ইসলামী আক্বীদার গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা ও আহকাম (১৫)
ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
, ২৮ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ১২ তাসি’, ১৩৯১ শামসী সন , ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রি:, ২৬ মাঘ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
وَإِنَّ مَا حَرَّمَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَمَا حَرَّمَ اللهُ
নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, যিনি নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা হারাম করেছেন সেটা হলো ঐরকমই যেমন মহান আল্লাহ পাক হারাম করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
كَمَا حَرَّمَ اللهُ
মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই বলেন, যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার নবী, যিনি নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা হারাম করেছেন সেটা কেমন, সেটা হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক তিনি যেমন হারাম করেছেন ঠিক তার অনুরূপ। সুবহানাল্লাহ!
অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা হারাম করেছেন সেটা হারাম, যেটা হালাল করেছেন সেটা হালাল। এই কুরআনিয়া ফিরক্বা, এরা হচ্ছে কাফিরের অন্তর্ভুক্ত।
এখন কেউ যদি সত্যি উম্মত দাবি করে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে রসূল পেয়ে সন্তুষ্ট থাকে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসাবে পেয়ে সে সন্তুষ্ট হয়ে থাকে তাহলে তাকে তো ছবি তোলা হারাম মানতে হবে, এটা তো অস্বীকার সে করতে পারবে না। এখন ছবি তোলা হারাম জেনে কেউ যদি টিভি দেখে তাহলে সে ফাসিক ও গুনাহগার হবে, তবে ঈমানদার থাকবে।
আর যদি কেউ মনে করে, বর্তমান যামানায় ছবির প্রয়োজন রয়েছে নাউযুবিল্লাহ! সে কাট্টা কাফির হয়ে যাবে। এইগুলো হচ্ছে আক্বাইদের মাসয়ালা। এটা মনে রাখতে হবে। আক্বীদা যে আমরা বিশুদ্ধ করবো, এই বিষয়টা খুব ভালো করে স্মরণ রাখতে হবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যা হালাল করেছেন তা হালাল জানতে হবে এবং যা হারাম করেছেন সেটাকেই হারাম জানতে হবে। ইসলাম যা দিয়েছেন সেটাই মেনে নিতে হবে। একমাত্র মনোনীত দ্বীন হলো-
إِنَّ الدِّينَ عِنْدَ اللهِ الْإِسْلَامُ
একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছে ইসলাম।
এজন্য আমরা এর ব্যাখ্যা, অর্থ করে থাকি - মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ওহী মুবারকের মাধ্যমে নাযিলকৃত একমাত্র মনোনীত পরিপূর্ণ সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত যে দ্বীন, সেটা হলো পবিত্র ইসলাম। যা ক্বিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১০)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত আশূরা শরীফ উনাকে যারা সম্মান করবে তাদের জন্য-
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী (১)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পৃথিবীকে পরিবর্তন করার চেয়ে নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিষয় কেবল তিনটি অবস্থায়ই জানা যায়।
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠে অনন্য তাজদীদ মুবারক (৪)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












