আশ শাহিদ, আল বাশীর, আন নাযীর, আল মুবাশশির, আল মুনীর, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কায়িনাতের সর্বত্র হাযির-নাযির। কোনো সময় ও স্থান উনার সম্মানিত উপস্থিতি মুবারক থেকে খালি নয়
, ১১ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ২৬ সাবি’ ১৩৯১ শামসী সন , ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রি:, ১০ পৌষ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
وَفِـىْ مَنَاقِبِ الشَّيْخِ تَاجِ الدِّيْنِ بْنِ عَطَاءِ اللهِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ بَعْضِ تَلَامِذَتِهٖ قَالَ حَجَجْتُ فَلَمَّا كُنْتُ فِـى الطَّوَافِ رَاَيْتُ الشَّيْخَ تَاجَ الدِّيْنِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فِـى الطَّوَافِ فَنَوَيْتُ اَنْ اُسَلِّمَ عَلَيْهِ اِذَا فَرَغَ مِنْ طَوَافِهٖ فَلَمَّا فَرَغَ مِنَ الطَّوَافِ جِئْتُ فَلَمْ اَرَهُ ثُـمَّ رَاَيْتُهٗ فِـىْ عَرَفَةَ كَذٰلِكَ وَفِـىْ سَائِرِ الْمَشَاهِدِ كَذٰلِكَ فَلَمَّا رَجَعْتُ اِلَـى الْقَاهِرَةِ سَاَلْتُ عَنِ الشَّيْخِ فَقِيْلَ لِـىْ طَيِّبٌ فَقُلْتُ هَلْ سَافَرَ قَالُوْا لَا فَجِئْتُ اِلَـى الشَّيْخِ وَسَلَّمْتُ عَلَيْهِ فَقَالَ لِـىْ مَنْ رَاَيْتَ فَقُلْتُ يَا سَيِّدِىْ رَاَيْتُكَ فَقَالَ يَا فُلَانُ الرَّجُلُ الْكَبِيْرُ يَـمْلَاُ الْكَوْنَ لَوْ دُعِىَ الْقُطْبُ مِنْ حَجَرٍ لَّاَجَابَ فَاِذَا كَانَ الْقُطْبُ يَـمْلَاُ الْكَوْنَ فَسَيِّدُ الْمُرْسَلِيْنَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْۢ بَابِ اَوْلـٰى وَقَدْ تَقَدَّمَ عَنِ الشَّيْخِ اَبِـى الْعَبَّاسِ الطَّــنْجِـىُّ اَنَّهٗ قَالَ وَاِذَا بِالسَّمَاءِ وَالْاَرْضِ وَالْعَرْشِ وَالْكُرْسِىِّ مَـمْلُوْءَةٌ مِّنْ رَّسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থ: “হযরত আবুল আব্বাস মারাসী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার খলীফা, অষ্টম হিজরী সনের বিশিষ্ট বুযূর্গ, যুগশ্রেষ্ঠ ইমাম, যুগশ্রেষ্ঠ ওলী, আস সাইয়্যিদুল কাবীর, আল ফক্বীহ, আরিফ বিল্লাহ হযরত শায়েখ তাজুদ্দীন ইবনে ‘আত্বাউল্লাহ শাযালী মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ফাযায়িল-ফযীলত সম্পর্কে উনার কতিপয় মুরীদ থেকে বর্ণিত রয়েছে। উনার একজন বিশিষ্ট মুরীদ বলেন, আমি একবার হজ্জে যাই। আমি যখন সম্মানিত তাওয়াফ মুবারক করছিলাম, তখন দেখতে পেলাম হযরত শায়েখ তাজুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও তাওয়াফ করছেন। সুবহানাল্লাহ! আমি নিয়ত করলাম, হযরত শায়েখ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সম্মানিত তাওয়াফ মুবারক শেষ করলেই আমি গিয়ে উনাকে সালাম দিবো। তাই তিনি যখন সম্মানিত তাওয়াফ মুবারক শেষ করলেন, তখন আমি এগিয়ে যাই। কিন্তু আমি উনাকে দেখতে পেলাম না। তারপর ঠিক একইভাবে আমি উনাকে সম্মানিত আরাফার ময়দানে ও অন্য সকল সম্মানিত স্থান মুবারক-এ (সম্মানিত হজ্জ মুবারক উনার যাবতীয় কাজ সমাধা করতে) দেখি। সুবহানাল্লাহ! তারপর (সম্মানিত হজ্জ মুবারক শেষে) আমি যখন কায়রো ফিরে আসি, তখন আমি লোকজনকে হযরত শায়েখ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। আমাকে বলা হয় যে, তিনি ভালো আছেন। আমি বললাম, তিনি কি সম্মানিত হজ্জ মুবারক করতে গিয়েছিলেন? সকলে বললো যে, না। তারপর আমি নিজেই হযরত শায়েখ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট গেলাম এবং উনাকে সালাম দিলাম। অতঃপর হযরত শায়েখ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি (আমি কিছু বলার আগেই নিজ থেকেই) আমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, তুমি কাকে দেখেছো? সুবহানাল্লাহ! আমি বললাম, হে আমার সম্মানিত শায়েখ! আমি আপনাকেই দেখেছি। সুবহানাল্লাহ! তারপর হযরত শায়েখ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, হে অমুক! মহান ব্যক্তিগণ তথা হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা সমগ্র কায়িনাত, সমগ্র সৃষ্টিজগৎ পূর্ণ করে থাকেন, সমস্ত কায়িনাতে বিরাজমান থাকেন। সুবহানাল্লাহ! কোনো কুতুবকে ডাকা হলে, অবশ্যই তিনি পাথরের ভিতর হতেও সাড়া প্রদান করে থাকেন। সুবহানাল্লাহ! (হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,) সুতরাং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদনা উম্মত একজন সম্মানিত কুতুব তিনি যদি সমগ্র সৃষ্টি জগৎ ঘিরে থাকেন, সমস্ত কায়িনাতে বিরাজমান থাকেন, তাহলে যিনি সমস্ত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাইয়্যিদ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিইয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বাভাবিকভাবেই সম্মানিত কুতুব উনাদের চেয়ে এই বিষয়ে অধিকতর যোগ্য, অগ্রাধিকার প্রাপ্ত। সুবহানাল্লাহ! (অর্থাৎ নিঃসন্দেহে অবশ্যই অবশ্যই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দ্বারা সমগ্র সৃষ্টি জগত, সমস্ত কায়িনাত পরিপূর্ণ। সুবহানাল্লাহ! অবশ্যই অবশ্যই তিনি সমগ্র সৃষ্টি জগতে, সমস্ত কায়িনাতে বিরাজমান, হাযির-নাযির। সুবহানাল্লাহ!) আর হযরত শায়েখ আবুল আব্বাস ত্বন্জী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, আমি হঠাৎ দেখি- আসমান, যমীন, আরশ ও কুর্সী সবকিছুই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দ্বারা পরিপূর্ণ। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ নিঃসন্দেহে অবশ্যই অবশ্যই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কায়িনাতের সর্বত্র হাযির-নাযির; কোনো সময় ও স্থান উনার সম্মানিত উপস্থিতি মুবারক থেকে খালি নয়।” সুবহানাল্লাহ! (তানওইরুল হালাক লিস সুয়ূত্বী ১২ নং পৃষ্ঠা, আল হাওই লিস সুয়ূত্বী ২/৩০৭ ইত্যাদি)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১০)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত আশূরা শরীফ উনাকে যারা সম্মান করবে তাদের জন্য-
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী (১)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পৃথিবীকে পরিবর্তন করার চেয়ে নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিষয় কেবল তিনটি অবস্থায়ই জানা যায়।
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠে অনন্য তাজদীদ মুবারক (৪)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












