নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হযরত আহলু বাইত শরীফ ও হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম ও আলাইহিন্নাস সালাম উনারা আসমান ও যমীনের নিরাপত্তা দানকারী।’ সুবহানাল্লাহ!
আজ সুমহান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২২শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম ও আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাদের পবিত্র আযীমুশ শান নিসবতে আযীমাহ মুবারক দিবস। সুবহানাল্লাহ!
তাই সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র নিসবাতুল আযীমাহ মুবারক দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনাদেরকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনাদের যথাযথ খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া। যা সকলের জন্যই রহমত, বরকত, নিয়ামত, সাকীনা ও নাজাত লাভের কারণ হবে। সুবহানাল্লাহ!
, ২৩ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১২ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১২ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ২৯ চৈত্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বান্দা-বান্দী ও উম্মত তথা কুল-কায়িনাতের জন্য যেরূপ রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত, নাজাত ইত্যাদি লাভের কারণ; তদ্রƒপ উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার পর উনার যাঁরা আখাছছুল খাছ প্রতিনিধি, নায়িব ও সম্মানিত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম ও আলাইহিন্নাস সালাম উনারাও কুল-কায়িনাতের জন্য রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত, নাজাত ইত্যাদি লাভের কারণ। অর্থাৎ আখাছছুল খাছ হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের যমীনে আগমন ও অবস্থান আমভাবেই তো যমীনবাসীর জন্য রহমতস্বরূপই, তবে উনাদের এমন কতক বিশেষ বিশেষ মুহূর্ত বা সময় রয়েছে, যে সময়ে উনাদের ছোহবত লাভ ও খিদমতকারীগণ উনারা আরো বেশি পরিমাণে রহমত বরকত নাযাত লাভ করে থাকেন। সুবহানাল্লাহ!
আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল, ওলীয়ে মাদারযাদ, সাইয়িদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম ও ওলীয়ে মাদারযাদ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাদের পবিত্র নিসবতে আযীম মুবারক দিবস তথা পবিত্র ২২শে শাওওয়াল শরীফ উনার সম্মানার্থে নছীহত মুবারক পেশকালে তিনি উপরোক্ত ক্বওল শরীফ উল্লেখ করেন।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনারা আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সম্মানিত পিতা আলাইহিস সালাম এবং সম্মানিত মাতা আলাইহাস সালাম উভয় দিক থেকেই উনারা আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ বংশধর। অর্থাৎ আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমাস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দেখেছি, তিনি বিদায় হজ্জে আরাফার দিন উনার ‘কাসওয়া’ নামক উষ্ট্রীর উপর সাওয়ার অবস্থায় খুতবা মুবারক প্রদান করেছেন। আমি শুনেছি, তিনি খুতবা মুবারকে বলেছেন, হে লোক সকল! আমি তোমাদের মাঝে এমন দুটি মহান নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি, তোমরা যদি তা শক্তভাবে ধরে রাখ। অর্থাৎ মুহব্বত ও খিদমত করো, তবে তোমরা কখনও গুমরাহ বা ধ্বংস হবে না; তা হলো মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কিতাব ও আমার সম্মানিত ইতরত বা আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আলাইহিন্নাস সালাম বা আওলাদ আলাইহিমুস সালাম ও আলাইহিন্নাস সালাম উনারা।” অনুরূপ আরো বহু পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনারা উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের হাক্বীক্বী ও পরিপূর্ণ মিছদাক। সুবহানাল্লাহ! উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা বুঝা যায়, আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনারা উম্মত উনাদের জন্য সুমহান নিয়ামত, বরকত, সাকীনা এবং মাগফিরাত, নাজাত লাভের উসীলা। তাই আজ পবিত্র ২২শে শাওওয়াল শরীফ জিন-ইনসান সকলের জন্যই অত্যন্ত আনন্দের দিন তথা ঈদ বা খুশির দিন। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অতএব সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র নিসবাতুল আযীম মুবারক দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনাদেরকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনাদের যথাযথ খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া। যা সকলের জন্যই রহমত, বরকত, নিয়ামত, সাকীনা ও নাজাত লাভের কারণ হবে। সুবহানাল্লাহ!
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সর্বপ্রকার খেলাধুলাই হচ্ছে বিজাতীয় ও বিধর্মীদের তর্জ-তরীক্বা; যা তাদের দ্বারাই প্রবর্তিত। তাই কোনো মুসলমান খেলাধুলা করতে পারে না। খেলা দেখতে পারে না। খেলার সমর্থনে কোনো আলোচনা করতে পারে না। আর পবিত্র ঈমান উনার আলোকে বরদাশতও করতে পারে না। তাহলে ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশে কি করে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে হারাম খেলাধুলা জারি থাকতে পারে?
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ হলো- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহান শান মুবারক সম্পর্কে কটূক্তির বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ করা। আর সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীর অপচেষ্টাকারীদের সাথে সর্বপ্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করা, তাদেরকে সার্বিকভাবে বর্জন করা, আন্তর্জাতিকভাবে তাদের উপর শক্ত চাপ প্রয়োগ করা।
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী। তাই সকল মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রত্যেক অবস্থায় এবং দায়িমীভাবে সমস্ত বিধর্মীদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা থেকে আন্তরিকভাবে দূরে থাকা।
০৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৯শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ আ’শার আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আওলাদে রসূল, ত্বহিরা, ত্বয়্যিবা সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াদী আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- এ মহান দিবস উপলক্ষে মাহফিল করার পাশাপাশি উনাকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনার যথাযথ খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া।
০৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস- সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৮ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা।
০৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ঘোষণা অনুযায়ী- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ খলীফা হিসেবে মনোনীত “পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার-প্রসারকারীগণ”। সুবহানাল্লাহ! আর সে লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র কুরবানী উনার মূল বিষয়ই হচ্ছে তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াত। যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে পবিত্র কুরবানী করেছেন, তারাই মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিল করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষ্যে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা।
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আগামীকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) পবিত্র ফজর থেকে আগামী ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর তাকবীরে তাশরীক পাঠ করতে হবে। তাকবীরে তাশরীক হলো- ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’ আগামীকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দিবাগত রাতটিই হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার সম্মানিত রাত। সুবহানাল্লাহ! আর ইয়াওমুল খমীস (বৃহস্পতিবার) হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা অর্থাৎ পবিত্র কুরবানীর ঈদ। সুবহানাল্লাহ!
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার সম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৬ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- পবিত্র কুরবানীর পশু ছুরি দিয়ে হাতে জবাই করাই খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত এবং অশেষ ফযীলতের কারণ। পবিত্র কুরবানীর পশু মেশিনে জবাই করলে তাতে পবিত্র কুরবানী ছহীহ হবে না। কারণ কুরবানীর পশু মেশিনে জবাই করা শরীয়তসম্মত নয়।
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












