপেই হাারাম ও কুফরী। কারণ যন্ত্রের মাধ্যমে চাঁদ দেখার অর্থ হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের নির্দেশকে উপেক্ষা করে নিজস্ব মতকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নামে জারী করা। যা কাট্টা হারাম ও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কেননা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা খালি চোখে চাঁদ দেখে রোযা শুরু করো; খালি চোখে চাঁদ দেখে ঈদ করো। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ খালি চোখে চাঁদ তালাশ করে মাস শুরু করাই মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের নির্দেশ মুবারক।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যারা যন্ত্রের মাধ্যমে চাঁদ তালাশ করার পক্ষে বলছে তাদেরকে অবশ্যই দলীল পেশ করতে হবে। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক তবে দলীল পেশ কর। ’ মূলত: যন্ত্রের মাধ্যমে চাঁদ তালাশ করতে বলা হয়েছে এরূপ কোনো দলীল তারা কিয়ামত পর্যন্ত পেশ করতে পারবেনা। কারণ সম্মানিত শরীয়ত উনার কোথাও যন্ত্রের মাধ্যমে চাঁদ তালাশ করার কথা উল্লেখ নেই; বরং খালি চোখে চাঁদ তালাশ করার কথাই উল্লেখ আছে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অতএব, প্রতিটি আরবী মাসের ২৯ তারিখে খালি চোখেই চাঁদ তালাশ করতে হবে। যন্ত্রের মাধ্যমে নয়। কাজেই তথাকথিত আধুনিকতার দোহাই দিয়ে যন্ত্রের মাধ্যমে চাঁদ দেখে আরবী মাস শুরু করা সম্পূর্ণরূপেই হারাম ও কুফরী।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যিনি শাহিদ উনার জন্য যেরূপ হাযির বা উপস্থিত থাকা শর্ত, তদ্রুপ নাযির বা দেখাও শর্ত। আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদা হচ্ছে- পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের অসংখ্য দলীল দ্বারা অকাট্যভাবে প্রমাণিত যে- মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট কুল-মাখলুক্বাতের সবকিছুই হাযির এবং তিনি সবকিছুই নাযির বা দেখেন। সুবহানাল্লাহ!
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাসে যমীনে মুবারক তাশরীফ আনেন- সেই মহাসম্মানিত মাস উনার মুবারক নামকরণ করা হয়েছে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ১০ দিন বাকি।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফই কুল-কায়িনাত সকলের জন্য সবচেয়ে বড় ঈদ; যা পালন করা ফরয। যারা বলে, ‘পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আযহা এই দুই ঈদ ব্যতীত আর কোনো ঈদ নেই’- তারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদেরকে অস্বীকারকারী।
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের ছহীহ আক্বীদা হলো- সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূর মুবারক হিসেবেই সৃষ্টি হয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করে বা শুনে উনার প্রতি যারা পবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করে না বা করবে না, তাদের জন্য ধ্বংস ও জাহান্নাম অবধারিত। নাউযুবিল্লাহ!
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বহুসংখ্যক পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত যে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত শাফায়াত মুবারক ওয়াজিব; মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারীদের জন্য। সুবহানাল্লাহ! শুধু তাই নয়, উনাদের জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি রহমত মুবারক উনার দরজা খুলে দিবেন এবং সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা মাগফিরাত কামনা করবেন। ফলে উনারা নাজাত লাভ করবেন। সুবহানাল্লাহ!
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বদ কাজে অর্থাৎ পাপে ও শত্রুতায় পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না।’ সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- আসন্ন মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুর পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ পবিত্র ১২ই শরীফ পালনে মুসলমানদেরকে সর্বোচ্চ আর্থিক বরাদ্দ নির্ধারণ করা।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
অনেক মহাপবিত্র আয়াত শরীফ ও অনেক মহাসম্মানিত ছহীহ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা অকাট্যভাবে প্রমাণিত যে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রকার মহাপবিত্র ইলম মুবারকসহই সৃষ্টি হয়েছেন এবং সৃষ্টির প্রতি ইহসান করে যমীনে সম্মানিত তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
২৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ফায়ছালা মুবারক হচ্ছেন- পর্দা করা ফরয, বেপর্দা হওয়া হারাম, ছবি তোলা ও তোলানো হারাম, তন্ত্র-মন্ত্র, ভোট-নির্বাচন করা হারাম, খেলা-ধুলা করা হারাম, গান-বাজনা করা ও শোনা হারাম, সুদ ও ঘুষ দেয়া ও নেয়া হারাম, অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী সর্বপ্রকার আইন-কানুন, নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীকা মানা ও অনুসরণ করা সম্পূর্ণরূপে হারাম। কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা ও তাদেরকে অনুসরণ করা হারাম।
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ১২ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মালিকুত তামাম, মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফে” তাশরীফ মুবারক আনার কারণে এ সম্মানিত তারিখকে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ বলা হয়। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বায়াহ্ আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে মুসলমানদের জন্য- কোনো অবস্থাতেই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে বাদ দিয়ে দ্বীন ইসলাম উনার খেলাফ বেদ্বীনী-বদদ্বীনী, নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীকা, আইন-কানুন, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র ইত্যাদি তালাশ করা, গ্রহণ করা, আমল করা, অনুসরণ করা জায়িয নেই; বরং সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কুফরী।
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বরকতময় মহাপবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ- মুসলিম উম্মাহর রহমত, বরকত হাছিলের এক সুমহান দিন। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ১৭ দিন বাকি। মহাপবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ পালন করা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












