দখলদার সন্ত্রাসী ইসরাইল কেন লেবাননে সাদা ফসফরাস বোমা হামলা করছে?
, ১৩ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ২৪ হাদী আশার, ১৩৯১ শামসী সন , ২৩ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রি:, ১০ বৈশাখ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) বিদেশের খবর
গত ৬ মাস ধরে দখলদার ইসরাইল দক্ষিণ লেবানন সীমান্তের উপর দিয়ে সাদা ফসফরাস বোমা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। বিষাক্ত এই গ্যাস চোখ ও ফুসফুসের জন্য যেমন ক্ষতিকর তেমনি চামড়া মারাত্মকভাবে পুড়িয়ে দিতে পারে, আর সে কারণে আন্তর্জাতিক আইন দ্বারা এর ব্যবহার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।
কিন্তু দখলদার সন্ত্রাসী ইসরাইলি বাহিনী বলছে গাজা ও লেবাননের ‘সশস্ত্র মুজাহিদদের’ বিরুদ্ধে তাদের এই অস্ত্রের ব্যবহার পুরোপুরি বৈধ। যদিও মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে এর ব্যবহারের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের তদন্ত হওয়া দরকার। এখন বেসামরিক মানুষের অবস্থানের খুব কাছে এ ধরনের যুদ্ধ উপকরণ ব্যবহার করে দখলদার সন্ত্রাসী কাপুরুষ ইসরাইল কি আইন ভঙ্গ করছে? নাকি যুদ্ধের সময় তাদের এটি ব্যবহারের অধিকার আছে?
‘এটি আসে সাদা মেঘের মতো। কিন্তু মাটিতে পড়া মাত্র এটি পাউডার হয়ে যায়।’ আলী আহমেদ আবু সামরা, দক্ষিণ লেবাননের ৪৮ বছর বয়সী এই কৃষক বলেন, গত ১৯ অক্টোবর, ২০২৩ তিনি নিজে সাদা ধোঁয়ার মেঘের মধ্যে পড়ে যান। ‘তারা বলে যে এটির গন্ধ রসুনের মতো, কিন্তু এটা আসলে তার চেয়েও খারাপ। গন্ধটা নেয়াই যাচ্ছিল না। সুয়ারেজ লাইনের চেয়েও বাজে।’ আলী একটা সাদা ফসফরাস হামলার বর্ণনা দিচ্ছিলেন।
৮১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পুড়তে থাকা সাদা ফসফরাস ভয়ংকর বিষাক্ত এবং দ্রুত আগুন ছড়ায়। ‘আমার চোখ থেকে পানি পড়তে শুরু করে,’ বলছিলেন ধায়রা গ্রামের আলী, ‘যদি আমরা তখন ভেজা কাপড়ে নাক ও মুখ না চেপে ধরতাম তাহলে হয়তো আজ বেঁচেই থাকতাম না।’ বিবিসি স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করে দেখতে পেয়েছে যে অক্টোবর ২০২৩ থেকে মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত আইডিএফ অন্তত চারটি শহর ও গ্রামে বেশ কবার সাদা ফসফরাস দিয়ে হামলা চালায়।
যখন সাদা ফসফরাস বোমা থেকে বের হয়, তখন এটি অক্সিজেনের সাথে মিশে একটি ভারী ধোঁয়ার আস্তরণ তৈরি করে। এটা মাটিতে লড়তে থাকা সৈন্যদের জন্য একরকম তাৎক্ষণিক আড়াল তৈরি করে, যাতে শত্রুরা তাদের অবস্থান বুঝতে না পারে।
এটা খুবই কার্যকরী এবং বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে বৈধ সামরিক কৌশল হিসেবে ব্যবহারযোগ্য। তবে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এটা দুপক্ষেরই দায়িত্ব এই অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধের সময় বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করা। যুক্তরাষ্ট্র স্বীকার করে তারা এটি ২০০৪ সালে ইরাকে ব্যবহার করেছে, এরপর ২০১৭ সালে সিরিয়া ও ইরাকে আইএসের বিরুদ্ধে আবারও সাদা ফসফরাস ব্যবহার করে। ২০০৮-২০০৯ সালে গাজায় হামলার সময়ও দখলদার ইসরাইল এই কেমিক্যাল ব্যবহার করে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
একইসাথে দখলদারদের ২টি ট্যাংক ধ্বংস করার চিত্র প্রকাশ করেছে আল-কাসসাম বিগ্রেড
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইরান যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে ৬ মাসের মধ্যে ‘সম্পূর্ণ পতন’ ঘটবে যুক্তরাষ্ট্রের -মার্কিন বিশেষজ্ঞ
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
যেভাবে ইরানি হামলায় ধ্বংস হয় ৫০ কোটি ডলারের মার্কিন নজরদারি বিমান
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দোকান-রেস্তোরাঁর বিল না দিতে ইরানের হামলার জন্য অপেক্ষা করে ইসরায়েলিরা!
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইরান যুদ্ধে অংশ নেওয়া মার্কিন বিমানের জন্য আকাশসীমা বন্ধ করলো স্পেন
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলায় জ্বলছে ইসরাইলের হাইফা
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ৮০ লাখ মানুষের বিক্ষোভ
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সৌদি যুবরাজকে নিয়ে ট্রাম্পের কটাক্ষ!
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সৌদিতে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বিমান ধ্বংস করে দিলো ইরান
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
‘যুক্তরাষ্ট্র স্থল হামলা চালালে আমিরাতকে তছনছ করা হবে’
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইসরায়েলি স্বার্থে ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র, সাবেক মার্কিন সেনাদের দাবি -হাসপাতালগুলো যুদ্ধাহত মার্কিন সেনাদের ভিড়ে পূর্ণ
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ওয়েলকাম টু হেল: ইরানে পা রাখা মার্কিন সেনারা ফিরে যাবে ‘কফিনে’
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












