ইযহারু হাক্বীক্বতিল কুদ্রত আউওয়ালা র্মারাতিন ফী তারীখি খ্বালক্বিল্লাহ্ ‘আলা লিসানি সাইয়্যিদিনা সুলত্বানিন নাছীর মামদূহ্ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলাহ্ আলাইহিস সালাম
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ১৪
, ২৭ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৬ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ০৩ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
পবিত্র কুদরত মুবারক সম্পর্কে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আলোচনা মুবারক:
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
এরপরে যে বিষয়টা বুঝতে হবে- ঈমান রক্ষা করবে সবাই। ঈমানটা নষ্ট করো না কেউ। একটা কঠিন বিষয়। এরপর যেই জিনিসটা হলো, মহান আল্লাহ পাক উনি কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক করালেন (সৃষ্টি মুবারক করলেন), সেটা মহান আল্লাহ পাক উনি আমাকে দেখালেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) দেখলাম- মহান আল্লাহ পাক উনি উনার পাশে নূর মুবারক স্থাপন করলেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) বললেন, প্রথম সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ-
قَدَّرَ فَـهَدٰى
মহান আল্লাহ পাক উনি নিজে বললেন। এখানে কি এর অর্থ? মহান আল্লাহ পাক উনি বললেন,
يَدُوْرُ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَـعَالـٰى
এখানে কুদরত নেই।
يَدُوْرُ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَـعَالـٰى
এর অর্থ হচ্ছে আসলে- ঘূর্ণায়মান না; অবস্থান।
ঠিক ঐ হাক্বীক্বতটা মহান আল্লাহ পাক উনি প্রকাশ করলেন, যেটা সরাসরি নূর মুবারক, যা উনার পাশে উনি বসালেন। এটা হলো-
يَدُوْرُ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَـعَالـٰى
সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
আর পবিত্র কুদরত মুবারক কী? মহান আল্লাহ পাক উনি নিজের ভাষায় বললেন, বাংলায় এটা ‘নিয়ন্ত্রণ’। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) মহান আল্লাহ পাক উনি নিজেই বললেন, উনার ভাষায়- ‘অর্থাৎ আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি আমার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।’ (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
একটা হচ্ছে,
{ قَدَّرَ فَـهَدٰى} [اَلْاَعْلَى شريف: ৩]
{قَدَّرَهٗ تَـقْدِيْـرًا} [اَلْفُرْقَانُ شريف: ২]
দুইখানা সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ। সমস্ত কিছু দিয়ে- আমরা যেটা বলি যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত কিছু দিয়েই পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক করিয়েছেন (সৃষ্টি মুবারক করেছেন)। ঐ বিষয়টাই মহান আল্লাহ পাক উনি সরাসরি আমাকে দেখিয়ে দিলেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এই যে তারা বলে, মহান আল্লাহ পাক উনাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি দেখেননি। না‘ঊযুবিল্লাহ! একবার দেখেছেন। না‘ঊযুবিল্লাহ! এটা শুদ্ধ না। উনি ২৪ ঘণ্টাই যিয়ারত মুবারক-এ আছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
এরপরে বললেন, এটা আরেকটু বুঝার জন্য সহজ। যেটা আমরা বলি সব সময়। অনেকে হয়তো বুঝে না। যে, পবিত্র কালিমা শরীফখানা- মহান আল্লাহ পাক উনার মধ্যে উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি প্রবেশ করেননি, উনিও উনার মধ্যে প্রবেশ করেননি। দুইজন পাশাপাশি। মহান আল্লাহ পাক উনি পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক করায়ে (সৃষ্টি মুবারক করে) রেখেছেন। এখন মহান আল্লাহ পাক উনি যখন পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক করালেন (সৃষ্টি মুবারক করলেন), তখন দেখা গেলো আসলে কিছুই নেই। শুধু মহান আল্লাহ পাক উনি আর উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি অর্থাৎ উনারা। আর যা কিছু রয়েছে, সমস্ত কিছু ঐ পবিত্র নূর মুবারক থেকে একটা অংশ নিয়ে পরে সৃষ্টি করা হয়েছে।
এখন এক কথায় হচ্ছে-
يَدُوْرُ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَـعَالـٰى
{ قَدَّرَ فَـهَدٰى} [اَلْاَعْلَى شريف: ৩]
{قَدَّرَهٗ تَـقْدِيْـرًا} [اَلْفُرْقَانُ شريف: ২]
এটা ‘সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আ’লা শরীফ’ এবং ‘সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ফুরক্বান শরীফ’ উনাদের মধ্যে আছে। আর এটা আবার সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনি বললেন যে, ‘কুদরত উনার সরাসরি বাংলায় অর্থ হচ্ছে- নিয়ন্ত্রণ। আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি আমার নিয়ন্ত্রণে আছেন।’ (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এটাই হচ্ছে-
وَمَا يَـنْطِقُ عَنِ الْـهَوٰى. اِنْ هُوَ اِلَّا وَحْىٌ يُّـوْحـٰـى
‘মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ওহী মুবারক ছাড়া উনি কোনো কথা মুবারক বলেন না, কোনো কাজ মুবারক করেন না, কোনো সম্মতি মুবারক প্রকাশ করেন না।’
আর ঐ বিষয়টা-
يَا حَبِيْبِ صَـلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ اَنَا وَاَنْتَ وَمَا سِوَاكَ خَلَـقْتُ لِاَجْلِكَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَـلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا رَبِّ اَنْتَ وَمَا اَنَا وَمَا سِوَاكَ تَـرَكْتُ لِاَجْلِكَ
“আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি এবং আপনি। আর আপনি ছাড়া যা কিছু রয়েছে, সমস্ত কিছুই আমি আপনার সন্তুষ্টি মুবারক উনার জন্যই সৃষ্টি করেছি। সুবহানাল্লাহ! জবাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আয় বারে এলাহী! শুধু আপনি, আমিও না। আপনি ছাড়া আর যা কিছু রয়েছে, সমস্ত কিছুই তরক করেছি আপনার রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করার লক্ষ্যে। আমি তো আপনার মধ্যে ফানা-বাক্বা।’
আর ওখানে আরেকটা বিষয় রয়ে গেছে। সেটা হলো-
فَصَلِّ لِرَبِّكَ
এখানে একটা বিষয় রয়েছে। সেটা হলো- যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি ইরশাদ মুবারক করেন,
لَا اُحْصِىْ ثَـنَاءً عَلَيْكَ وَلَوْ حَرَصْتُ وَلٰكِنْ اَنْتَ كَمَا اَثْـنَـيْتَ عَلـٰى نَـفْسِكَ
“(বারে এলাহী!) আমি তো আপনার অনেক সম্মানিত ছানা-ছিফত মুবারক করতে চাই। কিন্তু আপনি তো ঐ রকমই যেমনটি আপনি আপনার সম্মানিত ছানা-ছিফত মুবারক করেছেন, প্রশংসা মুবারক করেছেন।”
মহান আল্লাহ পাক উনি বললেন, ‘এই সবগুলো মিলে শেষ পর্যন্ত মূল অর্থ হচ্ছে,
يَدُوْرُ بِالْقُدْرَةِ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَـعَالـٰى
(সব মিলালে হবে-) আমি আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমস্ত কিছু দিয়ে পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক করায়ে (সৃষ্টি মুবারক করে) উনাকে আমার সাথে সংযুক্ত করেছি এবং আমার নিয়ন্ত্রণেই উনি আছেন। অর্থাৎ উনি আমার নিয়ন্ত্রণ, যিয়ারত, ছোহবত ও দীদার মুবারক-এ আছেন, ছিলেন ও অনন্তকাল যাবৎ থাকবেন।
এটাই হলো মূল কুদরত। অর্থাৎ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার সরাসরি অর্থ হচ্ছে- (এক) প্রথম অর্থ হচ্ছে- নিয়ন্ত্রণ। (দুই) দ্বিতীয় অর্থ হচ্ছে- ছোহবত। (তিন) তৃতীয় অর্থ হচ্ছে- যিয়ারত। (চার) চতুর্থ অর্থ হচ্ছে- দীদার।’ (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
বুঝতে পেরেছো কিছু? কঠিন জিনিস। এটা বুঝা কঠিন বিষয়। এখন ফিকির করতে হবে।
এই কতগুলো কথা মহান আল্লাহ পাক উনি সরাসরি আমাকে বলছেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) আর উনার সাথে উপস্থিত ছিলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে সমস্ত নিয়ামত মুবারক দিয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক করিয়েছেন (সৃষ্টি মুবারক করেছেন), এটা আমাকে সরাসরি দেখিয়েছন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এখন মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোনো সংযুক্ত না, পাশাপাশি। প্রবেশও করেননি, জুদাও হননি। আবার সংযুক্ত, সম্মিলিত।”
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে মানহানীকারীদের যুগে যুগে ভয়াবহ পরিণতি (৪৮)
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের লক্ষ্যে সমস্ত সৃষ্টির জন্য তিনটি কর্তব্য দায়েমীভাবে পালন করা ফরজ
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বুলন্দী শান মুবারক
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ: ‘উম্মী’ শব্দ নিয়ে বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচারের চূড়ান্ত জবাব (৭)
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ১৩
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বুলন্দী শান মুবারক
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ: ‘উম্মী’ শব্দ নিয়ে বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচারের চূড়ান্ত জবাব (৭)
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ১২
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












