সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
আমেরিকার সাথে গোলামীর চুক্তি, জ্বালানী সমঝোতা স্মারক বাতিল, জিসোমিয়া-আকসা চুক্তি করার ষড়যন্ত্র বাতিলসহ ১০ দফা দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ
, ২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) তাজা খবর
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে মানহানির শরঈ শাস্তি মৃত্যুদ- আমেরিকার সাথে গোলামির বাণিজ্য চুক্তি বাতিল, এবং দেশের স্বার্থবিরোধী সকল চক্রান্তের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা। গতকাল জুমুয়াবার রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই ১০ দফা দাবি পেশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আলোচকগণ বলেন, লাওওয়াত্ব ইউনুস সরকারের মত বর্তমান সরকারও আমেরিকার তোষামোদে দেশের স্বার্থ এবং ঈমান নবতর কৌশলে বিকিয়ে দিচ্ছে। প্রাণপ্রিয় নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে কোনো মানহানি সহ্য করা হবে না। দেশের স্বার্থ, ইসলামী মূল্যবোধ ও জনগণের অধিকার রক্ষায় নি¤েœাক্ত ১০ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে:
১. নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে মানহানীকারীদের শরঈ শাস্তি মৃত্যুদ- নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না।
২. আমেরিকার সাথে গোলামির বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে। জ্বালানির সমঝোতা স্মারক বাতিল করতে হবে। জিসমিয়া বা আকসা চুক্তি করা যাবে না। এসব চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে চীনের বিরুদ্ধে আমেরিকার প্রক্সি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা দেশকে ভয়াবহ বিপদের মুখে ঠেলে দিবে। চট্টগ্রাম বন্দরসহ দেশের কোনো কৌশলগত স্থাপনা বিদেশিদেরকে দেওয়া যাবে না।
৩. পবিত্র মদীনা শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি কুকুর নিধনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। পবিত্র দ্বীন ইসলামে বাড়ির পাহারা, ক্ষেত-খামারের পাহারা ও শিকারের কুকুর ব্যতীত সকল প্রকার কুকুর নিধন জায়েজ। অবিলম্বে সারা দেশের বেওয়ারিশ কুকুর নিধন শুরু করতে হবে। মানুষের জান রক্ষার্থে এই সব কুকুর নিধন করা ফরজ।
৪. হযরত আউলিয়া কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের পবিত্র মাজার শরীফে যারা হামলা ও ভাংচুর চালায়, তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
৫. শুধুমাত্র নিকটজন হওয়ার কারণে একজন এনজিও ট্রেইনারকে স্বাস্থ্য বিভাগের উপদেষ্টা বানিয়ে পুরো স্বাস্থ্যখাত ধ্বংস করেছে ইউনুস সরকার। এর ফলে হাজার হাজার নিরীহ শিশু মারা যাচ্ছে। এই শিশু হত্যার দায়ে ইউনুস ও তার নিয়োগকৃত উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
৬. নারিকেল জিঞ্জিরা দ্বীপ সারা বছর সকল নাগরিকের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে হবে। দ্বীপকে দীর্ঘ ২ বছর অবরুদ্ধ করে কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ সৃষ্টির অপরাধে সাবেক পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানাকে গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। বর্তমান পরিবেশ মন্ত্রীও যদি রেজওয়ানার পথে হাটে তকে তাকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে।
৭. খাগড়াছড়ি জেলার আলুটিলায় মসজিদ নির্মাণে বাধাদানকারী ভারত থেকে আগত ত্রিপুরা গংদের গ্রেফতার করতে হবে। উপজাতিদের আদিবাসী বলা যাবে না। ‘আদিবাসী’ শব্দটি অসাংবিধানিক। যারা এমন বলবে তাদের গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। পাহাড়ে কথিত রাজা প্রথা চলতে দেওয়া যাবে না। এক দেশে দুই আইন চলতে পারে না। পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০ বাতিল করতে হবে।
৮. মুশরিকদের দেশ ভারতে রাষ্ট্রীয়ভাবে এবং আদালতের রায়ে মুসলমানদের ওপর যে চরম নির্যাতন ও মসজিদ ভেঙে মন্দির বানানোর উৎসব চলছে, বাংলাদেশ থেকে তার তীব্র ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানাতে হবে। ভারতে মুসলিম নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। ভারতের হিন্দুত্ববাদীদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের প্রতিরোধ গড়ে তোলা উচিত। বাংলাদেশ সরকারকে ভারতের প্রতি নিন্দাবাদ জ্ঞাপণ করতে হবে। বাংলাদেশে নতুন কোনো মন্দির নির্মাণ করা যাবে না। সরকারীভাবেই মন্দির নির্মাণ ও মূর্তি বানানো-বসানো বন্ধ করতে হবে। ভারতে সরকারীভাবে যত মসজিদ ভাঙা হয়েছে, এখানে সরকারীভাবে তত মন্দির ভাঙতে হবে। সরকারি খাস জমিতে বিধর্মীদের স্থাপনা ভেঙে মসজিদ তৈরি করতে হবে।
৯. ডেপুটি স্পিকার কামাল কায়সার আদিবাসীদের পক্ষে সংবিধানবিরোধী বক্তব্য দিয়ে দেশদ্রোহিতা করেছে। সে আদিবাসীদের কল্পিত বঞ্চনার কথা বলে রাষ্ট্রীয় সংহতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন- যা স্পষ্ট দেশদ্রোহীতা। কামাল কায়সারকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে। মনে রাখতে হবে, দেশদ্রোহীতার শরঈ শাস্তি মৃত্যুদ-।
১০. বঙ্গোপসাগরে আমেরিকার জাহাজের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হবে। কোনো অবস্থাতেই বিদেশি সা¤্রাজ্যবাদী শক্তিকে বাংলাদেশের নৌসীমায় প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না।
সরকারকে স্পষ্টভাবে বলা হচ্ছে- আমেরিকা-ভারতের দালালি ছেড়ে জনগণ ও ইসলামের স্বার্থে কাজ করুন, নতুবা জনতার রোষানলে আগের সরকারগুলোর মতোই পরিণতি ভোগ করতে হবে। বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ উত্তোলন ও উৎপাদনশীল খাত বৃদ্ধির মাধ্যমেই প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব।
বার্তা প্রেরণে- বার্তা সম্পাদক, ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সুন্দরবনের দস্যুবাহিনী এখন অনেকটাই ‘কোণঠাসা’
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাজারে স্বস্তি নেই, অপরিবর্তিত নিত্যপণ্যের দাম
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বড় বাজেটে কৃষির হিস্যা ছোট
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
‘উচ্চাভিলাষী’ বাজেট, বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক: যৌথ সংবাদ সম্মেলন ছাড়াই শেষ
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ব্যাংকঋণের ওপর সরকারি নির্ভরতা কমানোর ঘোষণা
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইহুদীবাদী ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবীসহ ৫ দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশ
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইহুদীবাদী ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবীসহ ৫ দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশ
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বড় বাজেটে কৃষির হিস্যা ছোট
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সুন্দরবনের দস্যুবাহিনী এখন অনেকটাই ‘কোণঠাসা’
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাজারে স্বস্তি নেই, অপরিবর্তিত নিত্যপণ্যের দাম
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ব্যাংকঋণের ওপর সরকারি নির্ভরতা কমানোর ঘোষণা
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












