ইযহারু হাক্বীক্বতিল কুদ্রত আউওয়ালা র্মারাতিন ফী তারীখি খ্বালক্বিল্লাহ্ ‘আলা লিসানি সাইয়্যিদিনা সুলত্বানিন নাছীর মামদূহ্ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলাহ্ আলাইহিস সালাম
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ১৩
, ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
পবিত্র কুদরত মুবারক সম্পর্কে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আলোচনা মুবারক:
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ১৮ই শাওওয়াল শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (লাইলাতুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ বা সোমবার রাত) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র কুদরত মুবারক উনার বিষয়টা জানতে চায় কে? কারা কারা জানতে চায়? হ্যাঁ? (তারপর কায়িনাতবাসীকে ইলিম মুবারক উনার গুরুত্ব অনুধাবনের লক্ষ্যে বলেন,) পয়সা জমা দিতে হবে। কত টাকা এনেছো? তাহলে কিভাবে শুনবে? তাহলে কিভাবে হবে? ইস্তাওয়ার বিষয়টা তো সহজ ছিলো। এটা তো কঠিন। ঐটা ১৪শ’ কোটি টাকা দিতে হলে, তাহলে এটা ২৮শ’ কোটি টাকা দিতে হবে। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) হ্যাঁ? কি বলো? কি? ইস্তাওয়াটা সহজ ছিলো, এটা তো কঠিন। ঐটা ১৪শ’ কোটি টাকা দিতে হলে, এটা ২৮শ’ কোটি টাকা দিতে হবে। অন্যথায় কিভাবে হবে? এনেছো টাকা? তাহলে জানবে কিভাবে? কিভাবে জানবে? বলো দেখি। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
এখন কি সংক্ষেপে শুনবে, না বিস্তারিত শুনবে? কোন্টা শুনবে? সংক্ষেপে শুনতে চাইলে, এক দুই কথায় শেষ করে দিবো। আর বিস্তারিত শুনতে চাইলে, আমি বিস্তারিত বলবো। এখন কোন্টা শুনবে? বলো।
(আরযী: দুটাই শুনবো।)
ও- দুটাই শুনবে? আচ্ছা। কঠিন বিষয়। বিস্তারিত শুনলে তো সময় লাগবে।
১ নাম্বার হলো বিস্তারিত শুনতে হলে- মহাসম্মানিত মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার কাছে আমি আরযু করেছিলাম। উনি আমাকে প্রথমে দেখালেন- পবিত্র কুদরত মুবারক কী। মহান আল্লাহ পাক তিনি হাযির-নাযির কিভাবে? ইলিম আর কুদরত দ্বারা। মহান আল্লাহ পাক তিনি হাযির-নাযির হচ্ছেন ইলিম এবং কুদরতের মাধ্যমে। আর যাহির হচ্ছেন কিভাবে? আসমা’ ও ছিফতের মাধ্যমে। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনি পবিত্র কুদরত মুবারক উনার একটা মেছালী ছূরত আমাকে দেখালেন। একটা গোলাকার বৃত্ত, যা ধুঁয়ার মতো। প্রথম। আচ্ছা; ঠিক আছে।
এরপর মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের তরফ থেকে আমাকে বলা হলো যে, এটা বুঝতে হলে ‘সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ইখলাছ শরীফ’ আর ‘সম্মানিত ও পবিত্র সূরা কাওছার শরীফ’ বুঝতে হবে। কিভাবে বুঝতে হবে? সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ইখলাছ শরীফ উনার মধ্যে কি বলা হয়েছে?
قُلْ هُوَ اللهُ اَحَدٌ. اَللهُ الصَّمَدُ. لَـمْ يَـلِدْ وَلَـمْ يُـوْلَدْ. وَلَـمْ يَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ
“মহান আল্লাহ পাক উনি একক। মহান আল্লাহ পাক উনি বেনিয়ায। উনি কারো কাছ থেকে না, উনার থেকে কেউ না। উনার সমকক্ষ কেউ নেই।”
এই ছমাদিয়াত আগে বুঝতে হবে। এটা হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার শান মুবারক-এ।
আর ‘সম্মানিত ও পবিত্র সূরা কাওছার শরীফ’ বুঝতে হবে। কিভাবে বুঝতে হবে? ‘সম্মানিত ও পবিত্র সূরা কাওছার শরীফ’-এ বলা হচ্ছে-
اِنَّآ اَعْطَيْـنٰكَ الْكَوْثَـرَ. فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْـحَرْ. اِنَّ شَانِـئَكَ هُوَ الْاَبْـتَـرُ
প্রথম।
اِنَّآ اَعْطَيْـنٰكَ الْكَوْثَـرَ
‘নিশ্চয়ই আমি আপনাকে কাওছার হাদিয়া মুবারক করেছি।’
এখানে ঐ কাওছার অর্থে না। এখানে আমভাবে সমস্ত খায়ের-বরকত আপনাকে হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে। এই অর্থে।
এরপর- فَصَلِّ অর্থ এখানে কি হবে? এখানে ছলাত অন্য কিছু না। এখানে অর্থ হবে-
اِنَّ اللهَ وَمَلٰٓئِكَتَهٗ يُصَلُّوْنَ عَلَى النَّبِـىِّ
“নিশ্চয়ই যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার সকল সম্মানিত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি দায়িমীভাবে সম্মানিত ছলাত মুবারক পাঠ করে যাচ্ছেন অর্থাৎ উনার সম্মানার্থে দায়িমীভাবে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করে যাচ্ছেন।” সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক উনি যেমন ছলাত পাঠ করেন, আপনাকেও ছলাত পাঠ করতে হবে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনিও ছলাত পাঠ করেন মহান আল্লাহ পাক উনার শান মুবারক-এ।
আবার,
لِرَبِّكَ وَانْـحَرْ
وَانْـحَرْ অর্থ কি? কুরবানী করা। ফানা হয়ে যাওয়া। মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য সব ফানা-বাক্বা হয়ে যেতে হবে।
اِنَّ شَانِـئَكَ هُوَ الْاَبْـتَـرُ
এটার অর্থ হচ্ছে- নিশ্চয়ই আপনার শত্রুরা নির্বংশ অর্থাৎ এখানে শত্রুদের কোনো অংশ থাকবে না। শত্রুরা এখানে আর আসতে পারবে না।
এটা আলাদা। এটার আরেকটা অর্থ করা হলো-
قُلْ اِنَّ صَلَاتِـىْ وَنُسُكِىْ وَمَـحْيَاىَ وَمَـمَاتِـىْ لِلّٰهِ رَبِّ الْعٰلَمِيْـنَ. لَا شَرِيْكَ لَهٗ
‘আপনি বলুন, নিশ্চয়ই আমার ছলাত, কুরবানী, হজ্জ, ইবাদত-বন্দেগী, আমার হায়াত, আমার মউত সমস্ত কিছুই মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। উনার কোনো শরীক নেই।’
সব কিছু মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য, কোনো শরীক নেই। ঠিক আছে। এখন এই জিনিসটা বুঝানোর পর বলা হলো- ৪টা জিনিস এখানে সংযুক্ত হবে। কি ৪টা জিনিস সংযুক্ত হবে? মূল জিনিসটার সাথে ৪টা জিনিস সংযুক্ত হবে। সেটা প্রাথমিকভাবে বলা হচ্ছে-
ثُـمَّ دَنَا فَـتَدَلّٰـى. فَكَانَ قَابَ قَـوْسَيْـنِ اَوْ اَدْنـٰـى
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকটবর্তী হলেন, ঝুঁকে গেলেন। কি পরিমাণ? ধনুকের দুই মাথা।
ঐ ধনুক না। একটা ধনুকের দুই মাথা টান দিলে যেমন মিলে যায়, এরকম। তাদের অর্থ তাদের কাছে। আর মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বলা হচ্ছে-
لِـىْ مَعَ اللهِ وَقْتٌ لَا يَسْعٰنِـىْ فِيْهِ مَلَكٌ مُّقَرَّبٌ وَلَا نَبِـىٌّ مُّرْسَلٌ
‘মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে আমার এমন একটি সময় রয়েছে অর্থাৎ দায়েমীভাবে ২৪ ঘণ্টা এমন নিসবত মুবারক রয়েছেন যেখানে কোনো নৈকট্যপ্রাপ্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের এবং হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের স্থান সংকুলান হয় না।’ সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এমন নিসবত, এখানে কারো কোনো সম্পর্ক নেই। ২৪ ঘণ্টা উনি দীদার মুবারক-এ মশগুল আছেন।
আর আরেকটা হলো-
وَمَا يَـنْطِقُ عَنِ الْـهَوٰى. اِنْ هُوَ اِلَّا وَحْىٌ يُّـوْحـٰـى
‘মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ওহী মুবারক ছাড়া উনি কোনো কথা মুবারক বলেন না, কোনো কাজ মুবারক করেন না, কোনো সম্মতি মুবারক প্রকাশ করেন না।’
সেটা কি? সেটা হচ্ছে- ঐ মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ-
يَا حَبِيْبِ صَـلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَنَا وَاَنْتَ وَمَا سِوَاكَ خَلَقْتُ لِاَجْلِكَ
“আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি এবং আপনি। আর আপনি ছাড়া যা কিছু রয়েছে, সমস্ত কিছুই আমি আপনার সন্তুষ্টি মুবারক উনার জন্যই সৃষ্টি করেছি।” সুবহানাল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি বললেন,
يَا رَبِّ اَنْتَ وَمَا اَنَا وَمَا سِوَاكَ تَـرَكْتُ لِاَجْلِكَ
‘আয় বারে এলাহী! শুধু আপনি, আমিও না। আপনি ছাড়া আর যা কিছু রয়েছে, সমস্ত কিছুই তরক করেছি আপনার রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করার লক্ষ্যে। আমি তো আপনার মধ্যে ফানা-বাক্বা।’
এই পর্যন্ত আসলো।
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বুলন্দী শান মুবারক
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ: ‘উম্মী’ শব্দ নিয়ে বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচারের চূড়ান্ত জবাব (৭)
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বুলন্দী শান মুবারক
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ: ‘উম্মী’ শব্দ নিয়ে বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচারের চূড়ান্ত জবাব (৭)
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ১২
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে মানহানীকারীদের যুগে যুগে ভয়াবহ পরিণতি (৪৭)
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে ‘শব্দ’ ব্যবহারে কতটুকু আদব রক্ষা করা আবশ্যক (৩)
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা সৃষ্টির শুরু থেকেই একই সাথে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল যাবৎ থাকবেন
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












