টর্চার সেল বানিয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা তমাল চক্র
, ০২ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) দেশের খবর
নিজস্ব সংবাদদাতা:
তমাল চক্রের কালো ছায়া এখনো বিদ্যমান এনআরবিসি ব্যাংকে। গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়ালেও তমালের কূটকৌশলে পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে।
রাশিয়া শাখা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এস এম পারভেজ তমাল। নিজের পরিচয় দিতো শেখ সেলিমের পোষ্যপুত্র ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসেবে। দলীয় আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে ২০১৩ সালে লাইসেন্স নিয়ে এনআরবিসি ব্যাংকের একজন উদ্যোক্তা হিসেবে ব্যাংকিং জগতে প্রবেশ করে তমাল। এরপর ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে নিজস্ব সিন্ডিকেট গড়ে বিভিন্ন সময়ে নানা কৌশলে ব্যাংকটি থেকে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে। কেউ প্রতিবাদ করলে তার ওপর নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ। টর্চার সেলে নিয়ে বেদম মারধর-নির্যাতনের পর ব্যাংক থেকে পদত্যাগেও বাধ্য করা হতো। বর্তমানে তমাল পারভেজ চক্রের বিরুদ্ধে ঢাকা, বরিশাল, খুলনা ও সাতক্ষীরাসহ বেশ কয়েকটি জেলায় হত্যা মামলার তদন্ত চলমান। মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেও তার বিরুদ্ধে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তবে আসামিরা বিদেশে পলাতক থাকলেও তমাল চক্রের কালো ছায়া এখনো বিদ্যমান এনআরবিসি ব্যাংকে। গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়ালেও তমালের কূটকৌশলে পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে।
৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর এ পর্যন্ত তিনবার পারভেজ তমাল তার দুর্নীতিবাজ চক্রের মনোবল ঠিক রাখার জন্য সিন্ডিকেটের সদস্যদের অস্বাভাবিক পদোন্নতি ও বেতন বৃদ্ধি করেই যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০২২ সাল থেকেই এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আসলেও থামছে না তাদের এসব কর্মকা-। বিশেষ পদোন্নতি ও অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নিয়ে যাদের বিরুদ্ধে আগেও আপত্তি দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব কর্মকর্তাদের কেন বারবার অস্বাভাবিক সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয় সে বিষয়ে। কিন্তু এসব বিষয়ে একেবারেই নীরব সুশাসনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পুনর্গঠিত ব্যাংকটির নতুন স্বাধীন ও স্বতন্ত্র পর্ষদ। তার এই দুর্নীতিবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে বরং তাদের স্বপদে বহাল রেখেই তদন্ত প্রক্রিয়া ও ফরেনসিক অডিট পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে করে বিচার প্রক্রিয়া প্রভাবিত হচ্ছে ও প্রকৃত দোষীদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থার আওতায় আনাটা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
টিকটকে পরিচয়, নিখোঁজের ৬ দিন পর ঢাকায় উদ্ধার ৪ কিশোরী
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে -প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহযোগিতা করতে চায় নেদারল্যান্ডস
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
৮২ ফ্লাইট বাতিল, বিমানবন্দরে আটকা ১৩ হাজার যাত্রী
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
এসএসসিতে ২ বিষয়ে ফেল করলেও ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ট্রেন যাত্রীদের জন্য সতর্কবার্তা
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ঘুমন্ত বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করল কুলাঙ্গার ছেলে
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
এপিবিএনের অভিযান, উদ্ধার ৮৬২ হারানো মোবাইল
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
‘মর্গে ৩০০ থেকে ৪০০ লাশ, একটার ওপর একটা পড়ে আছে’
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা চলছে -রিজভী
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দেশ এগোচ্ছে, গুপ্ত-পলাতকেরা চক্রান্ত করছে -আমান
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












